খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শৈলকূপা পৌরছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদী থেকে

আব্দুস সালাম (জয়)
প্রকাশিত: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১:৪৭ অপরাহ্ণ
শৈলকূপা পৌরছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার পদ্মা নদী থেকে

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশীতে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারে ধাক্কা খেয়ে নৌকা থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর রাকিবুজ্জামান রকি (৩০) নামে এক ছাত্রদল নেতার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

১৩ ই সেপ্টেম্বর রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের চর-কুড়ুলিয়া আকাতের ঘাট এলাকায় পদ্মা নদী থেকে রাকিবুজ্জামান রকির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে ১১ই সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সোয়া ৯টার দিকে ঈশ্বরদীর পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের ৫ নম্বর গার্ডারের পিলারের সঙ্গে পিকনিকের একটি নৌকা ধাক্কা খায়। এতে রকিসহ তিনজন নদীতে পড়ে যান।
পরে ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্সের উদ্ধারকর্মীরা দুজনকে উদ্ধার করতে পারলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।
নিহত রকি ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কবিরপুর গ্ৰামের হাসান আলীর ছেলে।
তিনি শৈলকূপা পৌর ছাত্রদলের সদস্য সচিব ছিলেন।
নৌ পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১৩ই সেপ্টেম্বর রোববার সকাল ৯টার দিকে আকাতের ঘাট এলাকায় পদ্মার শাখা নদীতে রকির মরদেহ ভাসতে দেখে নৌ-পুলিশকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
ঘটনার দিন নৌকা ভ্রমণে আসা যাত্রীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলা গাড়ি ঘাট থেকে তারা ১২৩ জন ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে আসেন। এছাড়া ওই নৌকাতে মাঝিসহ আরও বেশ কয়েকজন লোক ছিলেন। বেড়ানো শেষে রাত ৯টা ১০ মিনিটের সময় তারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছান। এ সময় স্রোতের ধাক্কায় হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পিলারের সঙ্গে তাদের নৌযানটির পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এতে রকি, লিটন ও ওহাব পানিতে পড়ে যান। পরে লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ হন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।