খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

স্থলবন্দরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ, যুক্ত হচ্ছে নতুন আধুনিক ক্রেন

মোঃ জমির হোসেন
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৪:৫১ অপরাহ্ণ
স্থলবন্দরে শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম বিতরণ, যুক্ত হচ্ছে নতুন আধুনিক ক্রেন

​বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য ওঠানামায় গতি ফেরাতে এবং শ্রমিকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক বিশেষ মতবিনিময় ও বিতরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ​সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে বেনাপোল বন্দরের কাঁচামাল মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে হ্যান্ডলিং শ্রমিকদের টনপ্রতি মজুরি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। একই সঙ্গে শ্রমিকদের কাজের নিরাপত্তা রক্ষায় হেলমেট ও গ্লাভস বিতরণ করেন বন্দরের নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘এভারেস্ট পোর্ট সার্ভিসেস লিমিটেড’-এর পরিচালক মো. শহীদ হোসেন।

​বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১-এর সভাপতি মাকসুদুর রহমান রিন্টুর সভাপতিত্বে এবং ৯২৫ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলীর সঞ্চালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন মো. শহীদ হোসেন।

​প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শহীদ হোসেন বলেন, “’শ্রমিক বাঁচলে আমরা বাঁচব, আর আমরা বাঁচলে শ্রমিক বাঁচবে’—এই নীতিতেই আমরা কাজ করতে চাই। শ্রমিকরাই এই বন্দরের মূল চালিকাশক্তি। অতীতের যে কোনো সংকটে শ্রমিকরা যেন একা বোধ না করেন, সে জন্য আমি সর্বদা আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকব। বন্দরের কর্মক্ষমতা বাড়াতে ইতোমধ্যে নতুন ও আধুনিক ক্রেন এবং সরঞ্জাম যুক্ত করা হয়েছে, ভবিষ্যতে আরও উন্নত যন্ত্রপাতি আসবে।” তিনি শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নিয়মিত নিরাপত্তা সরঞ্জাম প্রদান ও মাসে অন্তত একবার তাঁদের দাবি-দাওয়া নিয়ে আলোচনায় বসার প্রতিশ্রুতি দেন।

​অনুষ্ঠানে মজুরি বৃদ্ধি ও নিরাপত্তা সরঞ্জাম পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন উপস্থিত শ্রমিকরা। দীর্ঘদিন পর ঠিকাদারের পক্ষ থেকে সরাসরি যোগাযোগ ও সুরক্ষার এমন উদ্যোগে তারা সন্তোষ জানান।
​৯২৫ ইউনিয়নের সভাপতি মো. তবিবুর রহমান তবি ও সাধারণ সম্পাদক মো. সহিদ আলী এ উদ্যোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, মজুরি বৃদ্ধি শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। নতুন ঠিকাদারের এই জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের ফলে বন্দরের কাজে নতুন গতি সঞ্চারিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রাক্তন লেবার সরদার কাশেম আলীও বিগত ৫০ বছরের অভিজ্ঞতায় এই উদ্যোগকে প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।

​অনুষ্ঠানে বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক মো. হান্নানসহ বন্দরের কর্মকর্তা, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং হ্যান্ডলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১ ও ৯২৫-এর বিভিন্ন পর্যায়ের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ ও বিপুলসংখ্যক সাধারণ শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়াও বেনাপোল স্থলবন্দর হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন ৮৯১- সাধারণ সম্পাদক লিটন হোসেন দপ্তর সম্পাদক শাহাবুদ্দিন ও মোস্ত, ৯২৫ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল মজিদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইদ্রিস আলী ডাক্তার, দপ্তর সম্পাদক আবুল কাশেম, প্রচার সম্পাদক ওমর ফারুক, বন্দর বিষয়ক সম্পাদক আব্বাস আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ সবুজ হোসেন, সদস্য কামরুজ্জামান,জামির হোসেন, শ্রমিক নেতা হান্নানসহ ইউনিয়ন ৯২৫-এর অন্যান্য নেতাকর্মী ও সাধারণ শ্রমিকরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।