খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

রাজশাহী পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে রাজশাহীতে সাপের আতঙ্ক চরাঞ্চল প্লাবিত,লোকালয়ে রাসেল ভাইপার রাত কাটছে নির্ঘুম

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৭:৫৭ অপরাহ্ণ
রাজশাহী পদ্মার পানি বৃদ্ধিতে রাজশাহীতে সাপের আতঙ্ক  চরাঞ্চল প্লাবিত,লোকালয়ে রাসেল ভাইপার রাত কাটছে নির্ঘুম

টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে রাজশাহীতে বাড়ছে পদ্মা নদীর পানি। এরই মধ্যে নদীর কয়েকটি চরাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগের সঙ্গে নতুন করে যুক্ত হয়েছে সাপের আতঙ্ক।

স্থানীয়দের দাবি, পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রজাতির সাপ স্থলভাগের দিকে উঠে আসছে। রাজশাহী নগরীর পদ্মা তীরবর্তী সীমান্ত অবকাশ এলাকাতেও বিষধর রাসেল ভাইপার দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। তাদের ভাষ্য, নিচু এলাকা তলিয়ে যাওয়ায় সাপগুলো উঁচু ও নিরাপদ স্থানে উঠে আসছে এবং সেখান থেকে লোকালয় ও বসতবাড়ির কাছাকাছি চলে আসছে।

স্থানীয়রা জানান, কয়েক দিন আগেও এলাকায় এ ধরনের সাপের উপস্থিতি তেমন দেখা যায়নি। পানি বাড়ার পর গত কয়েক দিনে বিভিন্ন স্থানে একাধিক বিষধর সাপ দেখা গেছে।

এক কিশোর জানায়, পানির মধ্য থেকে বড় একটি সাপকে ডাঙায় উঠে আসতে দেখে সে। পরে ঘাটের কাছে সাপটি পড়ে থাকলে স্থানীয়রা সেটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলেন। সাপটিকে রাসেল ভাইপার বলে শনাক্ত করা হয়েছে বলে দাবি তার।

এক নারী বলেন, বড় একটি সাপ দেখেছেন তিনি। সেটিকে মারার চেষ্টা করা হলেও সেটি পালিয়ে যায়।

আরেক বাসিন্দা বলেন, পানি বাড়ার কারণে সাপগুলো লোকালয়ে চলে আসায় ভয় তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে সাপের কামড়ের আশঙ্কায় অনেকে আতঙ্কে রয়েছেন।

এদিকে জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহী শহরের পাশের ভারত সীমান্তঘেঁষা চর খিদিরপুর ও খানপুরসহ পদ্মার ওপারের বিভিন্ন চরাঞ্চল পানিতে তলিয়ে গেছে।

রাজশাহীর জেলা প্রশাসক কাজী শাহিদুল ইসলাম জানান, পানিবাহিত রোগের বিস্তার ঠেকাতে পানিবন্দি মানুষের মধ্যে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হচ্ছে। আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সাপের আতঙ্কের মধ্যে সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিভেনম প্রতিষেধক বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।