খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতা জরুরি রাসিক প্রশাসক পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা বিষয়ে রাসিকের মতবিনিময় সভা

মোস্তাফিজুর রহমান রানা
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:২৪ অপরাহ্ণ
ডেঙ্গু প্রতিরোধে নাগরিক সচেতনতা জরুরি রাসিক প্রশাসক  পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও সচেতনতা বিষয়ে রাসিকের মতবিনিময় সভা

ডেঙ্গুর ঝুঁকি থেকে মহানগরবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন (রাসিক) বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই অংশ হিসেবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও জনসচেতনতা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে নগর ভবনের সিটি হল সভাকক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন রাসিক প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন। রাসিকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে ও সচিব মোঃ সোহেল রানার সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার ডা. মোফাখখারুল ইসলাম।

সভায় বক্তারা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি নাগরিকদের সচেতনতাও জরুরি। এডিস মশা জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে বংশবিস্তার করে। তাই বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা ও নির্মাণাধীন ভবনে পানি জমতে দেওয়া যাবে না। প্রতি সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার এবং পরিত্যক্ত টব, ডাবের খোসা, টায়ার ও পাত্র অপসারণের আহ্বান জানানো হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রাসিক প্রশাসক বলেন,প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন। প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তাঁর কর্মী হিসেবে আমিও কাজে বিশ্বাসী। নগরবাসীর সহযোগিতায় আমরা একটি পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও ডেঙ্গুমুক্ত রাজশাহী গড়তে চাই।

তিনি আরও বলেন,ক্লিন সিটি,গ্রিন সিটি হিসেবে রাজশাহীর সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে ইতোমধ্যে আড়াই লাখ বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কর্মসূচি চলছে।

সভায় রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ডা. আজিজুল হক আজাদ জানান, ডেঙ্গু রোগীর জন্য হাসপাতালে আলাদা ওয়ার্ড করা হয়েছে। দিনে-রাতে যেকোনো সময় এডিস মশা কামড়াতে পারে, তাই মশারি ব্যবহার জরুরি।

সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি উপস্থাপন করেন জেলা কীটতত্ত্ববিদ উম্মে হাবিবা ও কীটতত্ত্বীয় টেকনিশিয়ান মোঃ আব্দুল বারী। রাসিকের কার্যক্রম তুলে ধরেন উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু।

এ সময় আরএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক তাছমিনা খাতুন, স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক নজরুল ইসলাম, ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক আব্দুর রাজ্জাকসহ রাসিকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।