খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিটে সামাজিক উপকারভোগী ও ভিলেজারকে নিয়ে উঠান বৈঠক করে- বন বিভাগ

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৮:০৪ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে শালটিলা বন বিটে সামাজিক উপকারভোগী ও ভিলেজারকে নিয়ে উঠান বৈঠক করে- বন বিভাগ

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীনস্থ শালটিলা ফরেস্ট বন বিটে সামাজিক উপকারভোগী ও ভিলেজারদের নিয়ে উঠান বৈঠক করেছে বন কর্মকর্তা। মঙ্গলবার সকালে রঘুনন্দন রেঞ্জের অধীনস্থ জায়গায় বসবাস অসংখ্য উপকারভোগী ও ভিলেজারকে নিয়ে চুনারুঘাট এবং মাধবপুর উপজেলার রঘুনন্দন রেঞ্জের বনাঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বন সমপ্রসারণে স্থানীয় জনগণকে সম্পৃক্ত করার উদ্দেশ্যে বন বিভাগ এ ধরনের সচেতনতা মূলক সভার আয়োজন করা হয়। শালটিলা বন বিট ফরেস্ট মোহাইমিনুল সানী সভাপতিত্বে অসংখ্য সামাজিক উপকারভোগী, ভিলেজার ও রঘুনন্দন রেঞ্জের বন বিট ফরেস্ট এবং অন্যান্য স্টাফদের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রঘুনন্দন রেঞ্জের কর্মকর্তা মোঃ ফয়সাল আলম । প্রধান অতিথি বলেন , বনের গাছপালা কাটা বন্ধ করা , বন্য প্রাণীর অবাধ বিচরণ নিশ্চিত করা সহ পাহাড়ে টিলা কাটায় দুর্বল হয়ে পড়েছে এবং এরই মধ্যে পাহাড় ধ্বসে সামাজিক বনায়ন গাছ অনেক ক্ষতিগ্রস্ত না হয় । এছাড়া অবৈধ ভাবে বালু উওোলন রোধে সকলে মিলে এ ভূমিকা রাখতে হবে । এর মধ্যে উপকারভোগীদের সামাজিক বনায়ন কার্যক্রমের আওতায় সঠিক ভাবে বাগান পরিচালনা এবং অর্থনৈতিক সুফল সম্পর্কে সচেতনতা করা প্রয়োজন। তিনি আরো বলেন , বন বিভাগের সাথে উপকারভোগী ও ভিলেজার বাসিন্দাদের সুসম্পর্ক বজায় রাখা এবং বনের যে কোনো ক্ষতি বা অপরাধমূলক কার্যক্রম রোধে রঘুনন্দন রেঞ্জের বন বিট কর্মকর্তাকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করা সকলের দায়িত্ব রয়েছে । এসময় উঠান বৈঠক সভায় উপস্থিত ছিলেন জগদীশপুর বন বিট কাম চেক স্টেশনের কর্মকর্তা মোঃ জহিরুল ইসলাম , শাহজীবাজার বন বিট ফরেস্ট শংকর চন্দ্র বীর, শাহপুর বন বিট ফরেস্ট রথীন্দ্র কিশোর রায় সহ বন বিট অন্যান্য স্টাফরা ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।