খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনার আলোচিত মামলায় বাদী শহিদুল শেখ কে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি : আসামিদের জামিন বাতিলের পিটিশন দাখিল

মোঃ আল মামুন
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:২৭ অপরাহ্ণ
খুলনার আলোচিত মামলায় বাদী শহিদুল শেখ কে প্রানে মেরে ফেলার হুমকি : আসামিদের জামিন বাতিলের পিটিশন দাখিল

 

খুলনা, ডুমুরিয়া উপজেলার ১ নং ধামালিয়া ইউনিয়নের অন্তর্গত অড়ুয়া বাঁধে আজ থেকে আনুমানিক আট মাস পূর্বে অর্থাৎ ২০/ ১ /২৬ ইং তারিখে রাসেল শেখ পিতা শহিদুল শেখ কাটিংগা গ্রামের সুলাইমান মোড়ল পিতা মৃত ফজলুর মোড়লের নিকট চাঁদাদাবি করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ১ নং আসামি, ওয়াহিদুজ্জামান কনু পিতা জাকারিয়া মোল্লা সহ স্থানীয় অনেকেই আইন হাতে তুলে নিয়ে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র দিয়ে ফুলা, যখন রক্ত, যখন করে অচেতন অবস্থায় মাটিতে ফেলে রেখে চলে যায় রাসেল শেখ কে। এবং তার ব্যবহারিত মোটরবাইক টি আগুনে জ্বালিয়ে দেয় খবর পাওয়া যায়।

 

উক্ত ঘটনা কে কেন্দ্র করে পরবর্তীতে ১২/৩/ ২০২৬ ইং তারিখে ভিকটিমের পিতা শেখ শহিদুল ইসলাম পিতা মৃত আব্দুল মজিদ শেখ বাদী হয়ে বিজ্ঞ জুটিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে আমলী আদালত ডুমুরিয়া অঞ্চল খুলনাতে দন্ডবিধি ১৪৩, ১২৩, ৩২৪, ৩২৫, ৩২৬, ৩৬০ ৫০৩ ৩৮৬/৫০৬/সেকশন দন্ডবিধি অনুসারে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং ডুমুরিয়া থানা- ৩৬, উক্ত মামলায় আসামীগণ বিজ্ঞ আদালতে জামিন প্রার্থনা করলে বিজ্ঞ বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে খুলনা জেলা কারাগারে প্রেরণ করেন। যেখানে ১৬ দিন কারা ভোগের পর আসামিদের মধ্য মোহাম্মদ ওয়াহিদুজ্জামান কনু মোঃ হাফিজুর রহমান, মোঃ রমজান হালদার, মোঃ সোলায়মান মোড়ল, হাফিজুর মোড়ল, মোহাম্মদ আবু সঈদ মোড়ল, মোহাম্মদ মুরাদ মোল্লা, মোহাম্মদ ইমদাদুল মোল্লা, মোহাম্মদ রিয়াদ জোয়াদ্দার, সর্ব সাং কাটিংগা খুলনা জেলা কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে নিজ এলাকাতে ফিরে এসে বাঁদিকে ভয় ভীতি প্রদর্শনের মধ্যে

ওয়াহিদুজ্জামান কনুর নেতৃত্বে , বাদী শহিদুল ইসলাম পিতা আব্দুল মজিদ শেখ কে, প্রাণানে মেরে ফেলার হুমকি দিলে বাদী শহিদুল ইসলাম পাঁচজন কে আসামি করে ফুলতলা থানা তে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করে, অভিযোগে উল্লেখ করেন ২২/০৮ /২০২৬ খ্রিস্টাব্দ শনিবার আনুমানিক বিকেল ৫ ঘটিকার সময় আমার বাড়ির সম্মুখে রাস্তায় মোটরসাইকেল যোগে এসে আমাকে গালি ও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করতে থাকে, এবং মামলা উঠিয়ে না নিলে জীবনে মেরে ফেলার হুমকি দেয়।

যাদের মধ্যে অহিদুজ্জামান কনু পিতা মোহাম্মদ জাকারিয়া মোঃ হাফিজুর রহমান পিতা আব্দুল হাই সোলাইমান মোড়ল পিতা ফজলুল মোড়ল সর্ব সাং- কাটিংগা সহ আরো অজ্ঞাত- ২ জন ব্যক্তি তাদের সাথে উপস্থিত ছিল যারা বারবার একটি কথা বলতে থাকে সিয়ার মামলা নং ৩৬ প্রত্যহার না করলে ছেলেকে যেভাবে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করেছিলাম তোকেও তাই করব। এমত অবস্থায় বাদী শহিদুল ইসলাম পিতা মজিদ শেখ তার সিনিয়র আইনজীবী আলহাজ্ব এস এম কেছমত আলী বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ডুমুরিয়া অঞ্চল বরাবর একটি লিখিত পিটিশন দাখিল করেছেন।

উক্ত ঘটনায় বাদী প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি পেয়ে রিরাপত্তাহীনতা বা আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে এমতাবস্থায় বাদী শহিদুল ইসলাম ও তার পরিবারের নিরাপত্তার জন্য প্রশাসন ও বিজ্ঞ আদালতের কাছে দুর্ধর্ষ আসামীদের জামিন বাতিলসহ বাদীর নিরাপত্তাজনিত কারণে জেলের অভ্যন্তরে আটক রাখার দাবি জানিয়েছে

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।