খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অবাধে ভারতীয় পণ্য পাচার হচ্ছে শেরপুর-জামালপুর সড়ক পথে

সজল জামান, জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৪, ১:৫৭ অপরাহ্ণ
অবাধে ভারতীয় পণ্য পাচার হচ্ছে শেরপুর-জামালপুর সড়ক পথে
শেরপুর-জামালপুর সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পাচার হচ্ছে ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ পণ্য। প্রতিদিন মাদকদ্রব্য থেকে শুরু করে পাচার হচ্ছে লাখ লাখ টাকার নিত্য প্রয়োজনীয় নানা পণ্যদ্রব্য। এ রোডের বিভিন্ন পয়েন্টে এসব অবৈধ মালামাল পাচারে সহযোগিতা করছে স্থানীয় পাচার চক্রের বিভিন্ন দল।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে এক ট্রাক ভারতীয় জিরা আটক করেছে ডিবি পুলিশ। যা বর্তমানে জামালপুর সদর থানার রয়েছে। ছাড়াতে ভূয়া কাগজ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে জামালপুর জেলার ডিবির অফিসার ইনর্চাজ নাজমুজ সাকিব দৈনিক ঢাকার ডাক কে জানান, জিরা আটক হয়েছে কাগজ পত্র যাছাই বাছাই চলছে। অভিযোগ উঠেছে, ভারতীয় বিভিন্ন নামি-দামি ব্র্যান্ডের মদ, ফেনসিডিল, গাঁজাসহ ভারতীয় সীমানা প্রাচীর পেরিয়ে ঢুকছে জামালপুরের সীমান্তবর্তী   উপজেলায় এর পর নদী পাড় হয়ে প্রবেশ করেছে জামালপুর। পাচার হওয়া এসব অবৈধ মালামাল শেরপুর থেকে জামালপুর হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে সারা বাংলাদেশে। শেরপুর-জামালপুর রোডে কোন ধরনের চেকপোস্ট না থাকায় এই রাস্তাটিকে নিরাপদ মনে করছে পাচারকারীরা। তাই প্রত্যেকদিন এসব অবৈধ মালামাল শেরপুর- জামালপুরের একমাত্র রোড ব্রহ্মপুত্র সেতু হয়ে ছড়িয়ে পড়ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়। একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকার শেরপুর জামালপুরের বেশ কয়েকটি চোরাইপথ দিয়ে প্রতিনিয়ত দেশে আসছে ভারতের চিনি, মাদক, কসমেটিকসসহ অন্যান্য অবৈধ মালামাল। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাঝেমধ্যে অভিযানে এসব অবৈধ মালামাল আসা ঠেকানো যাচ্ছে না। এর ফলে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
চোরাইপথে আনা কিছুকিছু পণ্যের কাস্টমস থেকে নিলামে কেনা স্লিপ ব্যবহার করছে চোরাকারবারিরা। সীমান্তঘেঁষা শেরপুরে নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতি ও জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন পয়েন্ট এখন ভারতীয় পন্যের আখড়া।  সীমান্তের এসব উপজেলা দিয়ে ভারতীয় পন্যের অবৈধ চালানগুলো দেশের বিভিন্ন বাজারে চলে যাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জানান, বেশিরভাগ ভারতীয় অবৈধ পণ্য শেরপুর থেকে ব্রহ্মপুত্র ব্রীজ পার হয়ে জামালপুর শহরের ডাকপাড়া এলাকা হয়ে জামালপুর  জেলার  বিভিন্ন উপজেলায় প্রবেশ করছে এবং ছড়িয়ে ছিটিয়ে যাচ্ছে সারা দেশে। শুধু তাই নয়  পুলিশের চোখ ফাঁকি দিলেও এসব অবৈধ মাল বোঝাই পিকআপ, ট্রাক ও কাভারভ্যান ব্রহ্মপুত্র ব্রীজ পার হওয়ার পর  মাঝে মাঝে আটক হয় কথিত সাংবাদিক ও স্থানীয় কিছু চক্রের হাতে। পরে রফাদফা শেষে সেসব চক্র ওইসব ভারতীয় অবৈধ পন্য বোঝাই বাহনকে নিরাপদে তার গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে। আর রফাদফায় বিঘ্ন ঘটলে সেসব চলে যায় স্থানীয় প্রশাসনের অধীনে। তাই ব্রহ্মপুত্র ব্রীজ পার হওয়ার আগেই চোরাকারবারিরা জামালপুর অংশে  ওৎ পেতে থাকা সেসব কথিত সাংবাদিকসহ পুরো চক্রটির সাথে রফাদফা করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক পিকাপ, ট্রাক ও কাভার ভ্যান চালক জানান, শেরপুর- জামালপুর রোডে গাড়ি চালাতে গেলে তাদের মাঝে মধ্যেই বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। গাড়িতে বৈধ মালামাল না থাকলেও কতিপয় লোক সাংবাদিক পরিচয়ে পথ আটকে দেয় এবং নানান প্রশ্ন করতে থাকে। অনেকসময় গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্সও চেক করে তারা। কোন কিছুতে কোন রকম গড়মিল পেলে তারা চাঁদা দাবি করে। পাশাপাশি দেখানো হয় প্রশাসনের ভয়ভীতি।  ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলছে বলে জানান তারা।
উপরোক্ত বিষয়ে ট্রাফিক পুলিশের কি ভূমিকা এ বিষয়ে জামালপুর ট্রাফিক বিভাগের টি আই   জাহাঙ্গীর আলম কে টানা দুই দিন একাধিক বার ফোন দিলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ফয়সাল মো.আতিক বলেন, যারা এ সকল কাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে সে যেই হোক। এ বিষয়ে জামালপুর জেলার পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম দৈনিক ঢাকার ডাক কে বলেন, এ ধরনের কাজের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।