খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফসলের মাঠে দ্যুতি ছড়াচ্ছে হলুদের আভা

নড়াইল প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৪, ৪:১৬ অপরাহ্ণ
ফসলের মাঠে দ্যুতি ছড়াচ্ছে হলুদের আভা

নড়াইলের তিনটি উপজেলার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে হিমেল বাতাসে দোল খাচ্ছে হলুদ সরিষা ফুল। দূর থেকে সরিষার ক্ষেতগুলো দেখে মনে হয়, কে যেন হলুদ চাদর বিছিয়ে রেখেছে। সরিষা ফুলের হলুদ রাজ্যে মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত হয়ে উঠেছে সরিষার মাঠ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি মৌসুমে এ জেলায় সরিষার চাষ বেড়েছে। জেলায় এবছর তিনটি উপজেলায় ১৩ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ হয়েছে। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবার ৪৬২ হেক্টর বেশি জমিতে সরিষা চাষ বেড়েছে। গত বছর সরিষার আবাদ হয়েছিল ১২ হাজার ৮৮৮ হেক্টর জমিতে। চলতি মৌসুমে উপজেলাওয়ারী সরিষার চাষ হয়েছে, নড়াইল সদর উপজেলায় ৪ হাজার ৪৩০ হেক্টর জমিতে, লোহাগড়া উপজেলায় ৫ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে এবং কালিয়া উপজেলায় ৩ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে। নড়াইল জেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার বলেন, “এবছর ১৭ হাজার ৯৯৩ মেট্রিক টন সরিষা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে।

নড়াইল সদর উপজেলার কলোড়া গ্রামের কৃষক নাজমুল মোল্যা বলেন, “সরিষা চাষে একর প্রতি খরচ হয় ৪ থেকে ৫ হাজার টাকা। ফলন হয়ে থাকে ৭-৮ মণ। প্রতি মণ সরিষার বাজার দর ৪ হাজার ২শ টাকা থেকে ৪ হাজার ৫শ টাকা। তিনি আরও বলেন, গত বছর সরিষা চাষে আশানুরূপ লাভ হওয়ায় এবার তিন একর জমিতে সরিষার চাষ করেছি। মাঠে সরিষা ভালো দেখা যাচ্ছে, ফলন ও ভালো হবে। নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা সরিষা প্রশিক্ষণ অফিসার সৌমিত্র সরকার বলেন, “মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা সরিষা চাষিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। উন্নত জাতের সরিষার চাষ ও আবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সরিষা ৩ থেকে সাড়ে ৩ মাস মেয়াদি ফসল। বর্তমানে সরিষা চাষ কৃষকের লাভজনক ফসলে পরিণত হয়েছে। সরিষা চাষ একদিকে যেমন মাটির উর্বরতা বাড়ায়, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।