খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুদ্ধ শুরুর পর গাজায় জনসংখ্যা কমেছে ৬ শতাংশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারি, ২০২৫, ২:৩৩ অপরাহ্ণ
যুদ্ধ শুরুর পর গাজায় জনসংখ্যা কমেছে ৬ শতাংশ

গাজা যুদ্ধের ১৫ মাসে সেখানকার জনসংখ্যা প্রায় ছয় শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ফিলিস্তিনি কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরোর (পিসিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর প্রায় লাখ খানেক মানুষ দেশ ছেড়েছেন আর প্রায় ৫৫ হাজার মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স বুধবার (১ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।  ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের ভিত্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, যুদ্ধে অন্তত ৪৫ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। তাদের অর্ধেকের বেশি নারী ও শিশু। এছাড়া, আরও ১১ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

এতে গত ১৫ মাসে গাজার জনসংখ্যা এক লাখ ৬০ হাজার কমে ২১ লাখ হয়েছে। এর ৪৭ শতাংশ বা অন্তত ১০ লাখই ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু। পিসিবিএস-এর প্রতিবেদনকে ‘মিথ্যা, অতিরঞ্জিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসরায়েলকে কলঙ্কিত করার জন্য তৈরি’ বলে অভিহিত করেছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় । গাজায় মৃত্যু ও ধ্বংসের পরিমাণের কারণে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যেই গণহত্যার অভিযোগ উঠেছে। জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) গত জানুয়ারিতে রায় দিয়েছিল যে ইসরায়েলকে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে গণহত্যা প্রতিরোধ করতে হবে। ইসরায়েল বারবার গণহত্যার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তাদের দাবি, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক আইন মেনে চলে ও ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত হওয়ার পর তাদের আত্মরক্ষার অধিকার রয়েছে। পিসিবিএস জানিয়েছে, গাজার প্রায় ২২ শতাংশ মানুষ বর্তমানে ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশনের (আইপিসি) মানদণ্ড অনুযায়ী তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার ভয়াবহ পর্যায়ে রয়েছে।

এই ২২ শতাংশের মধ্যে অপুষ্টি ও খাদ্যের অভাবে প্রায় সাড়ে তিন হাজার শিশু মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে পিসিবিএস জানিয়েছে।

আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ অপরাহ্ণ
আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ আইনমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিনিধি: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তিনি আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত ১৫তম জাতিসংঘ অপরাধ প্রতিরোধ ও ফৌজদারি বিচার কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে বক্তব্য প্রদানকালে এ কথা বলেন।

২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি ন্যাশনাল এক্সিবিশন সেন্টারে (ADNEC) অনুষ্ঠিত এই কংগ্রেসে আইনমন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব প্রদান করছেন।

বক্তব্যে আইনমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনায় আইনের শাসন সুদৃঢ় করা, ন্যায়বিচারে জনগণের প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা জোরদার এবং ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।তিনি বাংলাদেশের চলমান বিচারিক সংস্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন এবং শক্তিশালী জাতীয় পদক্ষেপ ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিদ্যমান ও উদীয়মান আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আবুধাবি ঘোষণার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ফৌজদারি কার্যবিধি সংস্কারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। এর মাধ্যমে সংক্ষিপ্ত বিচারপ্রক্রিয়ার কার্যকর ব্যবহার আরও জোরদার ও সম্প্রসারণ, মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট কমানো এবং সময়োপযোগী ও ন্যায়সংগত বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।ভিয়েনাভিত্তিক জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক দপ্তর (UNODC) পাঁচ বছর অন্তর অনুষ্ঠিত এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক কংগ্রেসটির আয়োজক।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম ছাড়াও আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তারা রয়েছেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস