খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সরকারি রাস্তার গাছ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

তৌফিকুজ্জামান লিটু, সাতক্ষীরা
প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:০৯ অপরাহ্ণ
সরকারি রাস্তার গাছ এবং  প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ

ক্ষমতার অপব্যবহার করে গোপনে গ্রামীণ রাস্তার পাশের গাছ ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া গেছে সাতক্ষীরা সদরের কুশখালী ইউনিয়নের বাউকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এ্যাডহক কমিটির দাতা সদস্য বাউকোলা গ্রামের রমজান সরদারের ছেলে আব্দুল আলীম (কাঠ মিস্ত্রী) ও প্রধান শিক্ষক মফিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে আব্দুল আলীম কুশখালী ইউনিয়নের বাউকোলা গ্রামের পশ্চিম মাঠের রাস্তার ৯ টি গাছ কেটে নিয়ে ফার্নিচার তৈরি করে বিক্রি করেছেন এছাড়া বাউকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিরিশ গাছের বড় বড় ডাল কেটে নিয়েছেন অথচ প্রশাসনের কোন ভূমিকা চোখে পড়ছেনা। অভিযোগ পেয়ে এ বিষয়ে সরেজমিনে তদারকিতে যান কুশখালী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নায়েব মহাসিন তিনি বলেন আমি উপরের নির্দেশনা মোতাবেক তদন্ত করে সদর এ্যাসিল্যান্ড স্যারের কাছে রিপোর্ট জমা দিয়েছি। এবিষয়ে অভিযুক্ত কাঠ মিস্ত্রী আব্দুল আলিম বলেন রাস্তার পাশের মরাগাছ অনেকেই কেটে নিয়ে যাচ্ছে কিন্তু আমি এবিষয়ে কিছু জানিনা। তবে বৈকারী ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান শহিদ সাহেব আমাকে ডেকে বিষয়টি মিটিয়ে দিয়েছেন।

 

বাউকোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিরিশ গাছ কেন কাটা হয়েছে প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক মফিজুল ইসলাম বলেন এটিতো মিটে গেছে। কারা মিটিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন যারা অভিযোগ দিছিলো এবং এলাকাবাসী মিলে মিটিয়ে ফেলেছে। এই গাছ কাটার মূল মাস্টার মাইন্ড কে ছিল প্রশ্নে প্রধান শিক্ষক মফিজুল ইসলাম বলেন স্কুল বন্ধ থাকাকালিন স্কুলের এ্যাডহক কমিটির দাতা সদস্য আব্দুল আলিম গাছ কেটে নিয়ে একটি রাস্তা সংস্কার করেছেন এতে অসুবিধা কোথায় এটাতো উন্নয়নমূলক কাজ। এই গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে অবগত এবং রেজুলেশন করেছেন কিনা জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক বলেন উপর মহলের কাউকেই জানানো হয়নি। তবে তিনি বলেন ১১ থেকে ১৩ ডিসেম্বর স্কুল বন্ধ থাকাকালিন আব্দুল আলিম সাহেবের নেতৃত্বে এলাকাবাসী এই গাছ কাটার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে।

 

স্কুল পরিচালনাতো আপনার দায়িত্ব সেক্ষেত্রে গাছ কাটা হোক বা স্কুলের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড করতে হলে রেজুলেশনের উল্লেখ করে কমিটির সীদ্ধান্তে করতে হয় প্রশ্নে তিনি বলেন আসলে আব্দুল আলিমসহ কয়েকজন মৌখিকভাবে আমার সাথে আলোচনা করেছিল গাছ কাটার বিষয়ে কিন্তু গাছ কাটার সময় আমি ছিলাম না। আপনি কি এখন স্কুলে আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি শিশু জরিপের কাজে বাইরে আছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতেছ সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সুদৃস্টি কামনা করেছেন এলাকাবাসী। এবিষয়ে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদ বলেন আমি অভিযোগ পেয়ে তদন্তে পাঠিয়েছি তদন্ত রিপোর্ট আসলেই ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।