খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গোয়াইনঘাটে বিজিবির মতবিনিময় সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

গোয়াইনঘাট প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৯ জানুয়ারি, ২০২৫, ৯:৪৭ অপরাহ্ণ
গোয়াইনঘাটে বিজিবির মতবিনিময় সভা ও ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প

সীমান্তের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও সব ধরনের চোরাচালানসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে সীমান্ত জনপদের মানুষজনের অংশগ্রহণে জনসচেতনতা মূলক মতবিনিময় সভা এবং সীমান্তবর্তী জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবায় মেডিকেল ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা হয়েছে।

বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় গোয়াইনঘাট উপজেলার প্রতাপপুর বিওপির পাশে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) আয়োজনে জনসচেতনতামূলক সভা এবং মেডিকেল ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ফারুক হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান।

এ সময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রতন কুমার অধিকারী, গোয়াইনঘাট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ হাসান রিপন, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মামুন পারভেজ, গোয়াইনঘাট প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. করিম মাহমুদ লিমন, মধ্য জাফলং ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ডা. নূর মোহাম্মদ, নকশিয়া পুঞ্জির হেডম্যান ওয়েলকাম লম্বা, মাওলানা কামাল উদ্দিন।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান কামাল আহমেদ, মধ্য জাফলং ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি কামরুল হাসান প্রমুখ।

মতবিনিময় সভায় বিজিবির পক্ষ থেকে সীমান্তে সুরক্ষা ও মানুষের জানমাল রক্ষায় জনসচেতনতামূলক বক্তব্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

মতবিনিময় সভায় (৪৮ বিজিবি) সিলেটের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাফিজ রহমান সীমান্ত জনপদের মানুষজনের উদ্দেশ্যে বলেন, এই দেশ সবার। দেশের মানুষের কল্যাণে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। বিজিবির পাশাপাশি সাধারণ জনগণ সজাগ থাকলে সীমান্তে অনুপ্রবেশ অনেকাংশে কমে যাবে। এ ছাড়াও অবৈধভাবে প্রতিনিয়ত ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করানো হচ্ছে, এটি প্রতিরোধে বিজিবিকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্থে বিজিবি নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সকলকে আইন মেনে চলার, সৎ জীবনযাপন করার এবং দেশের স্বার্থে বিজিবি, প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাকে সহায়তা করার অনুরোধ জানান। সকলে একত্রে সৎভাবে কাজ করলে দেশের উন্নতি অবশ্যম্ভাবী বলে তিনি আশাব্যাক্ত করেন।

এ সময় উপস্থিত অতিথিবৃন্দ শ্রমিকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিতে পূর্বের মতো পাথর কোয়ারী খুলে দেওয়ার বিষয়টি বিজিবির মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিতে নেওয়ার আহ্বান জানান।

তারা বলেন, পাথর কোয়ারী বন্ধ থাকায় সীমান্তে চোরাচালান বেড়ে গেছে। এ উপজেলার সিংহভাগ শ্রমিক পাথর উত্তোলনের কাজে জড়িত। এখন পাথর উত্তোলনের অনুমতি না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে চলে যাচ্ছে। যার ফলে প্রাণহানিসহ ভারতে আটকের ঘটনা ঘটছে। তাই দ্রুত পাথর কোয়ারি খুলে দিলে চোরাচালানসহ অপরাধমুলক কর্মকাণ্ড অনেকটাই কমে যাবে।

সভা শেষে বিজিবি’র উদ্যোগে ফ্রি মেডিক্যাল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সীমান্তবর্তী এলাকা এবং প্রান্তিক এলাকা থেকে আগত নারী-পুরুষ ও শিশুরা বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ গ্রহণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।