খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গৃহহীন মিজানুরকে বসবাসের জন্য ঘর উপহার দিল উপজেলা প্রশাসন

তুহিনুর রহমান, জলঢাকা প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫, ৭:৩৪ অপরাহ্ণ
গৃহহীন মিজানুরকে বসবাসের জন্য ঘর উপহার দিল উপজেলা প্রশাসন

oplus_0

নীলফামারীর জলঢাকায় জীবনযুদ্ধে পরাজিত এক অসহায় শারীরিক ও মানষিকভাবে অসুস্থ মিজানুর রহমান (৪২) কে মাথাগোঁজার ঠাই করে দিয়ে তার চিকিৎসা সহায়তার হাত বাড়িয়ে পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। মিজানুর রহমানের বাড়ি তিস্তার তীরবর্তী গোলমুন্ডা ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড বানিয়া পাড়া গ্রামে। সে ওই এলাকার মৃত জহির উদ্দিন ও তাহেরা বেওয়ার ছেলে। মিজানুর রহমান  সে ভারী কাজ করতে পারেন না। তিনটি  বিয়ে করেছিল সংসার করার জন্য। সে সহজ সরল ও শারিরীক দুর্বলতার কারনে  সবাই তাকে ছেড়ে চলে গেছেন । বসবাসের   ঘরটি অনুপযোগী  জরাজীর্ণ। বেড়া গুলো ভেঙ্গে গেছে। ঘরের টিন হলেও যেন দিনে সুর্য আর রাতে চাঁদের উঁকি বুঝা যায় খুব সহজে।অতিরিক্ত ছেঁড়া  পলিথিন দিয়ে বৃথা চেষ্টা যেন তার অসহায়ত্বকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে । শীতে কুয়াশা এবং হার কাঁপানো বাতাস ঘরের ফাঁক দিয়ে  ভিতরে প্রবেশ করে খুব সহজে।  সে  রোগে শোকে এখন ক্নোনআলসার সহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত মিজানুর শারীরিক ও  মানষিকভাব খুবেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় এখন আর কোন কাজকর্ম করতে পারে না।
বিধবা বৃদ্ধা মা’কে নিয়ে অভাব-অনটনের মধ্যদিয়ে চলে তার মা ছেলের সংসার। বর্তমানে পরিবারের ভারবহন করা খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে । সম্প্রতি সন্ধানী ফাউন্ডেশন ও ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান এ বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করলে তাৎক্ষণিকভাবে সরেজমিনে পরিদর্শনে যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন ও সমাজসেবা কর্মকর্তা কামরুজ্জামান। পরে জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদ হতে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পূর্নবাসন  অর্থ দিয়ে তাকে ঘর নির্মাণ সহ আসবাবপত্র কিনে দেন উপজেলা প্রশাসন। শুধু তাই নয়, মিজানুর ও তার মায়ের চিকিৎসা সহায়তার সকল দায়িত্ব নিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
এ সবকিছু পেয়ে মিজানুর রহমানের পরিবারে খুশির শেষ নেই। মিজানুরের বৃদ্ধা মা তাহেরা বেওয়া জানায়,‘আগে প্লাস্টিক দিয়া ঘর বানে আছিনো’। ’এটা নতুন ঘর স্যার বানে দিছে, মুই দোয়া করিম আল্লাহ ওমার ভাল করুক’। এবিষয়ে ইউএনও জায়িদ ইমরুল মোজাক্কিন এ প্রতিবেদককে  জানায় , একটি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন  ’সন্ধানী’ সংস্থার মাধ্যমে পরিবারটির অসহায়ত্বের  খবর পেয়েছি।  সরেজমিনে দেখে আমরা তার জন্য দ্রুত সময়ে যেটা না করলে নয়, সেটা করছি। শুধু সরকারেই নয়,  ব্যক্তি উদ্যেগে বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষকে একে অপরের পাশে দাঁড়াতে হবে।
গোলমুন্ডা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বলেন, ইউএনও স্যার এই অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন এটার জন্য আমরা তার প্রতি ও উপজেলা প্রশাসনের প্রতি  কৃতজ্ঞ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।