সাবেক খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের ভাতিজি রীনা মজুমদার দুর্নীতির শীর্ষে
বাংলাদেশ মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর থেকে পরিচালিত কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপন প্রকল্প। দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলাগুলোতে পরিচালিত হয়ে আসছে, ২০১৮ সন হতে। যেখানে ৪ লাখ ৫০ হাজার, কিশোর কিশোরীদের সাংস্কৃতিক চর্চা, বাল্যবিবাহ, আবৃতি, গান, কেরাডো শেখানোর জন্য একটি প্রকল্প অনুমোদন করে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর। যাদের মূল ধারায় ছিল কিশোর, কিশোরীদের সামাজিক, মানসিক বিকাশ ঘটানোই লক্ষ্য উদ্দেশ্য। প্রকল্পে দেশের ইউনিয়ন ও পৌরসভায় ৪ হাজার ৮শত ৮৩টি কিশোর ,কিশোরী ক্লাব স্থাপন করা হয়। উক্ত প্রকল্পের ব্যায় ধরা হয় সাড়ে ৫০০ কোটি টাকা। যে প্রকল্পে, প্রতি টি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিট। প্রতি ইউনিটে ৩০ জন করে কিশোর কিশোরী কে , সামাজিক বিকাশ ঘটাতে, কিশোর /কিশোরী কে গান শিখানো, ও বাল্যবিবাহ বন্ধের ব্যাপারে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়নে কিশোর কিশোরীদের গান শেখানোর জন্য বিভিন্ন বাধ্য যন্ত্রাংশ এবং বই-পুস্তক, সহ শিক্ষক নিয়োগ করা হয়। জেন্ডার প্রোমোটার ফিল্ড সুপারভাইজার রয়েছে উক্ত কিশোর কিশোরি ক্লাবের। বিশেষভাবে খুলনা জেলার বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপনে রয়েছে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য। উল্লেখ্য ২০২৪ শের নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২৫শের জানুয়ারিতে কিশোর, কিশোরী ক্লাবে কোন নাস্তা না দেওয়া দুর্নীতির একটি বিশেষ দিক। যেখানে ফুলতলা উপজেলায় কিশোর কিশোরী ক্লাবে প্রতিটি ইউনিটে জন প্রতি ৩০ জন কিশোর কিশোরীকে ৩০ টাকা হারে নাস্তা, দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে নামমাত্র ১০ টাকা করে নাস্তা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষ করে ২০২৪ এর নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং ২০২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত কোন কিশোর কিশোরী ক্লাবে নাস্তা দেওয়া হয় নাই।যা ছিল ফুলতলা উপজেলার মহিলা কর্মকর্তা, রিনা মজুমদারের কারসাজি। এবং কিশোর কিশোরী ক্লাবের বাচ্চাদের, কে বলা হয়েছে তোমাদেরকে নাস্তা দেওয়া হচ্ছে না, এই কারণে যে আমরা বিশেষ একটি পিকনিকের ব্যবস্থা করব, কিন্তু পিকনিকের নামে টাকা খরচ করা হয়েছে মাত্র ১৫ হাজার, বাকি টাকা রিনা মজুমদার নিজের পকেটেই রেখে দিয়েছে। এমনও জানা যায় রীনা মজুমদার কে, কমলা দেবী নামে ডাকা হয়, দুর্নীতির চরম শিখরে যাওয়ার জন্য, যেহেতু সে একটি করে কমলা দিয়েছিল রোকেয়া পদকে। ক্লাব বাস্তবায়নের আওতায় খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলায় কিশোর, কিশোরী ক্লাব স্থাপনে দুর্নীতির তথ্য মিলেছে সাধন মজুমদারের ভাতিজী রীনা মজুমদারের বিরুদ্ধে।এমন সূত্র দিয়েছে নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে যে সকল দুর্নীতির ডকুমেন্টারি নথি জব্দ করা হয়েছে ।
জানা গেছে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের অবৈধ খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদারের ভাতিজি রীনা মজুমদার ফুলতলা, উপজেলায় ৬ জুন ২০২৪ শে মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা হিসাবে যোগদান করার পর থেকে কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপনে পুকুর চুরির অভিযোগ তুলেছেন সচেতন নাগরিক মহল থেকে। রীনা মজুমদার বিগত সময়ে অবৈধ খাদ্য মন্ত্রী, সাধন চন্দ্র মজুমদারের নাম ভাঙ্গিয়ে করেছে অনিয়ম আর দুর্নীতি। জানা গেছে ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও জয়িতা সম্মাননানা প্রদান, উপলক্ষে একটি বিশেষ আয়োজন করা হয় । যে আয়োজনে রীনা মজুমদার কৌশল করে রোকেয়া দিবসে আয়োজিত জয়িতা ও আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ, অনুষ্ঠানে নামমাত্র কিছু টাকা খরচা দেখিয়ে বাজেটের ত্রিশ হাজারের মধ্যে বাকী টাকা নিজের পকেটে হস্তগত করে। একই সাথে কিশোর কিশোরী ক্লাব স্থাপনে থেকে গেছে নানা অনিয়ম প্রতি মাসে নির্দিষ্ট বাজেটের অংক থেকে কিশোর কিশোরী ক্লাবে ব্যয় না করে সাধারণ জনগণের টাকা আত্মসাৎ করেছে রীনা মজুমদার। এ বিষয় নিয়ে সাংবাদিকরা রীনা মজুমদারের কাছে যান এবং তার কাছে এ সকল বিষয় জানতে চাইলে রিনা মজুমদার বিশেষ সাফাই গায়। বলেন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে আমি এ ব্যাপারে নির্দোষ।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায় রীনা মজুমদার বাকশাল শেখ হাসিনার আমলে তার চাচা সাধন চন্দ্র মজুমদার, অবৈধ খাদ্য মন্ত্রীর, নাম ভাঙ্গিয়ে চালিয়েছে অরাজকতা করেছে লুটপাট ও দুর্নীতি। মহিলা বিষয়ক উপজেলা ভিত্তিক কর্মকর্তা হওয়ার ফলে রীনা মজুমদার কাউকে পাত্তা দিত না। উপজেলার নির্বাহী অফিসার কে, তার টেবিলে হাজিরা দিতে হতো এমন তথ্য দিয়েছে সংশ্লিষ্ট জনেরা। রীনা মজুমদার অবৈধ খাদ্যমন্ত্রী সাধন মজুমদারের ভাতিজী হওয়াতে নিজেকে বিশেষ ব্যক্তি বা ক্ষমতাবান নারীদের মধ্যে একজন মনে করতো। রীনা মজুমদারের ব্যাপারে বেশ পূর্বে পত্র-পত্রিকায় অনলাইন পোর্টালগুলোতে দুর্নীতি আর অফিসিয়াল কর্মচারীদের সাথে দুর্ব্যবহার করা কে কেন্দ্র করে নিউজ প্রকাশ হয়েছিল তখন রীনা মজুমদার সকল কিছুকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে নিজের অবস্থানকে অটল করেছিল যেহেতু সে সাধন মজুমদারের ভাতিজি বলে কথা- এভাবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শাসনামলে আমলা তন্ত্রের মধ্যেই অনেকের বিরুদ্ধে সীমাহীন অনিয়ম করার অভিযোগ রয়েছে যাদের মধ্যে রিনা মজুমদার এক জন। বিভিন্ন প্রকল্পের নামে বেনামে, টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ রয়েছে রিনা মজুমদারের বিরুদ্ধে। রিনা মজুমদারের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি খোঁজখবর নিলে জানা যাবে রেনা মজুমদার কতটা দুর্নীতিবাজ একজন কর্মকর্তা।
মা ও শিশুদের মাতৃকালীন ভাতাতেও রয়েছে যথেষ্ট অনিয়ম প্রকৃত অর্থে দুস্থ নারীদের কে এই ভাতার আওতায় না এনে দিচ্ছেন ধনাঢ্য ব্যক্তিদের। যার অকাট্য প্রমাণ দামোদর ৮ নং ওয়াডের ইদ্রিস সেখের স্ত্রী হাসনা হেনা। যার রয়েছে কোটি টাকার বাড়ি অর্থ সম্পদ যে পেতে যাচ্ছে, মা ও শিশু মাতৃকালীন ভাতা। কিন্তু মাতৃকালীন ভাতা দেওয়ার কথা ছিল অসহায় দুস্থ নারীদের কে। যেটা রিনা মজুমদার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর কে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে যাচ্ছে একই সাথে তার হাতে দুর্নীতির চাকা ঘুরছে তো ঘুরছে।



আপনার মতামত লিখুন