খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শায়েস্তাগঞ্জে পৌর শহরে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের অভাবে পণ্য পাচ্ছে  ১০৫০ সুবিধাভোগী

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ৯ মার্চ, ২০২৫, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
শায়েস্তাগঞ্জে পৌর শহরে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডের অভাবে পণ্য পাচ্ছে  ১০৫০ সুবিধাভোগী

স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড না থাকায় টিসিবি পণ্য থেকে বনচিত হচ্ছেন হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে ৯টি ওয়ার্ডে ১০৫০ জন সুবিধাভোগী। এর মধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ৯টি ওয়ার্ডে সর্ব মোট ২ হাজার ১৫৭ জনের মধ্যে টিসিবি স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা হয় ১ হাজার ১০৭ জন। বাকি ৯টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৫০ জন সুবিধাভোগী বনচিত রয়েছেন। এর মধ্যে ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ডে কোনো টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড আসেনি। প্রায় দুই মাস পার হলেও স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড না দেওয়ায় দুর্ভোগ পড়েছেন পুরনো কার্ড ধারীরা। এতে করে পবিত্র রমজান মাসে ও পাচ্ছেন না স্বল্প মূল্যের টিসিবি পণ্য। এতে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীরা। তবে পৌর সভা সহকারী মোঃ আতাউর রহমান বলেন, টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড যাচাই-বাছাইতে বেশি দেরি হলে এনআইডি কার্ডে পাবে টিসিবি পণ্য। চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে পুরনো কার্ড গুলো নবায়ন করে স্মার্ট কার্ডে পরিবর্তন করার জন্য পৌরসভাতে জমা নেওয়া হয়। ২ হাজার ১৫৭ জনের টিসিবি ফ্যামিলি কার্ডের মধ্যে ১ হাজার ১০৭ জনের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করেছে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভা। কিন্তু বাকি রয়েছে ১ হাজার ৫০টি পরিবার বনচিত রয়েছে এখনো । দুই মাস পার হলেও যাচাই বাছাই শেষ না হওয়ায় স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড হাতে পাননি সুবিধাভোগীরা। পৌরসভার ৯ টি অসংখ্য ভুক্তভোগীরা বলেন, পুরনো টিসিবি কার্ড নিয়ে স্বল্প মূল্যের তেল, ডাল, চিনি, ছানা, চাল সহ পণ্য কিনতে এসেছিল । ভুক্তভোগীরা জানতে পারে পুরনো কার্ডেই টিসিবি পণ্য দেওয়া হবে । কিন্তু টিসিবি পণ্য বিক্রয় কেন্দ্রে এসে দেখে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড ছাড়া টিসিবি পণ্য দিচ্ছে না। পুরনো টিসিবি কার্ডধারীরা পৌরসভায় গিয়ে সকলে টিসিবি কার্ডের ফটোকপি, এনআইডি ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি ও মোবাইল নম্বর জমা দিয়েছে। পৌরসভা থেকে এখনো স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড না দেওয়ায় দুই মাস ধরে ১ হাজার ৫০ জন পরিবার টিসিবি পণ্য কিনতে পারছে না। ভুক্তভোগীরা আরো বলেন, চলতি পবিত্র রমজান মাসে ও টিসিবি পণ্য কিনতে পারলাম না। তবে পুরনো টিসিবি কার্ডে শান্তি পূর্ণ ভাবে টিসিবি পণ্য ক্রয় করতে পারছি । হাজার ভুক্তভোগীরা প্রতিদিন পৌরসভা কর্মকতা-কর্মচারীদের কাছে টিসিবি স্মার্ট কার্ড খুঁজ খবর নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীরা স্মার্ট কার্ড না আসায় দুর্চিন্তা রয়েছেন। অথচ রমজান মাসে যদি পুরনো টিসিবি ফ্যামিলি কার্ডে পণ্য দেওয়া হত, তাহলে সুবিধাভোগীদের ভালো হতো। এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভা সহকারী মোঃ আতাউর রহমান বলেন , সারা দেশে টিসিবি স্মার্ট কার্ড নিয়ে কাজ চলছে
তাই উপজেলা পর্যায়ে টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড আসতে দেরি হচ্ছে। এই টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড গুলো ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) নিয়ন্ত্রণ করে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) সিলেট বিভাগীয় আনচলিক কার্যালয় মৌলভীবাজার জেলার শেরপুর বাজার (এলএসডি খাদ্য গুদাম) এলাকায় সহকারী পরিচালক মোঃ সোহেল রানা বলেন, যতগুলো টিসিবি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড হয়েছে, ততোগুলো বরাদ্দ আমরা পেয়েছি। পরবর্তী সময়ে আবার বাকি স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ড গুলো উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন করে আপলোড দিতে বলা হয়েছিল। এছাড়া পবিত্র রমজান মাসে জেলা সদর থেকে উপজেলায় হাট বাজারে ট্রাক সেল কার্যক্রম পরিচালনা করা শুরু হয়েছে। সেখান থেকে টিসিবি কার্ড ছাড়াই জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়ে যেকেউ টিসিবি পণ্য ক্রয় করতে পারবেন। পরবর্তী সময়ে এ ব্যবস্থা উপজেলা পর্যায়ে চালু হলে সবাইকে তা জানিয়ে দেওয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।