খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অবহেলার অভিযোগ

টিসিবির নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় বিপাকে শায়েস্তাগঞ্জে সহস্রাধিক সুবিধাভোগী

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৫, ২:৩০ অপরাহ্ণ
টিসিবির নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় বিপাকে শায়েস্তাগঞ্জে সহস্রাধিক সুবিধাভোগী

পৌর কর্তৃপক্ষ অবহেলা কারণে এখন পর্যন্ত হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌর সভায় ১ হাজার ৫০ জন টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় সুবিধাভোগীরা পণ্য ক্রয় করতে পারছেন না চার মাস ধরে। জানা যায় , উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে টিসিবি ফ্যামেলী স্মার্ট কার্ড পেলেও শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভা কর্তৃপক্ষ অবহেলা কারণে এখন পর্যন্ত পৌর সভায় ৯টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৫০ জনের টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড সুবিধাভোগীদের হাতে পৌঁছেনি। সুবিধাভোগীরা টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় ডিলারের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে না। পৌর কর্তৃপক্ষ নজরদারি নেই। সূত্রে জানা যায়, শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় ৯টি ওয়ার্ডে টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ডধারী ২ হাজার ১৫৭ জনের মধ্যে টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড সরবরাহ করা হয় ১ হাজার ৫০ জন কে দেওয়া হয়। বাকি ৯ টি ওয়ার্ডে ১ হাজার ৫০ জনের এখন পর্যন্ত টিসিবি ফ্যামেলী স্মার্ট কার্ডধারীদের হাতে পৌঁছেনি। প্রতিদিন টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড না পাওয়ায় পৌরসভায় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে যোগাযোগ করা হলেও তারা আশ্বাস দিয়ে যাচ্ছে কিন্তু সময় লাগবে ধীরে ধীরে আসবে টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড। যখন আসবে ফোন দিয়ে জানানো হবে।

এর মধ্যে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডে কোনো টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড পায়নি এবং ৯টি ওয়ার্ডে প্রায় অর্ধেক টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড সুবিধাভোগীরা পায়নি প্রায় চার মাস ধরে। এদিকে পৌর সভা সহকারী ও ৪নং ওয়ার্ডের দায়িত্ব প্রাপ্ত মোঃ আতাউর রহমান বলেন টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ড যাচাই-বাছাই করে আমরা পাঠিয়েছি। টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ডধারীরা পৌর সভায় টিসিবি পুরাতন কার্ড, এনআইডি ফটোকপি ও মোবাইল নম্বর জমা দিয়ে আসছে। কোনো লোকের টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড পেয়ে টিসিবি পণ্য ক্রয় করে নিচ্ছে। পৌর সভা সহকারী মোঃ আতাউর রহমান আরো বলেন, আমার ৪নং ওয়ার্ড সহ পৌর অনেক ওয়ার্ডে নতুন টিসিবি স্মার্ট কার্ড পাওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি। সারাদেশে টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড প্রসেসিং কাজ চলছে কিন্তু ধাপে ধাপে আসবে। এই টিসিবি ফ্যামেলী পুরাতন কার্ডের পরিবর্তে নতুন স্মার্ট কার্ড গুলো ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এছাড়া পৌরসভায় ১ হাজার ৫০ জনের টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড সুবিধাভোগীরা না পাওয়ায় ডিলারদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে পণ্য ক্রয় করতে পারছে বলে জাতীয়, স্হানীয় সহ বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টাল বেশ কয়েকবার প্রকাশ হয়েছে। ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) সিলেট বিভাগীয় কার্যালয় মৌলভীবাজার শেরপুর বাজার (এলএসডি খাদ্য গুদাম) এলাকায় সহকারী পরিচালক মোঃ সোহেল রানা বলেন যতগুলো টিসিবি ফ্যামেলী নতুন স্মার্ট কার্ড তৈরি হয়েছে ততোগুলো বরাদ্দ আমরা পেয়েছি। অনেক সময় পৌর সভা বা ইউনিয়নের টিসিবি ফ্যামেলী কার্ড ভুলক্রটি আছে কিন্তু সমস্যা হয়েছে। যাক এ গুলো আবারো সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে  পরবর্তী সময়ে আবার বাকি টিসিবি নতুন স্মার্ট কার্ড পৌর সভা বা ইউনিয়ন থেকে আপলোড দিতে বলা হয়েছিল। আবার কেউ কেউ সরকারি আইডি থেকে না পাঠিয়ে ব্যক্তিগত আইডি থেকে আপলোড করে পাঠানো কারণে অনেক সমস্যা দেখা দেওয়ায় দেরি হচ্ছে।

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।