খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জামালপুরে দলীয় কোন্দল তৈরী করছেন শহর বিএনপির নেতা রুকন

ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:২৮ অপরাহ্ণ
জামালপুরে দলীয় কোন্দল তৈরী করছেন শহর বিএনপির নেতা রুকন

জামালপুর পৌর বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড শাখায় গ্রুপিং তৈরি করে আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় শহর বিএনপির সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. রুকন উদ্দিন। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সরকারি চাকুরিতে অধিনস্ত হয়েও ৫ আগস্টের পর বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বালু ঘাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

মো. রুকন উদ্দিন। জামালপুর পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পেশায় একজন শিক্ষক। পিতা আবুল কাশেম একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সদস্য। তবে শিক্ষকতার আড়ালে রাজনীতি এবং একইসাথে নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে সরব হয়ে উঠেছেন রুকন উদ্দিন। পিতার রাজনৈতিক পরিচয়ে বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের প্রত্যয়ণে প্রথমে চাকুরি নিয়েছিলেন সিংহজানী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরপর সে চাকুরী ছেড়ে একই প্রক্রিয়ায় চাকুরী নেন অন্য একটি মাদরাসায়। এরমধ্যেই ২০২২ সালের দিকে শহর বিএনপির সম্মেলনে বাগিয়ে নেন সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের পদটি।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকাকালীন বাবার পরিচয়ে আর বর্তমানে নিজের পরিচয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারেই  রুকন উদ্দিনের সবচেয়ে বড় ধান্দা। সম্প্রতী জামালপুর পৌর এলাকার ছনকান্দায় বালুর ঘাটে ইজারা নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। চাঁদাবাজি পক্ষ বিপক্ষ দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। এখানেও চাঁদাবাজির পক্ষে পর্দার পিছন থেকে আলোছায়ার খেলা খেলছেন রুকন উদ্দিন বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের। তারা অভিযোগ করে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ১২ থেকে ১৩ টি বালিঘাট থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতাদের যোগসাজশে ইজারার নামে চাঁদাবাজি চলছে। এর কারণে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রুকন মাস্টার নিরবে দিনের পর দিন নানা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন চাঁদার টাকাও নিচ্ছেন। জামালপুরে বালুঘাটে ইজারার নামে চাদাঁ বন্ধ এবং আত্মসাতের উদ্দেশ্যে উত্তোলিত ৩৫ লাখ টাকা ফেরত চান স্থানীয় এলাকাবাসী ।

তবে বিএনপি নেতা রুকন উদ্দিন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি একজন সাধারণ শিক্ষক। এসব ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন। যে বা যারা এসব অভিযোগ করেছে সবই মিথ্যা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।