জামালপুরে দলীয় কোন্দল তৈরী করছেন শহর বিএনপির নেতা রুকন
জামালপুর পৌর বিএনপি ৯ নং ওয়ার্ড শাখায় গ্রুপিং তৈরি করে আধিপত্য বিস্তারে সক্রিয় শহর বিএনপির সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক মো. রুকন উদ্দিন। ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে সরকারি চাকুরিতে অধিনস্ত হয়েও ৫ আগস্টের পর বিএনপির নাম ভাঙ্গিয়ে বালু ঘাটে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
মো. রুকন উদ্দিন। জামালপুর পৌর এলাকার ৯ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। পেশায় একজন শিক্ষক। পিতা আবুল কাশেম একই ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের সদস্য। তবে শিক্ষকতার আড়ালে রাজনীতি এবং একইসাথে নিজ এলাকায় আধিপত্য বিস্তারে সরব হয়ে উঠেছেন রুকন উদ্দিন। পিতার রাজনৈতিক পরিচয়ে বিগত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের প্রত্যয়ণে প্রথমে চাকুরি নিয়েছিলেন সিংহজানী বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে। এরপর সে চাকুরী ছেড়ে একই প্রক্রিয়ায় চাকুরী নেন অন্য একটি মাদরাসায়। এরমধ্যেই ২০২২ সালের দিকে শহর বিএনপির সম্মেলনে বাগিয়ে নেন সহ শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদকের পদটি।
আওয়ামী লীগ ক্ষমতা থাকাকালীন বাবার পরিচয়ে আর বর্তমানে নিজের পরিচয়ে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারেই রুকন উদ্দিনের সবচেয়ে বড় ধান্দা। সম্প্রতী জামালপুর পৌর এলাকার ছনকান্দায় বালুর ঘাটে ইজারা নিয়ে চাঁদাবাজির ঘটনা বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। চাঁদাবাজি পক্ষ বিপক্ষ দুটি গ্রুপ সৃষ্টি হয়েছে। এখানেও চাঁদাবাজির পক্ষে পর্দার পিছন থেকে আলোছায়ার খেলা খেলছেন রুকন উদ্দিন বলে অভিযোগ স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের। তারা অভিযোগ করে বলেন, পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ১২ থেকে ১৩ টি বালিঘাট থেকে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন নেতা এবং ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ নেতাদের যোগসাজশে ইজারার নামে চাঁদাবাজি চলছে। এর কারণে সরকার কোটি কোটি টাকা রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। রুকন মাস্টার নিরবে দিনের পর দিন নানা চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছেন চাঁদার টাকাও নিচ্ছেন। জামালপুরে বালুঘাটে ইজারার নামে চাদাঁ বন্ধ এবং আত্মসাতের উদ্দেশ্যে উত্তোলিত ৩৫ লাখ টাকা ফেরত চান স্থানীয় এলাকাবাসী ।
তবে বিএনপি নেতা রুকন উদ্দিন তার বিরুদ্ধে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি একজন সাধারণ শিক্ষক। এসব ঘটনার সাথে তিনি জড়িত নন। যে বা যারা এসব অভিযোগ করেছে সবই মিথ্যা।



আপনার মতামত লিখুন