খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মহেশখালীবাসীর স্বপ্নপূরণ

জনপ্রতি মাত্র ৩৫ টাকায় যেতে পারবেন কক্সবাজার

ইশফাক উদ্দিন রিয়াদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৫, ৯:৪১ অপরাহ্ণ
জনপ্রতি মাত্র ৩৫ টাকায় যেতে পারবেন কক্সবাজার

কক্সবাজার-মহেশখালী নৌ রুটে সী-ট্রাক সার্ভিসের উদ্বোধন করা হয়েছে। ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে মহেশখালী থেকে কক্সবাজার ৬ নং ঘাটে ৩৫ টাকা এবং নুনিয়ারছড়া ঘাটে ৩০ টাকা। যাতায়াত করতে পারবেন ২৫০ জন যাত্রী। ফলে এই রুটের দীর্ঘদিন দিনের ভোগান্তি কমবে বলে জানিয়েছেন যাত্রীরা।

বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) সকাল এগারোটার দিকে নুনিয়ারছড়ার বিআইডব্লিউটিএর ঘাট থেকে সী-ট্রাক সার্ভিসের উদ্বোধন করেন নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শাখাওয়াত হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন মহেশখালীর সন্তান দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও চিন্তাবিদ অধ্যাপক ড. সলিমুল্লাহ খান।

উদ্ভোধনের পর নৌপরিবহন উপদেষ্টা সী-ট্রাকে চড়ে মহেশখালীতে যান এবং মহেশখালীবাসীর উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের যদি উন্নয়ন না হয় তাহলে ঢাকায় আমাদের মেট্রোরেলে চড়ে কোন লাভ নেই। আমরা উন্নয়ন করতে চাই কিন্তু ব্যক্তিগত স্বার্থের কারণে যে মামলা দায়ের করা হয় সেকারণে উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্ত হয়।’

ড. সলিমুল্লাহ খান বলেন, ‘মহেশখালীতে অনেক উন্নয়ন হয়েছে, রাস্তাঘাটের উন্নয়ন হয়েছে, মাতারবাড়িতে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প হচ্ছে। কিন্তু কক্সবাজার-মহেশখালী নৌরুটে গেলো ২০ বছরে কোন উন্নয়ন হয়নি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক পরিবর্তনের ফলে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে মহেশখলীবাসীর জন্য। একটা নিরাপদ নৌযান সি-ট্রাক ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখানে আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সুত্রপাত হয়েছে কিন্তু সকল সমস্যার সমাধান হয়নি।’

“মহেশখালী ঘাটের টোল ১৯৯১ সালে তৎকালীন সচিব মোকাম্মেল হক সাহেব তুলে দিয়েছিলেন। সে বলেছিলেন দুর্যোগপূর্ণ এলাকার দরিদ্র মানুষ তাদের টেল নেওয়ার প্রয়োজন নেই। যেটা বহুদিন ছিলো না। কিন্তু এখন নানারকম ছলে এবং প্রয়োজনে একবার বলছে পৌরসভার জন্য, একবার বলছে জেলা পরিষদের জন্য নানাভাবে টোল তোলা হচ্ছে। আমরা মনে করি আপনারা সকলে দাবি তুললে সরকারের প্রতি এটা বাতিল হতে পারে।” বলেন সলিমুল্লাহ খান।

সী-ট্রাক সেবা চালু হওয়াতে দ্বীপবাসীর মধ্যে স্বস্তি ও আনন্দের জোয়ার বইছে। স্থানীয়রা জানান, এতবছর বর্ষা মৌসুমে উত্তাল সাগর পাড়ি দিয়ে কাঠের নৌকা, লোহার গামবোট ও স্পীডবোটে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রা করতে হতো। এতে তাদের নানান ভোগান্তির শিকার হতে হতো।তবে এই সী-ট্রাক সেবা চালু হওয়ায় তাদের সেই ভোগান্তি অনেকাংশে লাঘব হবে বলে আশাব্যক্ত করেন।

বিআইডব্লিউটিএ’র কক্সবাজার নদীবন্দর (কস্তুরাঘাট) শাখার সহকারী পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান জানান, আপাতত প্রতিদিন তিনবার করে সী-ট্রাক চলাচল করবে। যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী ভবিষ্যতে ট্রিপ সংখ্যা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সি-ট্রাক চলাচলের সময়সূচি হলো –
কক্সবাজার থেকে মহেশখালী: সকাল ৮:৩০, দুপুর ১২:০০, সন্ধ্যা ৬:০০
মহেশখালী থেকে কক্সবাজার: সকাল ৭:৩০, বেলা ১১:০০, বিকেল ৫:০০।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মোঃ সলিমুল্লাহ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সালাহ্উদ্দিন, পুলিশ সুপার সাইফউদ্দীন শাহীন সহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।