খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

দুর্নীতির জাল বিস্তার

নরসিংদীর বেসরকারি সার্ভেয়ার সৈয়দ হোসেনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, তদন্ত ও নিষেধাজ্ঞার দাবি

রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৫, ৩:৫৪ অপরাহ্ণ
নরসিংদীর বেসরকারি সার্ভেয়ার সৈয়দ হোসেনের বিরুদ্ধে ভয়াবহ অভিযোগ, তদন্ত ও নিষেধাজ্ঞার দাবি

নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলার পাড়াতলী ইউনিয়নে দায়িত্ব পালনরত বেসরকারি সার্ভেয়ার (আমিন) সৈয়দ হোসেন, পিতা: আবুল কালাম, গ্রাম: মধ্যনগর, ডাকঘর: মধ্যনগর, থানা: রায়পুরা, জেলা: নরসিংদী – এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে জমি সংক্রান্ত ভয়াবহ প্রতারণা, জালিয়াতি ও দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ছাত্র সংগঠন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন অভিযোগ করেছে, সৈয়দ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে পাড়াতলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নাম ব্যবহার করে সাধারণ জনগণের সরলতাকে পুঁজি করে কোটি টাকার দুর্নীতিতে জড়িত। তিনি ভূমিসেবা দিতে গিয়ে নিরীহ মানুষদের থেকে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেন।

নামজারি, জমি পরিমাপ বা দলিল সংশোধনের নামে প্রতারণা করাই যেন তাঁর নিত্যদিনের কাজ। অভিযোগে বলা হয়, তিনি জমি বিরোধে এক পক্ষ থেকে ঘুষ নিয়ে অন্য পক্ষকে বিপদে ফেলেন। তার বিরুদ্ধে জমি দখলের অপচেষ্টা ও সংঘর্ষে ইন্ধন দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। বিশেষভাবে উদ্বেগজনক যে, সৈয়দ হোসেন হারিয়ে যাওয়া দলিলের সুযোগ নিয়ে লোকজনের কাছ থেকে ৫-৬ লক্ষ টাকা আদায় করে ভূয়া দলিল তৈরি করেন। আবার যাদের সি এস, এস এ, আর এস পর্চার মালিকানা মেলেনি, তাদের কাছ থেকে ৩-৪ লক্ষ টাকা নিয়ে কম্পিউটার প্রিন্টে জাল পর্চা তৈরি করে দেন।

অভিযোগ আরও গুরুতর হয় যখন বলা হয়, তিনি বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে নারীদের ব্যবহার করে কর্মকর্তাদের প্রভাবিত করারও চেষ্টা করেন। এই অশুভ নেপথ্য রাজনীতি সরকারি শৃঙ্খলা ও নৈতিকতার ওপর বড় হুমকি বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা। এছাড়া জানা গেছে, তিনি রায়পুরা থানার বিভিন্ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অর্থের লোভ দেখিয়ে প্রভাবিত করারও অপচেষ্টা করেন, যা প্রশাসনিক নীতিমালার পরিপন্থী। সংগঠনটির দাবি, তদন্ত সাপেক্ষে সৈয়দ হোসেনের মোবাইল কললিস্ট বিশ্লেষণ করলে প্রকাশ পাবে, কে কে তার সঙ্গে জড়িত এবং কোন কোন ভূমি অফিস বা কর্মকর্তা তার দুর্নীতির অংশীদার। কললিস্ট হবে একমাত্র নির্ভরযোগ্য মাধ্যম যা দুর্নীতির প্রকৃত চিত্র উন্মোচনে সহায়ক।

এমতাবস্থায়, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রতি জোরালো দাবি জানানো হয়েছে- সৈয়দ হোসেনের বেসরকারি সার্ভেয়ার (আমিন) সনদ অবিলম্বে বাতিল করা হোক, তাকে রায়পুরা থানার সকল ভূমি অফিসে প্রবেশে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারি করা হোক, নরসিংদী জেলার সকল সাব-রেজিস্ট্রি অফিস এবং ভূমি অফিসে তিনি যেন কোনোভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে না পারেন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশনা জারি করা হোক, বিশেষভাবে পাড়াতলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের কর্মকর্তারা যেন তাঁর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।