খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ওয়েবসাইট হ্যাক করায় উপবৃত্তির টাকা না পাবার অভিযোগ জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের

জামালপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫, ১২:১৮ অপরাহ্ণ
ওয়েবসাইট হ্যাক করায় উপবৃত্তির টাকা না পাবার অভিযোগ জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীদের
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে উপবৃত্তি শাখার ওয়েবসাইট হ্যাক করায় উপবৃত্তির টাকা না পাবার অভিযোগ করেছে জামালপুরে জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। প্রতিষ্ঠানটির ২২৯ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তির টাকা পেয়েছে। হ্যাকারের কবলে পড়া উপবৃত্তির টাকা দ্রুত উদ্ধার এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাংক একাউন্টে প্রদানের দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।
জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের কোর্স কো-অডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার খায়রুল ইসলাম ও ভাইস প্রিন্সিপাল প্রকৌশলী মো. আলমগীর হোসেন জানান, প্রতিষ্ঠানের ইউজার, আইডি ও পাসওয়ার্ড হ্যাক হবার কারণে ২২৯ জন শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাত্র ৭ জন শিক্ষার্থী উপবৃত্তি পেয়েছে। ২২২ জন শিক্ষার্থীর  উপবৃত্তির টাকা ব্যাংকে জমা হয়নি। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।
তারা বলেন, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট (৫৫১০১) জামালপুর ২০২০ সাল থেকে কারিগরি-শিক্ষা অধিদপ্তর অনলাইনের মাধ্যমে ছাত্র/ছাত্রীদের অভিভাবকের নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা প্রদান করে আসছে। ২০২৪ সালের জুলাই/ডিসেম্বর এর দ্বিতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ ও অষ্টম পর্বের উপবৃত্তির জন্য ২০২৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী DTE Stipend ওয়েবসাইটে  ২২৯ জন ছাত্র/ছাত্রীর তথ্য এন্ট্রি ও আপডেট করা হয়। যার প্রমান DTE Stipend ওয়েবসাইটে আছে।
২০২৫ সালের মার্চ মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কিছু সংখ্যক ছাত্র/ছাত্রীর অভিভাবকের নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টে EFT এর মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা প্রেরণ করা হলেও বেশি সংখ্যক ছাত্র/ছাত্রীদের উপবৃত্তির টাকা ব্যাংকে জমা না হওয়ায় প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে উপবৃত্তি শাখায় যোগাযোগ করা হয়। বিগত ২২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ স্বশরীরে অধিদপ্তরে হাজির হয়ে উপবৃত্তির টাকা না পাবার বিষয়টি লিখিতভাবে অভিযোগ করলে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড আশ্বস্ত করে ওয়েব সাইট চেক করে জানাবে এবং সাথে পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করার নির্দেশ দেয়। ওই নির্দেশের প্রেক্ষিতে বিগত ৩ মে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের জন্য অধিদপ্তরে ই-মেইলের মাধ্যমে দরখাস্ত করা হয়। নতুন পাসওয়ার্ড দেওয়ার পর লগইন করতে না পেরে প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ পুনরায় ৮ মে স্বশরীরে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে উপস্থিত হন।
তখন তাদেরকে মৌখিকভাবে জানিয়ে দেয়া হয়েছে জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট’র উপবৃত্তির ইউজার, আইডি ও পাসওয়ার্ড হ্যাকাররা হ্যাক করেছে। জসিম উদ্দিন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ বলছেন, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর উপবৃত্তির টাকা সরাসরি ছাত্র/ছাত্রীদের অভিভাবকের নিজ নিজ ব্যাংক একাউন্টে প্রেরণ করে। উপবৃত্তি প্রদানের সাথে কলেজ কর্তৃপক্ষের কোন হস্তক্ষেপ নাই।
হ্যাকারের কবলে পড়া উপবৃত্তির টাকা দ্রুত উদ্ধার এবং শিক্ষার্থীদের ব্যাংক একাউন্টে প্রদানের দাবি জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।