খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে মোস্তফা হত্যা

মাদক কারবারি সোহেলের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মোঃ জাকির হোসেন, ফরিদগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ জুন, ২০২৫, ২:৫৮ অপরাহ্ণ
মাদক কারবারি সোহেলের ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

১৮ জুন গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে বলে নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে। এর আগে ১২ জুন রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের শাশিয়ালী গ্রামে নিজ বাড়ির সামনে মাদক কারবারিদের ছুরিকাঘাতে আহত হয় মোস্তফা। মোস্তফা ওই গ্রামের মৃত দিদার হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি সিএনজিচালক এবং এক সন্তানের জনক।

জানা গেছে, পূর্ব বিরোধকে কেন্দ্র করে ১২জুন রাতে মোস্তফাকে তার বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় প্রতিপক্ষ সোহেল গং। এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সোহেল, তার ভাই ফয়সাল, রুবেল এবং তাদের পিতা আবুল হোসেনসহ পরিবারের সদস্যরা মোস্তফাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা মোস্তফাকে উদ্ধার করে প্রথমে চঁাদপুর সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে ৭ দিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় ১৮ জুন বুধবার গভীর রাতে মারা যায় সে।

এ ঘটনায় মোস্তফার ভাই আলাউদ্দিন ১৬ জুন ৪ জনের বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করে। মামলায় এজাহার নামীয় সবাই একই পরিবারের সদস্য। পুলিশ ইতোমধ্যে পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে ঢাকার তেজগাঁও এবং ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছে। তাদের মধ্যে আবুল হোসেন ও তার ছেলে রুবেল জামিনে বের হয়ে এলেও অপর ছেলে ফয়সাল এখনও জেলহাজতে রয়েছে। তবে মামলার প্রধান আসামি সোহেল এখনও পলাতক রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ফরিদগঞ্জ থানায় মাদক মামলাও রয়েছে।

গতকাল ২২শে জুন রবিবার ৭ নং পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের করইতলী বাজারে স্থানীয় এলাকাবাসী ঘাতক সোহেলের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন বিকাল ৩টায়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নুরুল আলম বলেন, ঢাকা মেডিকেলে মোস্তফা মারা গেছে। সেখানেই ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়। প্রধান আসামি সোহেলকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক মামলা রয়েছে।

ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ শাহ আলম বলেন, এ ঘটনায় এজাহার নামীয় সবাই একই পরিবারের সদস্য। ইতোমধ্যে পিতা-পুত্রসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার। এদিকে শুনা যায় যে গ্রেফতার হলেও জামিনে তারা বের হয়ে আসছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।