খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে পবিত্র আশুরা পালিত

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ জুলাই, ২০২৫, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ
চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে পবিত্র আশুরা পালিত

অত্যেন্ত ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে যথাযথ মর্যাদায় প্রতি বছরের ন্যায় এবারো শান্তি পূর্ণ ভাবে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক ১২০ আউলিয়া মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে পবিত্র আশুরা পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রবিবার (৬ জুলাই) ১০ মহরম সকাল থেকে দিনব্যাপী উপজেলার সদর ইউনিয়নে ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে কুতুব মঞ্জিলে পাক পাঞ্জাতন মোকামের খাদেম মরহুম সৈয়দ মানিক শাহ চিশতীর এর নাতি খাদেম মরহুম সৈয়দ মামুন শাহ চিশতীর ছেলে খাদেম সৈয়দ সামি শাহ চিশতী নেতৃত্বে এবং মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফি সভাপতিত্বে উপজেলার দলাই পাড়, বড় কোটা, উবাহাটা, দুর্গাপুর, কেউন্দা, ঘরগাও, গোগাউড়া, বালিয়াড়ি, রাম শ্রী, নরপতি, চাট পাড়া, মুড়ারবন্দ সহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে আগত কয়েক হাজার ধর্ম প্রাণ মুসলমান, দরবার শরীফের আশেকান ভক্ত মুরিদান বৃন্দরা অসংখ্য লাল নিশান, কাগজ ও বাশের তৈরি বেশ কয়েকটি রঙিন ঘোড়া ও উচু কাঠের তৈরি দালান নিয়ে বিশাল তাজিয়া মিছিল সহকারে মুড়ারবন্দ কুতুব মঞ্জিলে পাক পাঞ্জাতন মোকাম প্রাঙ্গনে এসে জড়ো হয়ে ইসলামিক জারীগান ও বুক চাপড়িয়ে মর্সিয়া মাতম করা হয়।

সারাদিন ছিল মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে মোতাওয়াল্লীী বাড়ি, পাক পাঞ্জাতন মোকাম বাড়ি সহ দরবার শরীফের অন্যান্য খাদেম বাড়িতে কোরআন তেলাওয়াত, ধর্মীয় মর্সিয়া জারীগান মাধ্যমে শান্তি পূর্ণ ভাবে ১০ মহরম দিনটি পালন করা হয়। আশেকান ভক্তবৃন্দ মুরিদান সহ অনেকেই ১০ দিন ধরে নফল রোজা রেখেই আসছে।

এদিকে বিকাল সোয়া ৩ টায় থানা পুলিশ প্রশাসনের কঠোর নিরাপত্তায় অত্র কুতুব পাঞ্জাতন মোকামের সহ-সভাপতি বকুল আহমেদ চিশতী সার্বিক সহযোগিতায় পাক পাঞ্জাতন মোকামের খাদেম সৈয়দ সামি শাহ চিশতী মাথার উপর মুকুট পড়িয়ে পাক পাঞ্জাতন মোকাম হতে বিশাল একটি তাজিয়া মিছিল নিয়ে বের হয়। কাগজের তৈরি রঙিন ঘোড়া ও উচু কাঠের দালান নিয়ে পা হেটে সবার মুখে মুখে উচ্চারণ হায় হাসান, হায় হুসাইন আহাজারিতে প্রায় সোয়া কিলোমিটার সড়ক পথে কাজিরখিল নামক স্থানে হযরত কাজী শামসুদ্দিন (রহঃ) মাজার শরিফে এসে সমাগম হয়।

সেখানে ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী, খাদেম সহ আশেকান ভক্তবৃন্দ, মুরিদান ও বিভিন্ন এলাকার লোকজন জিয়ারত এবং দোয়া পরার পর তাজিয়া মিছিল নিয়ে ফিরে যায় খোয়াই নদীর বাঁধের উপর দিয়ে মুড়ারবন্দন ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে হযরত সৈয়দ শাহ ইলিয়াস কুতুবুল আউলিয়া (রহঃ) মাজার শরীফে জড়ো হয়ে পাক পাঞ্জাতন মোকামের খাদেম সৈয়দ সামি শাহ চিশতী মাথা থেকে মুকুট রেখে সকলেই জিয়ারত ও দোয়া পাঠ করেন। দরবার শরীফে সামনে আশেকান ভক্তবৃন্দ, মুরিদান ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা লোকজন ইসলামিক মর্সিয়া জারীগান ও বুক চাপড়িয়ে সমাপ্ত হয়।

অবশেষে কয়েক হাজার আশেকান ভক্তবৃন্দ, মুরিদান ও বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা মোতাওয়াল্লী বাড়ি কুতুব মঞ্জিল মোকাম বাড়ি ও খাদেম এস এম সোহেল আহমেদ চিশতী ও খাদেম নজরুল আহমেদ চিশতী বাড়িতে সন্ধায় ইফতার সময় জারীকৃতদের মাঝে ঠান্ডা সরবত ও তোবারক বিতরণ করা হয়। বিশেষ করে মুড়ার বন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী বাড়িতে দিনব্যাপী ছিল কোরআন তেলাওয়াত, জিকির আসকার ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মিলাদ মাহফিল দোয়া পরিচালনা করেন মুড়ারবন্দ দরবার শরীফ জামে মসজিদের পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ নিয়ামত আলী।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।