খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ওষুধ দেওয়ার আগেই বিল প্রদান

তারিকুল ইসলাম, মাদারগঞ্জ প্রতিনিধি 
প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ জুলাই, ২০২৫, ৬:২০ অপরাহ্ণ
মাদারগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ওষুধ দেওয়ার আগেই বিল প্রদান

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; hdrForward: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 2;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: -1;weatherinfo: null;temperature: 45;

জামালপুরের মাদারগঞ্জে ১০০ শয্যা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সরকারি হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহ না করেই বিল তুলে নিয়েছে ঠিকাদার। বিল তোলার সহযোগিতা করায় উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা দুইটি আইফোন ও নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন ওষুধ ও অন্যান্য মালামাল সরবরাহের আগেই বিল প্রধানের বিষয়টি স্বীকার করলেও বিনিময়ে আইফোন ও নগদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। জানা গেছে, গত অর্থবছরে মাদারগঞ্জ ১০০শয্যা সরকারি হাসপাতালে ওষুধপত্র, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও আসবাবপত্র ৬ টি প্যাকেজে ৬৫ লাখ টাকার দরপত্র আহ্বান করা হয়। মেসার্স সরকার এন্টারপ্রাইজ ও নাটোরের হক এন্টারপ্রাইজ ঠিকাদারি কাজ পেলেও শুরু থেকেই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ঠিকাদারদের নাম গোপন রাখেন। গত ২৪ জুন সরকার এন্টারপ্রাইজ ও হক এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আসলাম হোসেন ও এমদাদুল হককে ওষুধ ও অন্যান্য মালামাল সরবরাহ বিপরীতে ৬৫ লাখ ১৮ হাজার  ৬৩৮ টাকা বিল প্রদান করা হয়েছে। সরকার এন্টারপ্রাইজ স্বত্বাধিকারীরা আসলাম হোসেন এর কাছে মুঠোফোনে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন নিয়ম অনুযায়ী ওষুধপত্রসহ সব মালামাল সরবরাহ করেই আমি বিল নিয়েছি। ওষুধ না দিলে কি আমাকে বিল দেওয়া দিয়েছে। ওষুধ হাসপাতালে কম আছে কিনা তা আপনারা দেখেন।
জেলা সিভিল সার্জন আজিজুল হক বলেন, ওষুধ  সরবরাহ শেষ হওয়ার আগে পুরো বিল পরিশোধের নিয়ম নেই। এ বিষয়ে পত্রিকায় রিপোর্ট হলে  তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।