খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে শ্রমিকরা সন্তুষ্ট

ঐতিহ্যবাহী বাংলোর সৌন্দর্য বর্ধন কাজ করেন ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৫, ১:১৯ অপরাহ্ণ
ঐতিহ্যবাহী বাংলোর সৌন্দর্য বর্ধন কাজ করেন ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন

হবিগঞ্জে মাধবপুর উপজেলায় ( ন্যাশনাল টি কোম্পানি সরকারি মালিকানাধীন) তেলিয়াপাড়া চা বাগান অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থান। ঐতিহাসিক বাংলোর সৌন্দর্য বর্ধন কাজ করেছেন ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন। তিনির এই বাংলো সৌন্দর্য বর্ধন করায় চা শ্রমিকরা সন্তুষ্ট। ফলে এ চা বাগানে মুক্তিযোদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই চা বাগানে একটি স্মৃতিসৌধ রয়েছে।

প্রতিদিন জেলা সহ বহু দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসছে । চা বাগানের সভাপতি খোকন পান জানান দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটনকে ২০১২ সালে ও ২০২০ সালে আন্দোলন করে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে নিয়ে আসি। সেই সময় তিনি ছিলেন সহকারী ব্যবস্থাপক। সহকারী ব্যবস্থাপক দায়িত্ব পালন কালে চা বাগানের বেশ কিছু ভূমি উদ্ধার করে উক্ত ভূমিতে গাছ লাগিয়ে দিয়ে বাগান থেকে অন্য চা বদলী হয়ে যায়  সে সময় থেকে বাগানের চা শ্রমিকরা বাগানের নানা বিরাজমান সমস্যা ছিল এবং চা বাগানের সৌন্দর্য ও উন্নয়ন থেকে বিরত রয়েছে।

সহকারী ব্যবস্থাপক দায়িত্ব পালন কালে গাছ চুরি প্রতিরোধ সহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে দিয়ে ছিল। চা শ্রমিকদের নানা বিরাজমান সমস্যা ছিল না। সুখে দুখে সব সময় শ্রমিকদের পাশে ছিলেন। তখন চা শ্রমিকরা শান্তিতে বসবাস করতেন । তিনি অন্যায় দেখলে রেগে যেতেন কিন্তু এর পর শ্রমিককে ডেকে নিয়ে মায়া করে শান্তনা দিয়ে বুঝাতেন। তিনি একজন সৎ, সহজ-সরল সাদা মনের, সাহসী ও দক্ষ ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটনকে পেয়ে বাগানের শ্রমিকরা সন্তুষ্ট। এধরণের ব্যবস্থাপককে চা শ্রমিকরা চায়।

তিনি ন্যাশনাল টি কোম্পানি প্রধান কার্যালয় সহ কোম্পানির সরকারি মালিকানাধীন অধীনে বিভিন্ন চা বাগান গুলোতে কর্মরত থেকে সঠিক দায়িত্ব ভূমিকা পালন করেন। এদিকে চা বাগানের গাড়ি চালক রবি গোয়ালা জানান আমি বহু ব্যবস্থাপককে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি কিন্তু দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন সাহেব গত ১ জুলাই তেলিয়াপাড়া চা বাগানে যোগদান দেওয়ার পর বাগানের ঐতিহাসিক বাংলো সহ অন্যান্য সৌন্দর্য বর্ধন, গাছের চারা রোপণ, লেখে মাছের পোনা নিধন ও বিভিন্ন উন্নয়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা আশা করি তেলিয়াপাড়া চা বাগানে দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন ব্যবস্থাপককে প্রয়োজন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।