মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে শ্রমিকরা সন্তুষ্ট
ঐতিহ্যবাহী বাংলোর সৌন্দর্য বর্ধন কাজ করেন ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন
হবিগঞ্জে মাধবপুর উপজেলায় ( ন্যাশনাল টি কোম্পানি সরকারি মালিকানাধীন) তেলিয়াপাড়া চা বাগান অবস্থিত ঐতিহাসিক স্থান। ঐতিহাসিক বাংলোর সৌন্দর্য বর্ধন কাজ করেছেন ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন। তিনির এই বাংলো সৌন্দর্য বর্ধন করায় চা শ্রমিকরা সন্তুষ্ট। ফলে এ চা বাগানে মুক্তিযোদ্ধের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই চা বাগানে একটি স্মৃতিসৌধ রয়েছে।
প্রতিদিন জেলা সহ বহু দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসছে । চা বাগানের সভাপতি খোকন পান জানান দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটনকে ২০১২ সালে ও ২০২০ সালে আন্দোলন করে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে নিয়ে আসি। সেই সময় তিনি ছিলেন সহকারী ব্যবস্থাপক। সহকারী ব্যবস্থাপক দায়িত্ব পালন কালে চা বাগানের বেশ কিছু ভূমি উদ্ধার করে উক্ত ভূমিতে গাছ লাগিয়ে দিয়ে বাগান থেকে অন্য চা বদলী হয়ে যায় সে সময় থেকে বাগানের চা শ্রমিকরা বাগানের নানা বিরাজমান সমস্যা ছিল এবং চা বাগানের সৌন্দর্য ও উন্নয়ন থেকে বিরত রয়েছে।

সহকারী ব্যবস্থাপক দায়িত্ব পালন কালে গাছ চুরি প্রতিরোধ সহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে দিয়ে ছিল। চা শ্রমিকদের নানা বিরাজমান সমস্যা ছিল না। সুখে দুখে সব সময় শ্রমিকদের পাশে ছিলেন। তখন চা শ্রমিকরা শান্তিতে বসবাস করতেন । তিনি অন্যায় দেখলে রেগে যেতেন কিন্তু এর পর শ্রমিককে ডেকে নিয়ে মায়া করে শান্তনা দিয়ে বুঝাতেন। তিনি একজন সৎ, সহজ-সরল সাদা মনের, সাহসী ও দক্ষ ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটনকে পেয়ে বাগানের শ্রমিকরা সন্তুষ্ট। এধরণের ব্যবস্থাপককে চা শ্রমিকরা চায়।
তিনি ন্যাশনাল টি কোম্পানি প্রধান কার্যালয় সহ কোম্পানির সরকারি মালিকানাধীন অধীনে বিভিন্ন চা বাগান গুলোতে কর্মরত থেকে সঠিক দায়িত্ব ভূমিকা পালন করেন। এদিকে চা বাগানের গাড়ি চালক রবি গোয়ালা জানান আমি বহু ব্যবস্থাপককে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি কিন্তু দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন সাহেব গত ১ জুলাই তেলিয়াপাড়া চা বাগানে যোগদান দেওয়ার পর বাগানের ঐতিহাসিক বাংলো সহ অন্যান্য সৌন্দর্য বর্ধন, গাছের চারা রোপণ, লেখে মাছের পোনা নিধন ও বিভিন্ন উন্নয়নের পদক্ষেপ নিয়েছেন। আমরা আশা করি তেলিয়াপাড়া চা বাগানে দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন ব্যবস্থাপককে প্রয়োজন।



আপনার মতামত লিখুন