খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে ভূরুঙ্গামারীর শিলকুড়ি ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামের ২৯ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে

মোঃ মাসুদ আল করিম, ভূরুঙ্গামারী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ জুলাই, ২০২৫, ৬:৪৮ অপরাহ্ণ
ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে ভূরুঙ্গামারীর শিলকুড়ি ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামের ২৯ হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতুর কারণে চরম দুর্ভোগ পড়েছে ২৪টি গ্রামের প্রায় ২৯ হাজার মানুষ। ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর ছাট গোপাল পুর বিলের উপর ১৯৬৫ সালে নির্মিত ব্রিজটির এক পাশে মাঝ খানে ভেঙে দেবে যাওয়ায় অকার্যকর হয়ে পড়েছে সড়কের যাতায়াত ব্যবস্থা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ব্রিজের তলায় মারাত্বক ফাটল দেখা দিয়েছে। ভিমের অংশের পলেস্তার খসে গিয়ে বেরিয়ে এসেছে মরিচা ধরা রডের কাঠামো। ফাটল ধরা অংশে বেশ ক্ষানিকটা দেবে গেছে। দুর্ঘটনা এড়াতে স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় ব্রিজের দুই পাশের ভাঙ্গা অংশে লাল কাপড় বেঁধে নিশান উড়ানো হয়েছে। দুই পাশে দুজন গ্রাম পুলিশ মালবাহী গাড়ি, যাত্রীবাহি অটো থামিয়ে দিচ্ছেন। তবে খালি গাড়ি ও পায়ে হেটে মানুষ পারাপার হচ্ছে। মালামাল থাকলে তা পরিমান কমিয়ে মাথায় করে পার করছেন।

ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সাথে শিলখুড়ি ইউনিয়নের একমাত্র সংযোগ সড়কের উপর নির্মিত ব্রিজটি দিয়ে প্রতিদিন স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, দিনমজুর, ব্যবসায়ীসহ অসংখ্য মানুষ যাতায়াত করেন। একইসঙ্গে চলাচল করে ছোট-বড় সকল প্রকার যানবাহন। গত (১৪ জুলাই২০২৫) গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজটি হঠাৎ করে ভেঙ্গে যাওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি পুরো সড়ক ব্যবস্থাকেই অকার্যকর করে তুলেছে। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান, গোলাম ইয়াসিন জানান, প্রয়োজনের তাগিতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন ব্রিজ পারাপার হতে হচ্ছে। যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন ব্রিজ নির্মান করা না গেলে শিলখুড়ি ইউনিয়নের সাথে ভূরুঙ্গামারি উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

স্থানীয় অটো চালক মনির উদ্দিন জানান, অটো নিয়ে ব্রিজে উঠলে ব্রিজ নড়ে উঠে ভয়ে ভয়ে পার হয়ে আশি। বৃজটি ভেঙ্গে পড়লে ভোগান্তির শেষ থাকবে না। ব্যবসায়ীরা জানান, গাড়ি যেতে পারছে না ব্রিজের একপাশে ধান একপাশে বালু আনলোড করা হচ্ছে। লেবার মাথায় করে পারাপার করছে। এতে করে আমার খরচ অনেক বেড়ে যাচ্ছে। ব্রিজের জন্য লাভের জায়গায় এখন লোকসান গুনতে হবে। সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আরো বলেন , ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আমার ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামের ২৯ হাজার মানুষ ব্রিজটি ব্যবহার করেন। জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছেন। এটি ভেঙ্গে গেলে আমার ইউনিয়নের সাথে ভূরুঙ্গা মারী উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে।

স্থানীয় অটো চালক বাহার উদ্দিন জানান, অটো নিয়ে ব্রিজে উঠলে ব্রিজ নড়ে উঠে ভয়ে পার হয়ে আশি। বৃজটি ভেঙ্গে পড়লে ভোগান্তির শেষ থাকবে না। শিলখুড়ি ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জান আসাদ জানান, ব্রিজটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। আমার ইউনিয়নের ২৪টি গ্রামের ২৯ হাজার মানুষ ব্রিজটি ব্যবহার করেন। জনসাধারণ ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন পারাপার হচ্ছেন। এটি ভেঙ্গে গেলে আমার ইউনিয়নের সাথে উপজেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। তাই নতুন সেতু নির্মানের আগে। আপাতত চলাচলের জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি বেইলি ব্রিজের জন্য আবেদন করছি। ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলি ইনছাফুল হক সরকার জানান, ব্রিজটি অনেক আগেই আমরা পরিত্যক্ত ঘোষনা করেছি। প্রকল্প পরিচালক মহোদয়কে চিঠি দেয়া আছে। নির্বাহী প্রকৌশলি মহোদয়কে আমার দপ্তর থেকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছি আরসিসি গার্ডার ব্রিজটি বসে গেছে। এটি দ্রুত নির্মান কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের অনুরোধ করা হয়েছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।