খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

এনটিসির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় সাত ছড়ি চা বাগানের শ্রমিকদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

শায়েস্তাগঞ্জ( হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩০ জুলাই, ২০২৫, ৪:২৩ অপরাহ্ণ
এনটিসির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা অপপ্রচার ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় সাত ছড়ি চা বাগানের শ্রমিকদের প্রতিবাদ ও মানববন্ধন

ন্যাশনাল টি কোম্পানি (এনটিসি) মালিকানাধীন ১৩টি চা বাগানের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি চা বাগানে চাঁদাবাজ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির ন্যাশনাল টি কোম্পানি নিয়ে অপপ্রচার এবং মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচারে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেছে। এ সময় শ্রমিকরা পতিত শক্তি উল্লেখ করে ওই গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চা বাগান ব্যবস্থাপনা পর্ষদ ও শ্রমিকদের স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড অভিযোগ জানান। শ্রমিকরা চাঁদা বাজ এস এম হুমায়ুন কবির সহ ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দাবি করেছে। মঙ্গলবার দুপুরে দুই শতাধিক চা শ্রমিকরা সমবেত হয়ে উপজেলার সাতছড়ি চা বাগান ডিভিশনে ন্যাশনাল টি কোম্পানি (এনটিসি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এইচ এস এম জিয়াউল আহসান কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখলা চা বাগানের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মোঃ রফিকুল ইসলাম সহ সংশ্লিষ্ট চা বাগানের কর্মকর্তা কর্মচারী ও চা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে চাঁদা বাজ এস এম হুমায়ুন কবির তাঁর ফেসবুক ইউটিউবে এবং সংবাদ পএে প্রতিদিন ধারাবাহিক ভাবে অপপ্রচার ও মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রচার করে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে মানহানি এবং অনেক ক্ষতি সাধন করে যাচ্ছে এনটিসি।

এই ইন্ধন ও সহায়তা দেওয়া গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন করেন চা শ্রমিকরা। উক্ত কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন শ্রমিক নেতা সীমা সাংমা, স্বপন পাহান, সুমন তাতী, সুকেশ কর্মকার, রূপালী বাড়াইক, প্রীতি উড়াং, রবিন মুন্ডা পঞ্চায়েত সভাপতি জীবন নায়েক , গোলাপ তাতী । চা শ্রমিকরা জানান এইচ এস এম জিয়াউল আহসান এনটিসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর সৎ এবং দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং প্রতিটি চা বাগানের শ্রমিকদের স্বস্তি ফিরে এসেছে । তার দায়িত্বশীল ভূমিকায় জেলার চুনারুঘাট উপজেলার সাতছড়ি চন্ডিছড়া, পারকুল এবং মাধবপুর উপজেলার তেলিয়াপাড়া ও জগদীশপুর চা বাগান সহ দেশের ১৩ টি চা বাগানে প্রাণঢা প্রাণচাঞ্চল্য ফিরেছে চা শ্রমিক ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের মাঝে। বর্তমানে চা বাগানে তৈরি হয়েছে দুর্নীতি ও বিভিন্ন অপরাধ মুক্ত পরিবেশ। চুরি প্রতিরোধ ও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। চায়ের গুনগত মানের উন্নতি হচ্ছে। এসব সহ বিভিন্ন কারণে এনটিসি চা বাগান গুলো সময়ের সাথে অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। প্রতিটি চা বাগানে শান্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে চা শ্রমিক পর্যায় পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে জবাব দিহিতা ও কাজের গতি বেড়েছে এই অগ্রগতিতে ঈর্ষাম্বিত হয়ে অতীতে সরকার আমলে দুর্নীতির দায়ে চাকুরিচ্যুত একটি মহল আবার ও সক্রিয় হয়ে উঠেছে তারা মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে হবিগঞ্জ সদর উপজেলার নিজামপুর ইউনিয়নে বাগুনীপাড়া গ্রামের মৃত শাহ মোঃ সুরুজ মিয়া ছেলে চাঁদাবাজ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির (৬৩) নামের একজনকে দিয়ে এনটিসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি)এইচ এস এম জিয়াউল আহসান ডিজিএম মোঃ রফিকুল ইসলাম ও তেলিয়াপাড়া চা বাগান ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ বিরুদ্ধে থানায় মিথ্যা সাধারণ ডায়েরি (জিডি এন্টি) ভুক্ত এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী সহ চা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে প্রতিদিন ধারাবাহিক ভাবে তার ফেসবুক ইউটিউব এবং সংবাদপত্রে মিথ্যা অপপ্রচার সংবাদ প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এসব মিথ্যা অপপ্রচার ফলে চা বাগানের স্বাভাবিক পরিবেশ হুমকির মুখে এগোচ্ছে।

শ্রমিকরা আরো বলেন, প্রতিটি চা বাগান শৃঙ্খলা ফেরাতে যারা নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত মিথ্যা চার কোনো ভাবেই বরদাশত করা হবে না।

তাই চা শ্রমিকরা চাঁদাবাজ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির সহ ষড়যন্ত্রকারীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্ত মূলক কঠোর ভাবে শাস্তি দাবি করে সেনাবাহিনী পুলিশ ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন পঞ্চায়েত সভাপতি জীবন নায়েক বলেন আমরা শ্রমিকরা চা বাগানকে ভালো বেসে পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এখানে এনটিসি এমডি এইচ এস এম জিয়াউল আহসান ডিজিজ মোঃ রফিকুল ইসলাম ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা কর্মচারী ও চা শ্রমিকদের কে চাঁদা বাজ এস এম হুমায়ুন কবির আমাদের কার্যক্রম বিভিন্ন ভাবে বাঁধা সৃষ্টি করছে। সে সকলকে হুমকি দিয়ে বলছে, আমার কথা না শুনলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও চা শ্রমিকদের বিরুদ্ধে ইউটিউব ও সংবাদ পএে ধারাবাহিক লিখে যাবো। এমন হুমকির ঘটনায় শ্রমিকদের মাঝে ক্ষোভ ও উওেজিত বিরাজ করছে। চাঁদা বাজ শাহ মোঃ হুমায়ুন কবির সহ ষড়যন্ত্রকারীদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় না হলে চা শ্রমিকরা কঠোর আন্দোলনে যাবে। প্রয়োজনে ঢাকা সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে কর্মসূচী পালন করা হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।