চুনারুঘাটে পরকীয়া জেরে গৃহবধূকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগে ভাবিসহ দুই নারী আটক
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের পূর্ব সুন্দরপুর গ্রামে রিমা আক্তার (২৩) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বামী মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।
রবিবার (১৭ আগষ্ট ) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সাথে সাথে নিহতের স্বামী মুজিবুর রহমান ও শশুর রজব আলী, শাশুড়ী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর থানার পুলিশ এসআই জিখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। উক্ত ঘটনার সময় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত ভাবি রুজিনা আক্তার সহ দুই নারীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিষয়টি দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ঝগড়া ও পরকীয়া প্রসঙ্গে এ ঘটনাটি ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায় প্রায় এক মাস পূর্বে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন মুজিবুর রহমান দেশে ফেরার পর থেকেই মুজিবুর রহমান সহধর্মিণী রিমা আক্তার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় গত শনিবার দিবাগত রাতে প্রবাসী মুজিবুর রহমানের পরকীয়া নিয়ে গ্রামে সালিশ বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আশায় তিনি অপমানিত রোধ করেন। নিহতের চাচা কাউছার মিয়া অভিযোগ করে বলেন আমার ভাতিজী রিমা আক্তারকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারপর নাটক সাজিয়ে মরদেহ সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের মা সুফিয়া খাতুন ও একই অভিযোগ করে বলেন মুজিবুর রহমান পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার ভাবি রুজিনা আক্তার সাথে।
এ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে রিমা আক্তার ও মুজিবুর রহমান মাঝে ঝগড়া বাঁধে। বিয়ের তিন বছরে দুই শিশু কন্যা রয়েছে। নিহত রিমা আক্তারের স্বজনরা জানান , তিন বছর পূর্বে কাজিরখিল গ্রামের মুদি দোকানের মহিবুর রহমানের পুএ সুন্দর পুর গ্রামের রজব আলী ছেলে। মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ৪ লক্ষ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে রয়েছে দুই জমজ কন্যা সন্তান সায়মা আক্তার (২) ও সাবিহা আক্তার (২)। চুনারুঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আলম বলেন অভিযোগের ভিওিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



আপনার মতামত লিখুন