খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চুনারুঘাটে পরকীয়া জেরে গৃহবধূকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগে ভাবিসহ দুই নারী আটক

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৫, ৫:৪৩ অপরাহ্ণ
চুনারুঘাটে পরকীয়া জেরে গৃহবধূকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগে ভাবিসহ দুই নারী আটক

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের পূর্ব সুন্দরপুর গ্রামে রিমা আক্তার (২৩) নামে এক গৃহবধূকে হত্যার পর সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। নিহতের স্বামী মুজিবুর রহমানসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছে নিহতের স্বজনরা।

রবিবার (১৭ আগষ্ট ) সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার সাথে সাথে নিহতের স্বামী মুজিবুর রহমান ও শশুর রজব আলী, শাশুড়ী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনার অভিযোগ পাওয়ার পর থানার পুলিশ এসআই জিখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ দুপুরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। উক্ত ঘটনার সময় স্থানীয় জনতা অভিযুক্ত ভাবি রুজিনা আক্তার সহ দুই নারীকে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিষয়টি দীর্ঘ দিন ধরে পারিবারিক ঝগড়া ও পরকীয়া প্রসঙ্গে এ ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে আরো জানা যায় প্রায় এক মাস পূর্বে প্রবাস থেকে দেশে ফেরেন মুজিবুর রহমান দেশে ফেরার পর থেকেই মুজিবুর রহমান সহধর্মিণী রিমা আক্তার সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয় গত শনিবার দিবাগত রাতে প্রবাসী মুজিবুর রহমানের পরকীয়া নিয়ে গ্রামে সালিশ বৈঠক বসে। উক্ত বৈঠকে বিষয়টি প্রকাশ্যে আশায় তিনি অপমানিত রোধ করেন। নিহতের চাচা কাউছার মিয়া অভিযোগ করে বলেন আমার ভাতিজী রিমা আক্তারকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। তারপর নাটক সাজিয়ে মরদেহ সিলিং ফ্যানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। নিহতের মা সুফিয়া খাতুন ও একই অভিযোগ করে বলেন মুজিবুর রহমান পরকীয়া সম্পর্ক ছিল তার ভাবি রুজিনা আক্তার সাথে।

এ নিয়েই দীর্ঘদিন ধরে রিমা আক্তার ও মুজিবুর রহমান মাঝে ঝগড়া বাঁধে। বিয়ের তিন বছরে দুই শিশু কন্যা রয়েছে। নিহত রিমা আক্তারের স্বজনরা জানান , তিন বছর পূর্বে কাজিরখিল গ্রামের মুদি দোকানের মহিবুর রহমানের পুএ সুন্দর পুর গ্রামের রজব আলী ছেলে। মুজিবুর রহমানের সঙ্গে ৪ লক্ষ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে রয়েছে দুই জমজ কন্যা সন্তান সায়মা আক্তার (২) ও সাবিহা আক্তার (২)। চুনারুঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নুর আলম বলেন অভিযোগের ভিওিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।