খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

প্রকৃতিতে দ্যুতি ছড়াচ্ছে ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনে তেলিয়াপাড়া চা বাগান

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর
প্রকাশিত: সোমবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৫, ১১:৩১ অপরাহ্ণ
প্রকৃতিতে দ্যুতি ছড়াচ্ছে ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনে তেলিয়াপাড়া চা বাগান

সরকার মালিকানাধীন অধীনে ন্যাশনাল টি কোম্পানির ১২ টি চা বাগানের অন্যতম একটি চা বাগানের নাম হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় তেলিয়াপাড়া চা বাগান।

এ বাগানের ফাঁড়ি বাগান সাতছড়ি চা বাগান। প্রায় ৩ হাজার একর নিয়ে পাহাড়ি উঁচু জমিতে গড়ে উঠা ফাঁড়ি সহ তেলিয়াপাড়া চা বাগানটি দর্শনে মুগ্ধ হবেন যে কেউ। ফলে বাগানটি প্রকৃতিতে আলাদা দ্যুতি ছড়াচ্ছে। বাগানের এক পাশে আছে সুরমা চা বাগান। অন্যদিকে ভারত সীমান্ত। এমন অবস্থানে থাকা তেলিয়াপাড়া চিরহরিৎ রূপ সহজেই মন কেড়ে নিয়েছে আগন্তুক প্রতি বছরের ন্যায় এবারো তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এ মৌসুমে চায়ের উৎপাদন বাম্পার ফলন হয়েছে আর সবই সম্ভব হয়েছে শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের মধ্যে গভীর সমন্বয়ের কারণে। শ্রমিকদের পদচারণা মুখরিত তেলিয়াপাড়ায় পাখপাখালি ও আরেকটি আকর্ষণ। এখানে প্রায় ১ হাজার ৩ শ শ্রমিক চা-পাতা উৎপাদনে কাজে জড়িত রয়েছে। বাগান ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন এর ব্যবস্থাপনায় চা শ্রমিকরা শান্তিতে বসবাস করছেন। চা শ্রমিকরা বাগানের অনেক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে মনের আনন্দে চা উৎপাদন কাজে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন নিয়মানুযায়ী প্রতি বছরের মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে চা পাতা উৎপাদন শুরু হয় এবং ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত বর্তমানে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পুরোদমে নারী শ্রমিকরা চা-পাতা কুঁড়ি সংগ্রহ করছে তাদের সাথে পুরুষ শ্রমিকরা নানা ভাবে শ্রম দিয়ে যাচ্ছে।

পরিদর্শন কালে দেখা যায় তেলিয়াপাড়া চা বাগানকে আরও চিরহরিৎ করতে নতুন করে শত শত ছায়াবৃক্ষ লাগানো হয়েছে চায়ের গাছে নতুন কুঁড়ি ছাড়ছে তবে নিয়ম মেনে শ্রমিকরা এ গুলো সংগ্রহ করে বাগান কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিচ্ছেন। চলতি বছর তেলিয়াপাড়া চা বাগানে পাতা সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রায় ৫ লাখ কেজি। শ্রমিক ও কর্তৃপক্ষের গভীর সমন্বয় থাকায় চা বাগানটি এ চলতি মৌসুমে চায়ের উৎপাদন বাম্পার ফলন হয়েছে অথচ বাকি সময়ে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে সূত্র নিশ্চিত করেছেন। বাগান পরিদর্শন কালে চা বাগানের বাসিন্দা শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায় বাগানের শ্রমিকরা বাগানে ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন আহমেদ লিটন এর বহু প্রশংসা করে। শ্রমিকরা আরো বলেন তেলিয়াপাড়া চা বাগানে ভালো ফলনশীল উদ্যোগক্তা একমাত্র তিনি এর পূর্বে দুই বার সহকারী ম্যানেজার হিসেবে দায়িত্ব পালন করার সময় বাগানের চা উৎপাদন এগিয়ে চলেছিল এর পর থেকে বাগানে চা পাতা উৎপাদন কম হওয়ায় লোকসানের দিকে এগিয়ে চলছিল। এখন চা বাগান উৎপাদন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। অফিস স্টাফ এবং শ্রমিকরা ব্যবস্থাপক এর কথায় মুগ্ধ হয়ে কাজে আরো মনোযোগী হচ্ছেন। প্রসঙ্গত, হবিগঞ্জে সাতছড়ি রেমা-কালেঙ্গা পাহাড় বেষ্টিত মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলায় ন্যাশনাল টি কোম্পানি ৪ টি চা বাগান রয়েছে বাগান গুলো হচ্ছে – মাধবপুর উপজেলায় জগদীশপুর , তেলিয়াপাড়া, চুনারুঘাট উপজেলায় চন্ডিছড়া ও পার কুল চা বাগান। এসব চা বাগানে চা-পাতা উৎপাদনে পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষায় বিশেষ ভূমিকা পালন রাখছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।