খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

পূবাইলে দেশি মাছের মৌসুমি বাজারে ক্রেতার ভিড়

মোঃ আলতাফ হোসেন, পূবাইল (পুবাইল )প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:৪৪ অপরাহ্ণ
পূবাইলে দেশি মাছের মৌসুমি বাজারে ক্রেতার ভিড়
গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল বাজার এলাকায় বর্ষা এলেই শুরু হয় বেলাই বিলের দেশীয় মাছের মৌসুমি হাট। প্রতিদিন বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত, মাত্র তিন ঘণ্টার জন্য বসে এই খণ্ডকালীন বাজার। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার এই হাটে থাকে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। স্থানীয় জেলেরা বিল থেকে সরাসরি মাছ ধরে আনেন, ফলে প্রতিটি মাছ থাকে একদম তাজা ও জীবন্ত। রুই, কই, শিং, টেংরা, পুঁটি, শৈলসহ বিভিন্ন জাতের দেশীয় মাছের সমাহারে বাজারটি হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত। বর্ষা মৌসুমেই মূলত এই বাজারে দেশি মাছের সরবরাহ ও বৈচিত্র্য বেশি লক্ষ্য করা যায়।
এই হাটকে ঘিরে শুধু স্থানীয় বাসিন্দারাই নয়, আশপাশের ইউনিয়ন ও উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকেও ক্রেতারা আসেন দেশীয় মাছের স্বাদ নিতে। মাছের স্বাদ ও সতেজতার কারণে এ বাজারের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে বহু দূর পর্যন্ত। মাছের মূল্য নির্ভর করে প্রতিদিনের জালের আয়তার উপর। জেলেদের জালে যেদিন মাছ বেশি ধরা পড়ে, সেদিন বাজারে সরবরাহ বাড়ে এবং দাম কিছুটা কম থাকে। অন্যদিকে, কম মাছ উঠলে দামও বেড়ে যায়। জেলেরা জানান, বিশেষ করে ছুটির দিনে মাছের চাহিদা ও দাম দুই-ই বেশি থাকে।
স্থানীয় কয়েকজন জেলে জানান, প্রতিবছর সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে বিলে মাছের পোনা ছাড়া হলেও চলতি মৌসুমে এখনো সে ধরনের কোনো উদ্যোগ চোখে পড়েনি। ফলে ভবিষ্যতে বিলের মাছের উৎপাদন নিয়ে তাদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে। জেলে রহিম মিয়া জানান,এই বিলেই আমার সংসার চলে। বর্ষা এলেই মাছ ধরা শুরু করি। কোনোদিন অনেক মাছ পাই, কোনোদিন কম। তবে যেহেতু মাছ তাজা, বিক্রি ভালো হয়। যদি সরকার পোনা ছাড়তো আগের মতো, তাহলে মাছ আরও বেশি পাওয়া যেত।
অন্যদিকে, মাছ কিনতে আসা ক্রেতা মোঃ হাদিউল ইসলাম রুবেল বলেন,আমি মিরের বাজার থেকে এসেছি। এখানকার মাছের স্বাদ একেবারেই আলাদা। একেবারে জ্যান্ত আর তাজা মাছ পাই, তাই প্রতিবছর বর্ষায় কয়েকবার আসি বেলাই বিলে। দাম একটু ওঠানামা করলেও মানের কারণে খুশি থাকি। বেলাই বিলের এই মৌসুমি বাজার শুধু একটি মাছের হাট নয়; এটি এখন গ্রামীণ অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে। একদিকে যেমন তাজা দেশি মাছের যোগান নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে স্থানীয় জেলেদের আয়ের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।