খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

গলাচিপায় স্ত্রীর ওপর হামলা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

সোহেলা রানা গলাচিপা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৪:৩২ অপরাহ্ণ
গলাচিপায় স্ত্রীর ওপর হামলা চালিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি ইউনিয়নের তুলারাম গ্রামে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্ত্রীকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার একদিন পর আল আমিন গাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত আল আমিন গাজীর বাড়ি খুলনা বিভাগের বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আল আমিন তার স্ত্রী নাজমা বেগমকে (৩৫) অটোরিকশায় ঘুরতে নিয়ে যান। পরে পানপট্টি ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় কাজী বাড়ির সামনের রাস্তায় নাজমাকে ছুরিকাঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তিনি। স্থানীয়রা গুরুতর আহত নাজমাকে উদ্ধার করে বরিশালের শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।

বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন। ঘটনার পর পরই আল আমিনের অটোরিকশাটি পানপট্টি বোয়ালিয়া ভেড়িবাঁধের পূর্বপাশে একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির সঙ্গে বিধ্বস্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। স্ত্রীর ওপর হামলার পর থেকেই আল আমিন নিখোঁজ ছিলেন। মঙ্গলবার (০৯ সেপ্টেম্বর) সকালে স্থানীয়রা পানপট্টির তুলারাম গ্রামের মিজান মিয়ার ঘেরপাড়ে একটি গাছে আল আমিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। স্থানীয়রা আরও জানান, নাজমা বেগমের বাবা জলিল মিস্ত্রী। নাজমা ৭ নং ওয়ার্ডের বাঁশতলা এলাকায় বসবাস করেন এবং মুরগির ফার্ম পরিচালনা করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। নাজমার এর আগেও দুটি বিয়ে হয়েছিল এবং প্রথম স্বামীর ঘরে তার সজল (২২) নামে এক ছেলে ও তুলি (১৮) নামে এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে প্রেমের সম্পর্কের সূত্রে আল আমিন ও নাজমার বিয়ে হয়।

চার বছর আগে কাজের সূত্রে বাগেরহাট থেকে গলাচিপায় এসেছিলেন আল আমিন। পরে নিজ বাড়ি খুলনায় ফিরে গেলেও নাজমার সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সূত্রেই তারা বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। নাজমার প্রথম স্বামীর ছেলে সজল আল আমিনকে একটি অটোরিকশা কিনে দিয়েছিলেন, যা চালিয়ে তাদের সংসার চলছিল। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ আশাদুর রহমান জানান, পারিবারিক ও দাম্পত্য কলহের জেরেই আল আমিন তার স্ত্রী নাজমাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান। এরপর মঙ্গলবার সকালে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় গলাচিপা থানায় একটি ইউডি মামলা করা হয়েছে। আল আমিনের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের পর ঘটনার মূল কারণ জানানো হবে বলে তিনি জানান।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।