ফরিদগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণ
আদালতে মামলার ১৫ দিনেও ভিক্টিম উদ্ধার হয়নি, আসামীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে
ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের সোনাচোঁ খান বাড়ির দেলোয়ার হোসেন খান এর নাবালিকা মেয়ে নাইমা আক্তারকে (১৫) গত ২৮ আগষ্ট সকাল ৯:৩০ তেলিশাইর গ্রামের আমিন পাটোয়ারীর ছেলে সাবিব হোসেন পাটোয়ারী অপহরন করে অজ্ঞাত স্হানে নিয়ে যায়। সেদিনই নাইমা আক্তারের বাবা দলিলুর রহমান খান ফরিদগঞ্জ থানায় এসে জিডি করেন।
পরবর্তীতে থানায় অপহরন মামলার প্রস্তুুতি নিলে থানা কতৃপক্ষ এফআইআর নিতে গড়িমসি করলে বাদী আদালতে ৩০/৭ ধারায় সাকিব হোসেন পাটোয়ারী, আমিন মিয়া পাটোয়ারী ও আব্দুর রাজ্জাক পাটোয়ারীকে আসামী করে অপহরণ মামলা করেন। কিন্তুু ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত ভিকটিম উদ্ধার হয়নি এবং আসামীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেলো।
এঘটনায় এলাকার চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমতো আতংকে আছে। ভিকটিম নাইমাকে উদ্ধার না হওয়া ও অপহরনকারীদের এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় সাধারন মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতার করে ও শাস্তির দাবীতে তেলিশাইর, সেনাচো গ্রামের জনগণ এবং বাসারা হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মানববন্ধন সহ কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুুতি নিচ্ছে। ভিকটিমের বাবা মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও পুলিশ আমার মেয়েকে ১৫ দিনেও কোন সন্ধান দিতে না পারায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে একই স্কুলে আরো কয়েকটা মেয়েকে এভাবে অপহরন করে নিয়ে যায়। সেগুলোর কোন আইনী প্রতিকার হয়নি বিধায় এভাবে এধরনের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে।
ভিকটিমের বাবা মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন খান এখনও আইনের উপর আস্থাশীল হয়ে আশা করছেন শীঘ্রই তিনি তার মেয়েকে আইনের মাধ্যমে খুজে পাবে। এ ব্যাপারে তিনি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছে।



আপনার মতামত লিখুন