খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণ

আদালতে মামলার ১৫ দিনেও ভিক্টিম উদ্ধার হয়নি, আসামীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে

ফারুক আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৫:২০ অপরাহ্ণ
আদালতে মামলার ১৫ দিনেও ভিক্টিম উদ্ধার হয়নি, আসামীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে

ফরিদগঞ্জ উপজেলাধীন ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের সোনাচোঁ খান বাড়ির দেলোয়ার হোসেন খান এর নাবালিকা মেয়ে নাইমা আক্তারকে (১৫) গত ২৮ আগষ্ট সকাল ৯:৩০ তেলিশাইর গ্রামের আমিন পাটোয়ারীর ছেলে সাবিব হোসেন পাটোয়ারী অপহরন করে অজ্ঞাত স্হানে নিয়ে যায়। সেদিনই নাইমা আক্তারের বাবা দলিলুর রহমান খান ফরিদগঞ্জ থানায় এসে জিডি করেন।

পরবর্তীতে থানায় অপহরন মামলার প্রস্তুুতি নিলে থানা কতৃপক্ষ এফআইআর নিতে গড়িমসি করলে বাদী আদালতে ৩০/৭ ধারায় সাকিব হোসেন পাটোয়ারী, আমিন মিয়া পাটোয়ারী ও আব্দুর রাজ্জাক পাটোয়ারীকে আসামী করে অপহরণ মামলা করেন। কিন্তুু ১৫ দিন অতিবাহিত হলেও আজ পর্যন্ত ভিকটিম উদ্ধার হয়নি এবং আসামীরা এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেলো।

এঘটনায় এলাকার চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমতো আতংকে আছে। ভিকটিম নাইমাকে উদ্ধার না হওয়া ও অপহরনকারীদের এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় সাধারন মানুষের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিচ্ছে। এমতাবস্থায় বিশ্বস্তসূত্রে জানা গেছে ভিকটিম উদ্ধার ও আসামীদের গ্রেফতার করে ও শাস্তির দাবীতে তেলিশাইর, সেনাচো গ্রামের জনগণ এবং বাসারা হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মানববন্ধন সহ কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুুতি নিচ্ছে। ভিকটিমের বাবা মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও পুলিশ আমার মেয়েকে ১৫ দিনেও কোন সন্ধান দিতে না পারায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য যে ইতিপূর্বে একই স্কুলে আরো কয়েকটা মেয়েকে এভাবে অপহরন করে নিয়ে যায়। সেগুলোর কোন আইনী প্রতিকার হয়নি বিধায় এভাবে এধরনের ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে।

ভিকটিমের বাবা মামলার বাদী দেলোয়ার হোসেন খান এখনও আইনের উপর আস্থাশীল হয়ে আশা করছেন শীঘ্রই তিনি তার মেয়েকে আইনের মাধ্যমে খুজে পাবে। এ ব্যাপারে তিনি চাঁদপুর জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সুদৃষ্টি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।