খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ফরিদগঞ্জে স্কুলছাত্রী অপহরণ

এক মাসেও উদ্ধার হয়নি ভিকটিম, আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে।

ফারুক আহমেদ খান, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ৭:৪৮ অপরাহ্ণ
এক মাসেও উদ্ধার হয়নি ভিকটিম, আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে।

ফরিদগঞ্জে ১০ম শ্রেণি পড়ুয়া নাঈমা (১৫) নাবালিকা অপহরণের ১ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো সন্ধান মেলেনি তাঁর। থানায় নিয়মিত মামলা রুজু হলেও, আটক হয়নি এখন পর্যন্ত কোন অভিযুক্ত আসামীগং, উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ভিকটিম কিশোরী নাঈমাকে । নাঈমার বাবা মামলার বাদী সাংবাদিকদের জানান এজহারভূক্ত আসামীরা এলাকায় প্রকাশ্যে- ঘুরে বেড়াচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে এবং আমাকে এবং আমার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের সোঁনাচৌ খাঁন বাড়ির মোহাম্মদ দলিলুর রহমান এর একমাত্র কিশোরী নাবালিকা মেয়ে নাঈমা আক্তারকে (১৫) গত ২৮ আগষ্ট সকাল সাড়ে ৯টায় বাসারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনের রাস্তার উপর থেকে তেলিশাইর গ্রামের আমিন পাটোয়ারীর ছেলে বখাটে সাকিব হোসেন পাটোয়ারী সহ কয়েকজন অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। মেয়ের খোঁজ না পেয়ে ওই দিনই নাঈমার বাবা দলিলুর রহমান ফরিদগঞ্জ থানায় জিডি (সাধারণ ডায়রি) করেন।

নাঈমার বাবা দলিলুর রহমান জানান, পরবর্তীতে তিনি থানায় অপহরণ মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিলে থানা কর্তৃপক্ষ গড়িমসি করছে এ বিষয়টি প্রতিয়মান হলে তিনি ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের ১৯৬/২০২৫ দরখাস্ত মোকদ্দমা দায়ের করেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩০ দায়েরকৃত দরখাস্ত বিজ্ঞ আদালত সরাসরি এফ.আই.আর হিসেবে রুজু করতে অফিসার ইনচার্জ ফরিদগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশনা পেয়ে ওই দিনই থানা পুলিশ বাদীর আবেদনে উল্লেখিত সাকিব হোসেন পাটোয়ারী, আমিন হোসেন পাটোয়ারী ও আব্দুর রাজ্জাক পাটোয়ারীকে আসামী করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭/৩০ ধারায় অপহরণ মামলা রুজু করেন। কিন্তু সেই অপহরণের ঘটনার ১ মাস অতিবাহিত হলেও এখনো ভিকটিম উদ্ধার হয়নি। আসামীরাও রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। এঘটনায় এলাকার চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অভিভাবকরা তাদের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে রীতিমতো আতংকে রয়েছেন।

ভিকটিম নাঈমাকে উদ্ধার করতে না পারায় ও অপহরনকারীদের গ্রেফতারে ব্যর্থ হওয়ায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝে চরম ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। জানা গেছে, ভিকটিম উদ্ধার ও আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবীতে তেলিশাইর, সোনাচৌ গ্রামের জনগণ এবং বাসারা হাইস্কুলের ছাত্রছাত্রীরা মানববন্ধন সহ কঠোর আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ভিকটিমের বাবা মামলার বাদী মোহাম্মদ দলিলুর রহমান তথ্যপ্রযুক্তির অভূতপূর্ব উন্নতির এই যুগে পুলিশ তার মেয়েকে ১ মাসেও উদ্ধার করতে না পারায় প্রশাসনের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। মামলার বাদী ভিকটিমের বাবা মোহাম্মদ দলিলুর আশঙ্কা করছেন আদৌ তার মেয়ে বেঁচে আছে কিনা এনিয়ে তার সন্দেহ রয়েছে। দলিলুর রহমান আইনের প্রতি আস্থাশীল হয়ে আশা করছেন শীঘ্রই তিনি তার মেয়েকে পুলিশি তৎপরতায় খুঁজে পাবেন। এ ব্যাপারে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সহানুভূতি ও হস্তক্ষেপ কামনা করছেন

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।