খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাগুরায় মেয়ের বিয়েকে কেন্দ্র করে পরিবারের হুমকি,ছিনতাই  অতঃপর মামলা আসামি পলাতক

সোহেল রানা, বিশেষ প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ৯:২৯ অপরাহ্ণ
মাগুরায় মেয়ের বিয়েকে কেন্দ্র করে পরিবারের হুমকি,ছিনতাই  অতঃপর মামলা আসামি পলাতক
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার সোনাইকুন্ডি গ্রামে মেয়েকে বিয়ে দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরিবারকে হুমকি, ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। মামলা সূত্রে জানা যায়, শ্রীপুর থানার সি আর ২৪৫/২৪ অনুযায়ী গত ৩রা জুলাই, ২০২৪ ইং মোছাঃ ঝর্ণা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।ঘটনাটি ওই দিনের শ্রীপুর উপজেলার দূর্গাপুর আমিরুলের দোকানের পাশ্বে পাকা রাস্তার উপরে।উক্ত মামলার আসামি ১/ মোঃ রানা মোল্লা (২৫) পিতা মোঃ বাদশা মোল্লা ২/মোঃ মাজেদ লস্কর (২৪) পিতা মোঃ তালেব লস্কর গ্রামঃ দূর্গাপুর এদের নামে মামলা করেন।মামলার বিবরণে জানা যায়, মামলার বাদী ও আসামীদের বাড়ি পাশাপাশি গ্রামে অবস্থিত। মামলার দুইজন আসামি তারা পরস্পর বন্ধু।
বাদীর কন্যা মোছাঃ সানজিদা আক্তার অপিকে নিয়ে দীর্ঘদিন যাবত শত্রুতা চালিয়ে এসেছিলো।মামলার এক নং আসামি মোঃ রানা মোল্লা বাদীর কন্যাকে পথে ঘাটে প্রেম নিবেদন করে উত্যক্ত  করতো এবং বিয়ের প্রস্তাব দিতো।দীর্ঘদিন ধরে আসামিরা বাদীর পরিবারের সদস্যদের ক্ষতি করা চেষ্টা করতেছিলো।অতঃপর ঘটনার দিন বাদী তাঁর পিতার বাড়িতে যাওয়ার জন্য মামলার এক নং স্বাক্ষী মোঃ শিপন মিয়া পিতা মৃত আবুল কাশেম মিয়া গ্রাম তারাউজিয়াল তার মোটরসাইকেলে উঠে ঘটনাস্থলে আসে।পরে পাশেই বসে থাকা উক্ত আসামিরা এসে বাদীকে ঘিরে ধরে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলে তোর মেয়েকে আমার সঙ্গে বিবাহ না দিয়ে অন্যত্র বিবাহ দিলি কেন?
তোর মেয়েকে যেখানে পাইবো সেখান থেকেই অপহরণ করে নিয়ে আসবো আর না আসলে তোর মেয়েকে খুন করে ফেলবো।বাদী মহিলা হওয়ায় আসামিদের কথায় কোনো জবাব না দিয়ে তারাতাড়ি করে পিতার বাড়ি যেতে গেলে এক নং আসামি কাপড় টেনে ধরে এবং দুই নং আসামি হুকুম দিয়ে বলে যে,শালার মাগিকে ধর এই কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে  দুই নং আসামি  তার গলায় থাকা আট আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন যার মূল্য ৬০,০০০ (ষাট হাজার টাকা) ছিনিয়ে নেয় এবং এক নং আসামি তার হাতে থাকা ব্যাগ(পার্স) এ থাকা ২০,০০০ ( বিশ হাজার টাকা) কেড়ে নেয়।উক্ত আসামিরা তার পড়নের কাপড় চোপড় টানা হেচড়া করে বে- আব্রু করে ফেলে।
পরে এক নং আসামি দোকান হইতে ঝাপের লাঠি এনে বাদীর পায়ে,পিঠে ও মাজায় বাড়ি মেরে জখম করে।বাদীর ডাক চিৎকারে স্বাক্ষীরা ঘটনাস্থলে আসলে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায় এবং বলে যায়,এই বিষয় নিয়ে যদি কোনো প্রকার মামলা হয় তাহলে জীবনের মতো শেষ করে দিবো।পরে মামলার তিন নং স্বাক্ষী মোঃ রওশন লস্কর পিতা মৃত তাছেম লস্কর গ্রামঃ দূর্গাপুর বাদীকে উদ্ধার করে তাঁর পিতার বাড়িতে গিয়ে স্থানীয় ডাক্তার দিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। উল্লেখিত অভিযোগে মামলা হলে এ পর্যন্ত আসামি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।