খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

সোহেল রানা, (গলাচিপা) পটুয়াখালী
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:১২ অপরাহ্ণ
ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামি গ্রেফতার

পটুয়াখালীর গলাচিপায় চাঞ্চল্যকর মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি মাসুদুর রহমানকে অবশেষে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। দীর্ঘ প্রায় চার মাস ধরে পলাতক থাকার পর বৃহস্পতিবার সকালে তাকে নিজ বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এই গ্রেফতারের মধ্য দিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটলো। গলাচিপা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার গোলখালী ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের ইনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন মাসুদুর রহমানের নিজ বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ জুন, যখন গোলখালী নূরে মদিনা মহিলা হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রী জান্নাতুলের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। প্রাথমিকভাবে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ সাপের কামড়ে মৃত্যুর দাবি করলেও, জান্নাতুলের বাবা আলী আকবর এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে জানান যে তার মেয়েকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। পরবর্তীতে ময়নাতদন্তের প্রাথমিক প্রতিবেদনে ধ’র্ষ’ণ ও হত্যার আলামত পাওয়া যায়, যা ঘটনাটিকে নতুন মোড় দেয়। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে, চলতি বছরের ২৯ জুন আলী আকবর বাদী হয়ে পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন মন ট্রাইব্যুনালে নারী ও শিশু নি’র্যা’তন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(২) ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় মাদ্রাসার পরিচালক মাসুদুর রহমানকে প্রধান আ’সা’মি এবং তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে দ্বিতীয় আ’সা’মি করা হয়। আদালতের নির্দেশে গলাচিপা থানা মা’ম’লাটি নিয়মিত মা’ম’লা হিসেবে নথিভুক্ত করে ত’দ’ন্ত শুরু করে। চার মাসেরও বেশি সময় ধরে পলা’তক থাকার পর প্রধান আ’সা’মি মাসুদুর রহমানের গ্রে’ফ’তার, এই মা’ম’লার ত’দ’ন্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ভুক্তভোগী জান্নাতুলের বাবা আলী আকবর তার মেয়ের হ’ত্যার সুষ্ঠু বি’চার এবং আ’সা’মিদের সর্বোচ্চ শা’স্তি মৃ’ত্যু’দ’ণ্ড দা’বি করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মা’ম’লাটি গুরুত্বের সাথে ত’দ’ন্ত করা হচ্ছে এবং দ্রুততম সময়ে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।