খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শায়েস্তাগঞ্জে চাহিদার চেয়ে ওএমএস আটা বিক্রি বরাদ্দ কম থাকায় খালি হাতে ফিরছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৫ অপরাহ্ণ
শায়েস্তাগঞ্জে চাহিদার চেয়ে ওএমএস আটা বিক্রি বরাদ্দ কম থাকায় খালি হাতে ফিরছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ

বর্তমান বাজারে নিত্য পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় খোলা বাজারে ( ওএমএস ) নিম্ন ও মধ্যবিত্ত নারী-পুরুষের ভীড় দিন দিন বেড়েই চলছে । চাহিদার তুলনায় আটা বরাদ্দ কম থাকায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার পৌরশহরে অনেকেই ফিরছেন খালি হাতে । পাশাপাশি সিদ্ধ চাল বরাদ্দ বন্ধ থাকায় বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষ । উপজেলার পৌরশহরে দাউদনগর বাজার হবিগঞ্জ রোড এবং হাসপাতাল সড়ক জহুর আলী মার্কেট এলাকায় ওএমএস বিক্রয় কেন্দ্রে এমন পরিস্থিতি সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে । এসময় প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্রে আটা কিনতে নারী- পুরুষের দীর্ঘ সারি লাইন দেখা যায় । সারি লাইন ঠিক করা নিয়ে প্রায়ই ঝগড়া চলছে ক্রেতাদের মাঝে । বিক্রেতা মধ্যে হিমসিম খেতে হচ্ছে । তবে সরকারি ছুটি দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ১০ টা থেকে ওএমএস ডিলাররা ৫ কেজি করে আটা বিক্রি করছেন । এক পর্যায়ে দুপুর গড়ানো আগেই প্রতিটি কেন্দ্রে ৫শ কেজি আটা ১শ জনকে মাঝে বিক্রি করে দেন। বিক্রি সময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ে প্রতিনিধি উপস্থিত থাকতে দেখা যায় । দাউদনগর বাজারে ওএমএস ডিলার সাবেক কাউন্সিলর মোঃ মাসুক মিয়া জানান , হবিগঞ্জ জেলার মধ্যে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় ৭০% হতদরিদ্র পরিবার। বেশির ভাগ মানুষ দিন মজুরি , শ্রমিক রয়েছে । এছাড়া কোম্পানি হওয়াতে অসংখ্য নারী-পুরুষ ভাসমান রয়েছে হতদরিদ্র । সকালে বিক্রয় কেন্দ্র খোলা সাথে সাথেই পুরুষের চেয়ে নারী সংখ্যা বেশি । এর মধ্যে ভোর সকাল থেকে বিক্রয় কেন্দ্রে সামনে স্থান দখল করে লাইনে দাড়িয়ে থাকে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত লোক জন । অথচ পৌর সভায় ৯টি ওয়ার্ডে মোট ৬ জন ওএমএস ডিলার নিয়োগ দেয়া হয় । এর মধ্যে ৬ জন ডিলার স্থলে ২ জন ডিলার মাধ্যমে ১ হাজার কেজি আটা ২ শ জনের মাঝে বিক্রি করতে হয় । যা জনপ্রতি ৫ কেজি আটা । চাহিদার বিপরীতে সরকারি আটা কম হওয়ায় দুই বিক্রয় কেন্দ্রে হাজারো উর্ধে নারী-পুরুষরা আটা পায়না। শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা যায় , ১ সেপ্টেম্বর থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পৌর সভায় দুটি বিক্রয় কেন্দ্রে ৯ টি ওয়ার্ডে মহল্লায় আটা বিক্রি করছে । সে মোতাবেক রেশনিং পদ্ধতিতে প্রতি ডিলার সরকারি বরাদ্দ ৫শ কেজি আটা বিক্রি করতে পারবে । অর্থাৎ ওএমএস ডিলার তার বরাদ্দকৃত আটা ২৪ টাকা কেজি দরে প্রতি জনকে ৫ কেজি করে মোট ১ জনকে দেয়া হবে । বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে , বর্তমান খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৫ – ৪৮ টাকা ও প্যাকেট জাত আটা ৫২ – ৫৫ টাকা । সেখানে ওএমএস আটা প্রতি কেজি ২৪ টাকা বিক্রি হয় । আবার অনেকেই ওএমএস আটা ক্রয় করে গ্রামে , হোটেল রেস্টুরেন্ট বা বাজারে মুদি দোকানে ৩৫- ৪০ টাকা ধরে বিক্রি করে দেয় । এদিকে পৌর সভার দাউদনগর মহল্লার রেল স্টেশন ক্ষুদ্র ফল ব্যবসায়ী মোঃ ছায়েদ আলী বলেন , বাজারের চেয়ে কম দামে আটা ওএমএস ডিলার কাছে আটা পাওয়ায় দিন মজুরি , শ্রমিকদের জন্য অনেক সুবিধা । তাই প্রতিদিন প্রতিটি বিক্রয় কেন্দ্রে ৫ শতাধিক নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের আটা কিনতে আসছেন । এ কারণে ভীড় ও বেশি । বাগুনীপাড়া আশ্রয়ন প্রকল্পের মোহাম্মদ আলী ও আবু রবি দাস বলেন , ভাতের পাশাপাশি রুটি খেতে অনেকেই পছন্দ করে এবং অসুস্থ রোগীরা আটা ক্রয় করে নিতে ইচ্ছুক । অবশ্য আমরা ৫ কেজি আটা ১২০ টাকা করে নিচ্ছি। পৌর সভায় ৬ জন নিয়োগকৃত ডিলারকে ৩ হাজার কেজি আটা বরাদ্দ দেয়া যায় বা বর্তমান দুই ডিলারকে ৩ হাজার কেজি আটা দেয়া হলে নিম্ন মধ্য বিত্তরা আটা পেয়ে যাবে । আমরা দাবি সরকারি আটা আরো বরাদ্দ দেয়া হউক । এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকতা মোঃ রেজাউল ইসলাম বলেন , বর্তমান ৬ জন ডিলার মধ্যে ২ জনকে ১ হাজার কেজি আটা প্রতিদিন দেওয়া হচ্ছে । ১ হাজার কেজি আটা দুই ডিলার ২ শ জনের মাঝে বিক্রি করবে । পর্যায় ক্রমে ঐ ডিলারকে ধাপে ধাপে দেওয়া হবে । ওএমএস আটা বরাদ্দ মন্ত্রণালয় থেকে নিয়ন্ত্রণ হয় । বরাদ্দ বাড়ানো – কমানোর বিষয়টি আমাদের হাতে নেই । আর আটা বরাদ্দ বাড়ানো জন্য বিষয়টি আমাদের আলোচনায় আছে । অনুমতি পেলেই বিক্রয় কেন্দ্রে আটা দেওয়া হবে । এ প্রসঙ্গে শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব হোম দাস বলেন , পৌর সভায় নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সংখ্যা খুব বেশি । ওএমএস আটা দাম কম হওয়ায় মানুষের ভীড় হচ্ছে । আমি চেষ্টা করছি সরকারি আটা বরাদ্দ বাড়ানো জন্য উর্ধতনের কাছে জানানো হয়েছে ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।