খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মেয়ের ১ম সংসার শুরু মায়ের ৩য় স্বামীর সাথে

একের পর এক বিয়ে করাই যেন মা-মেয়ের পেশা

নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৬:৫৯ অপরাহ্ণ
একের পর এক বিয়ে করাই যেন মা-মেয়ের পেশা

বয়স তার ৩৬, নাম হাবিবা খানম নূপুর, এই বয়সেই তিন স্বামীকে ত্যাগ করে, করছেন চতুর্থ স্বামীর সংসার, বলছি গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের ছৈলাদী গ্রামের মা বিলকিস এবং মেয়ে হাবিবা খানম নূপুরের কথা। বিয়ের পর কিছুদিন সংসার করে স্বামীকে স্বর্বশান্ত করাই যেন তাদের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। আকর্ষণীয় চেহারায় আকৃষ্ট হয়ে সব হারাচ্ছেন হাবিবা খানম নূপুর এবং তার মা বিলকিস এর প্রতারণার শিকার হওয়া পরিবারগুলো। প্রথমে প্রেমের সম্পর্ক, এরপর বিয়ে, তালাক ও পরে কাবিননামার টাকা আদায় ও নারী নির্যাতনের মামলা দিয়ে টাকা আদায়। এমন প্রতারণায় নেমেছে এক শ্রেণির নারী।

তেমনই দুইজন মা-মেয়ের গল্প এই প্রতিবেদনে। যাদের কাজই হচ্ছে একের পর এক বিয়ে করা। এক কাবিননামায় দেখা যায়, ২০০৩ সালের ১৬ জুলাই মুন্মিগঞ্জ জেলার সিরাজদিখান থানার শেখের নগর এলাকার আব্দুল মান্নান এর ছেলে পুলিশের(এস.আই) মাহফুজুর রহমানকে বিয়ে করে বিলকিস তার কয়েক বছর পর ২০০৯ সালের ২৩ ডিসেম্বর পুলিশের ঐ (এস.আই) মাহফুজুর রহমানকে বিয়ে করেন পিতা সাজু চৌধুরী এবং মাতা বিলকিস এর মেয়ে হাবিবা খানম নূপুর। নূপুরের বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২নং আদালত, ঢাকা মাহফুজুর রহমানের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করে নূপুর, যাহার নং ২২৩/১০।

এ মামলা নিষ্পত্তির অল্প কিছুদিনের মধ্যেই হাবিবা খানম নূপুর বাবার নাম পরিবর্তন করে নয়ন ব্যবহার করে ২০১১ সালের ৩০ ডিসেম্বর গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানার ছৈলাদী গ্রামের মো: ইসহাক পনির মিয়ার ছেলে মাহমুদুর রহমান এর কাছে বসলেন ২য় বিয়ে। ২য় বিয়ের এক বছর পের হতে না হতেই ২০১৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিয়ে বসলেন গাজীপুরের উত্তর ছায়াবথিী এলাকার মোজাম্মেল হকের ছেলে মো: খুরসিদুল হক(ইমন) এর কাছে। ১ম, ২য, ৩য় তিন স্বামীর কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে বাদী হাবিবা খানম নূপুর আদালতে হাজির হয়ে মামলাটি তুলে নেওয়ার আবেদন করেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বাদী তার মোহরানাসহ যাবতীয় পাওনা বুঝে পেয়ে বিবাদী স্বামীর সাথে আপোষ মীমাংসা করেছেন।

বর্তমানে তিনি আছেন ৪র্থ স্বামীর সংসারে। শুধুমাত্র বহু বিবাহ নয় বিলকিস নিজ গ্রাম ছৈলাদী এলাকায় সি, এস/এস এ ৫৭০ এবং ৫৭১ দাগে জমি দাবি করে একাধিক সালিশ বসলেও কোন সঠিক কাগজপত্র দাখিল করতে না পারে নাই এবং অবশিষ্ট কোন জমি পাবে না। ২০০৭ সালের ১০ই ডিসেম্বর তৎতকালীন চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ দেওয়ান এবং ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর তৎতকালীন চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান কর্তৃক প্রদান কৃত প্রতিবেদন এর মাধ্যমে যানতে পারা যায় যে বিলকিস যতটুকু জমি পায় তার থেকে বেশি বিক্রি করায় উক্ত ৫৭০ এবং ৫৭১ দাগে আর কোন জমিন পায় না। কিন্তু বর্তমানে উক্ত দাগে বিলকিস জোর পূর্বক জমি দখল করে আছে।

এসব বিষয়ে বিলকিস এবং হাবিবা খানম নূপুরের মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি বলে তার কোন বক্তব্য য়ো যায়নি। এ ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে গুঞ্জন উঠেছে হাবিবা খানম নূপুরের এ প্রতারণার শেষ কোথায়?

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।