খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

১২ ইউনিয়নের গণসংযোগ শেষে বিএনপি নেতা হাসান মামুন

 হেলিকপ্টারের নেতা নই, আমি আপনাদেরই সন্তান 

সোহেল রানা, গলাচিপা পটুয়াখালী
প্রকাশিত: শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৩:৫১ অপরাহ্ণ
 হেলিকপ্টারের নেতা নই, আমি আপনাদেরই সন্তান 

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যাপক গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক ছাত্রনেতা হাসান মামুন। এরই ধারাবাহিকতায় গলাচিপা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে সমাবেশ ও মতবিনিময় কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করেছেন তিনি। গলাচিপা উপজেলার চিকনি কান্দী ইউনিয়নের সমাবেশের মধ্য দিয়ে হাসান মামুনের এই ধারাবাহিক কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে। প্রতিটি ইউনিয়নেই সাধারণ মানুষের উপস্থিতি ও উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। সমাবেশে হাসান মামুন তার বিরুদ্ধে চলা নানা অপপ্রচার ও ষড়যন্ত্রের কড়া জবাব দেন। স্থানীয় ভোটারদের উদ্দেশ্যে আবেগঘন বক্তব্যে তিনি বলেন, “আমি উড়ে আসা কোনো নেতা নই। আমার কোনো হেলিকপ্টার নেই, আমি অমিত বিত্ত-বৈভবের মালিকও নই। আমি এই মাটির সন্তান। আমি আপনাদের কারো সন্তান, কারো নাতি আবার কারো ভাগিনা। আপনাদের ভালোবাসা আর সমর্থনই আমার একমাত্র শক্তি।” নির্বাচনী সমীকরণ ও দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে হাসান মামুন জানান, তিনি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করার জন্য পূর্ণ প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে জোটগত রাজনীতি বা অন্য কোনো কারণে প্রতীক পেতে জটিলতা সৃষ্টি হলে, তিনি পিছু হটবেন না। এলাকাবাসীর স্বার্থে প্রয়োজনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করে শেষ পর্যন্ত মাঠে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এই নেতা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাসান মামুনের জনপ্রিয়তা ঈর্ষান্বিত হয়ে প্রতিপক্ষরা তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা চালাচ্ছে। তবে আজকের জনসমুদ্রে দাঁড়িয়ে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কোনো ষড়যন্ত্রই তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতে পারবে না। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মতে, গলাচিপা ও দশমিনা আসনে হাসান মামুনের শক্ত অবস্থান রয়েছে এবং তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচ্ছন্ন ইমেজের নেতা হিসেবে পরিচিত। ১২টি ইউনিয়নে সফল গণসংযোগ শেষে এখন তিনি চূড়ান্ত লড়াইয়ের অপেক্ষায়।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।