খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক ওরস

শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৯ অপরাহ্ণ
১৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে চুনারুঘাটে মুড়ারবন্দ দরবার শরীফে ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক ওরস

হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক মুড়ার বন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে আগামী ১৪ জানুয়ারি বুধবার থেকে ৩ দিন ব্যাপী ৭০৫ তম পবিত্র বাৎসরিক ওরস মোবারক শুরু । পবিত্র বাৎসরিক ওরস শেষ হবে ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার)। ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফি বলেন, সিলেট পণ্য ভূমিতে শায়িত হযরত শাহজালাল (রহঃ) এর ৩৬০ আউলিয়ার মধ্যে বহুল আলোচিত ব্যক্তিত্ত্ব প্রধান সেনাপতি তরফ রাজ্য বিজয়ী (মদনী) হযরত সৈয়দ শাহ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার (রহঃ) মদিনা শরীফে জন্ম গ্রহন করেন ১২৫০ খ্রীষ্টব্দে।

তিনি বাগদাদ থেকে দিল্লিতে এসে সুলতান আলা উদ্দিন খিলজির অধীনে ফৌজি বিভাগে যোগদান করেন। তার কামালিয়াতে পরিচয় পেয়ে শাহী সৈন্য বাহিনীর নেতৃত্বে সিলেট অঞ্চলে বিজয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। পথি মধ্যে সিলেট অঞ্চলে হযরত শাহজালাল ইয়েমনী (রহঃ) সঙ্গে মোলাকাত হয় হযরত সৈয়দ শাহ নাসির উদ্দিন সিপাহসালার (রহঃ) । এসময় মুসলমানদের উপর রাজা গৌর গোবিন্দ অত্যাচারের সংবাদ পেয়ে শাহী সৈন্যদের সঙ্গে যোগদান করতে সম্মতি প্রকাশ করেন তিনি। ৭০৩ হিজরি ১৩০৩ খ্রীষ্টাব্দে সিলেট অঞ্চলকে বিজয়ের পর এ তরফ রাজ্য বিজয় করেন । ১৩০৪ খ্রীষ্টাব্দে মুড়ারবন্দ নামক স্থানে তরফ রাজ্যের শাসনকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হয়ে বসতি স্থাপন করেন।

তিনি মৃত্যুর পূর্বে বলে ছিলেন , তার দেহ মোবারক পূর্ব – পশ্চিমে দাফন করার জন্য নির্দেশ দেন কিন্তু তাঁর সঙ্গী সাথিরা এ আদেশ গুলো কেহই মানলেন না। শরিয়তের বিধান মতে তার দেহ উত্তর – দক্ষিণ দাফন করেন আশেকান ভক্ত বৃন্দরা । তার দেহ দাফন করার ৪০ কদম দূরে যাওয়ার পর বিকট শব্দ অলৌকিক ভাবে মাজার শরীফ পূর্ব পশ্চিম ঘুরে যায়। তিনি মাজার শরীফ এখনো পূর্ব পশ্চিমে রয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ৩ দিন ব্যাপী বার্ষিক পবিত্র ওরশ সামনে রেখে এখন থেকে বিভিন্ন পণ্য দোকান পাঠ ও কাফেলা বসার জন্য স্থান নির্ধারণ করে নিচ্ছে ।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পবিত্র বাৎসরিক ওরশ সফল করার লক্ষ্য দেশের বিভিন্ন স্থান হতে জাতি , ধর্ম নির্বিশেষে চুনারুঘাট উপজেলার ঐতিহাসিক মুড়ার বন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফে পূর্ব – পশ্চিমে শায়িত হযরত সৈয়দ শাহ নাসির সিপাহসালার (রহঃ) এর পবিত্র বার্ষিক ওরসে যোগ দেবেন। উক্ত তিনদিন ব্যাপী বার্ষিক পবিত্র ওরশে অংশ গ্রহনের জন্য সারা দেশের ঐতিহাসিক মুড়ারবন্দ দরবার শরীফের আশেকান ভক্ত বৃন্দকে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন মুড়ারবন্দ ১২০ আউলিয়া দরবার শরীফের মোতাওয়াল্লী পীরজাদা আলহাজ্ব সৈয়দ সফিক আহমেদ চিশতী সফি এবং বিস্তারিত জানতে ০১৭১৬ ১৩৭৯৬১।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।