খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

মাধবপুরে শেখ বাহার মিয়া নামে ১ ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যাংক ও সংস্থা থেকে অর্ধকোটি লোন নিয়ে বিদেশে পালিয়েছে

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:০৪ অপরাহ্ণ
মাধবপুরে শেখ বাহার মিয়া নামে ১ ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যাংক ও সংস্থা থেকে অর্ধকোটি লোন নিয়ে বিদেশে পালিয়েছে

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার যুবলীগ নেতা শেখ মোঃ বাহার মিয়া (৩৫) নামে এক ব্যবসায়ী বিভিন্ন ব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থা থেকে অর্ধ কোটি টাকা নিয়ে সৌদি আরবে পালিয়েছে অভিযোগ পাওয়া যায় ।

উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থা সূত্রে জানা যায় , মাধবপুর উপজেলার নোয়াপাড়া ইউনিয়নের শাহপুর ( আলী নগর) গ্রামের মৃত- উনু মিয়া ছেলে নোয়াপাড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ বাহার মিয়া দীর্ঘ দিন ধরে নোয়াপাড়া ইউনিয়নে শাহপুর এলাকায় একটি দোকান ঘর ভাড়া নিয়ে ” মা এন্টার প্রাইজ ” নাম দিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছে । এদিকে দোকান ব্যবসা করার জন্য বিগত আওয়ামীলীগের সময় দলীয় প্রভাব দেখিয়ে দোকান ঘর ও পুঁজি দেখিয়ে রূপালী ব্যাংক মাধবপুরে নোয়াপাড়া শাখা থেকে ২৫ লক্ষ টাকা , আই এফ আই সি ব্যাংক থেকে ১২ লক্ষ টাকা , বীজ অফিস থেকে ৬ লক্ষ টাকা , আশা ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা , টি এম এস এস ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা , ইনডেভার ব্যাংক থেকে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা , হবিগঞ্জ উন্নয়ন সংস্থা থেকে ৪ লক্ষ টাকা , ব্র্যাক ব্যাংক জগদীশপুর শাখা থেকে ২ লক্ষ টাকা ঋণ উত্তোলন করে নিয়েছে ।

ব্যাংক ও অন্যান্য সংস্থা ঋণ গুলো পরিশোধ না করেই ২০২৪ সালে আওয়ামীলীগ সরকার পতন হওয়ার সাথেই যুবলীগ নেতা শেখ মোঃ বাহার মিয়া সৌদি আরবে পালিয়ে যায় । খোঁজ নিয়ে জানা যায় , শেখ মোঃ বাহার মিয়ার বসত ভিটা সহ কোনো কৃষি জমি নেই । সে একই ইউনিয়নে শাহপুর (আলী নগর) গ্রামের মোঃ রহমত আলী কন্যা মোছাঃ হাবিবা খাতুনকে বিবাহ করে ঘরজামাই হিসাবে মাতা – সায়েরা খাতুন নিয়ে বসবাস করে যাচ্ছে । শেখ মোঃ বাহার মিয়া মামা শশুর মোঃ রহমত আলী । শেখ মোঃ বাহার মিয়া সৌদিতে পালিয়ে যাওয়ার পর তাদের পরিবার সংসার পরিচালনা করে যাচ্ছেন মামা শশুর মোঃ রহমত আলী ।

অপরদিকে শেখ মোঃ বাহার মিয়া বিদেশে কোম্পানি ভালো ভিসা দিয়ে লোক নেওয়ার কথা বলে বেশ কয়েকজন কাছ থেকে বিভিন্ন প্রলোভন দিয়ে অর্ধ কোটি টাকা নিয়েছে প্রতারণা করে বলে নোয়াপাড়া ইউনিয়নের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সদস্য জানান। ফেসবুকে মানহানি মিথ্যা অপবাদ ও প্রাণ নাশের হুমকি দিচ্ছে প্রতারক শেখ মোঃ বাহার মিয়া সহ পরিবার বিরুদ্ধে আইনে প্রক্রিয়া যাচ্ছে ।

 

 

 

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।