খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

শ্রীপুরে ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখলেন জেলা প্রশাসক

অমুলেন্দু, শ্রীপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
শ্রীপুরে ভোটকেন্দ্র ঘুরে দেখলেন জেলা প্রশাসক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য জুলাই সনদের ওপর গণভোটে কোনো ধরনের শৈথিল্য, অনিয়ম কিংবা প্রভাব বিস্তারের সুযোগ দেওয়া হবে না এই কঠোর বার্তা দিয়ে মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার আটটি ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্র সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। মঙ্গলবার সকাল থেকে এই পরিদর্শনে ভোটগ্রহণ ব্যবস্থায় প্রশাসনের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও প্রস্তুতির চিত্র তুলে ধরা হয়। শ্রীপুর উপজেলার গয়েশপুর, আমলসার, শ্রীকোল, শ্রীপুর, দ্বারিয়াপুর, কাদিরপাড়া, সব্দালপুর ও নাকোল এই আটটি ইউনিয়নের মোট ৫৮টি ভোটকেন্দ্রের ৩১৬টি ভোটকক্ষ পরিদর্শন করেন জেলা প্রশাসক।

প্রশাসন ও জেলা নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপন, কেন্দ্রভিত্তিক নিরাপত্তা বলয়, নারী ও প্রতিবন্ধীবান্ধব বুথ, বিদ্যুৎ ও বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা এবং ভোটগ্রহণ সংশ্লিষ্ট জনবল চূড়ান্তকরণসহ সব প্রস্তুতি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাচন কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী,উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৫৭ হাজার ৬২৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭৮ হাজার ৮১০ জন এবং নারী ভোটার ৭৮ হাজার ৮১৪ জন। ভোটারদের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে কেন্দ্রভিত্তিক পৃথক নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক ভোটকেন্দ্রের প্রবেশ ও বাহির পথ, ভোটার লাইনের শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সিসি ক্যামেরা মনিটরিং ও সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ দিকগুলো সরাসরি যাচাই করেন। একই সাথে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালনে গাফিলতি প্রমাণিত হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট একই দিনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব। এখানে কোনো ধরনের অনিয়ম, শৈথিল্য কিংবা প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা বরদাশত করা হবে না। জেলা প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে মাঠে রয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল কাদের বলেন, মাঠপর্যায়ের প্রতিটি কার্যক্রম জেলা প্রশাসনের সরাসরি তদারকিতে চলছে। ভোটকেন্দ্র ব্যবস্থাপনা, দায়িত্বপ্রাপ্ত জনবলের ভূমিকা ও শৃঙ্খলা সবকিছু কঠোরভাবে নজরদারিতে রয়েছে। কোনো পর্যায়ে ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ভোটকেন্দ্রগুলোকে ঘিরে পুলিশ, আনসার ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে স্তরভিত্তিক নিরাপত্তা বলয় গঠন করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতা প্রতিরোধে আমরা সর্বোচ্চ প্রস্তুত।

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা( ভারপ্রাপ্ত) মোঃ আব্দুর রহমান জানান, ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ, কেন্দ্র ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে সম্প্রতি জাতির উদ্দেশে ভাষণে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। একটি প্রশ্নের মাধ্যমে চারটি বিষয়ের ওপর ভোটাররা ‘হ্যাঁ’ অথবা ‘না’ ভোট প্রদান করবেন। পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসকের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মাগুরা আর্মি ক্যাম্প কমান্ডার, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সালেক মূহিদসহ সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী ও সাংবাদিকবৃন্দ।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।