খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসন

চিংড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর জনপ্রিয়তায় দিশেহারা ধানের শীষ প্রার্থী

ঢাকার ডাক ডেস্ক
প্রকাশিত: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০৬ অপরাহ্ণ
চিংড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থীর জনপ্রিয়তায় দিশেহারা ধানের শীষ প্রার্থী

জাতীয় সংসদ নির্বাচন চাঁদপুর- ৪ ফরিদগঞ্জের নির্বাচনী প্রচার প্রচারনা তুঙ্গে। নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন, অনবরত স্বতন্ত্র প্রার্থী কর্মীদের উপর হামলা, প্রাণনাশের হুমকী-ধামকী কিছু দিয়েই চিংড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএ হান্নানের জনপ্রিয়তাকে দমাতে পারছে না ধানের শীষ প্রার্থী লায়ন হারুনুর রশীদ। ধানের শীষের পরাজয় নিশ্চিত জেনে ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের কর্মীরা সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাচ্ছে। বিষয়টির জন্য জনগণ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং কিছু কিছু এলাকায় ধানের শীষ প্রার্থী লায়ন হারুনুর রশীদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করেছে। এতে করে নির্বাচনের মাঠে পরাজয়ের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে আবোল-তাবোল বকছেন লায়ন হারুনুর রশীদ।

প্রতিদিনই ফরিদগঞ্জের বিভিন্ন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্ধী এম এ হান্নানের চিংড়ি মাছ প্রতীকের  পক্ষে বিশাল গণ মিছিল ও পথ সভা করা হচ্ছে। নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের চিংড়ি প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় স্বত:স্ফূর্ত সাড়া দেখা গেছে। এদিকে, স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এম. এ. হান্নানের চিংড়ি প্রতীকের বিজয় নিশ্চিত করতে নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন দুই শিল্পপতি ও ভায়রা ভাই। তারা হলেন- চিংড়ি প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হান্নান নিজে এবং একই আসনে ইসলামী ফ্রন্ট মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব আব্দুল মালেক বুলবুল। এলাকাজুড়ে এই দুই ভায়রা ভাই শিল্পপতি ও সমাজসেবক হিসেবে সুপরিচিত। দু’জনের গ্রামের বাড়িও ফরিদগঞ্জ উপজেলাতেই।

আলহাজ্ব এম. এ. হান্নানের বাড়ি ৪ নম্বর সুবিদপুর ইউনিয়নের সোল্লা গ্রামে এবং আলহাজ্ব আব্দুল মালেক বুলবুলের বাড়ি ১৪ নম্বর ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামে। সোমবার ফরিদগঞ্জ দক্ষিণ ইউনিয়নে চিংড়ি প্রতীকের সমর্থনে উভয় প্রার্থীকে একসঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে দেখা যায়। এ সময় তাদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায়ী মুকুল পাটোয়ারী, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও বর্তমানে দল থেকে বহিষ্কৃত নেতা আমানত গাজী, মাহবুবুর রহমান মফু, সফিউল আলম বাশার মুকুলসহ বিভিন্ন পর্যায়ের স্থানীয় নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন পর দুই ভায়রা ভাইকে একসঙ্গে নির্বাচনী মাঠে চিংড়ি প্রতীকের পক্ষে সক্রিয়ভাবে প্রচারণায় অংশ নিতে দেখে এম. এ. হান্নানের অনুসারী নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। তারা মনে করছেন, এই ঐক্য চিংড়ি প্রতীকের বিজয়কে আরও দৃঢ় করবে।

এদিকে, চাঁদপুর ৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনে  স্বতন্ত্র প্রার্ধী এম এ হান্নানের চিংড়ি  মাছ  প্রতীকের  পক্ষে বিশাল গণ মিছিল ও পথ সভা করা হয়। সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নের  লক্ষ্মীপুর চৌরাস্তা,মদিনা বাজার রাস্তা, মোল্লাবাড়ির সামনে  ও উভারামপুর চৌরাস্তায় পথসভা করেন। এসব সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বত্তব্য রাখেন যমুনা গ্রপের পরিচালক (বাণিজ্যিক), জাতীয় পত্রিকা ‘দৈনিক ঢাকার ডাক’ এর সম্পাদক ও প্রকাশক, এলাকার কৃতী সন্তান এ, বি, এম শামছুল হাসান হিরো। অন্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন  উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ফারুক আহমেদ খান, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহাবায়ক ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বেলায়েত হোসেন, বিএনপি নেতা  ইমান হোসেন, সুমন পাটোয়ারী, হান্নান পাটোয়ারী, এমরান হোসেন প্রমুখ। পরে বিশাল গণ মিছিল এলাকার বিভিন্ন সড়ক  প্রদক্ষিণ করে। উক্ত পথসভায় এলাকার গণ্যমাণ্য ব্যাক্তিবর্গও উপস্থিত ছিলেন।

চিংড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এম এ হান্নান বলেন, ‘সকলের কাছে শেষবারের মতো জোরালো অনুরোধ-একবারের জন্য চিংড়ি প্রতীকে ভোট দিন। আমাকে নির্বাচিত করুন। আমি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আপনাদের পাশে থাকতে চাই। অতীতে দলমত নির্বিশেষে এ এলাকার উন্নয়নে কাজ করেছি, আগামীতেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চাই। দল থেকে আমি মনোনয়ন চেয়েছিলাম, কিন্তু মনোনয়ন পাইনি। তবে জনগণই আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। তাদের আহ্বান ও ভালোবাসার কারণেই আমি নির্বাচনে নেমেছি। এমএ হান্নান অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণের শুরু থেকেই আমি শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু প্রতিযোগিতার প্রত্যাশা করেছিলাম। কিন্তু দুঃখজনকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ মাঠের লড়াইয়ে না নেমে সহিংসতা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে। আমার নির্বাচনী প্রচারের মাইক ভাঙচুর করা হয়েছে, গাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়েছে। এমনকি আমার নেতাকর্মীদের মারধর করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এসব ঘটনার বিষয়ে আমি প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।

প্রশাসন ইতোমধ্যে কিছু ব্যবস্থা নিয়েছে এবং কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছে। তবে আটক করার পর যদি আবার ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে সন্ত্রাসীদের তৎপরতা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের স্বার্থে প্রশাসনের প্রতি আমার জোর দাবি- সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এমএ হান্নান বলেন, আমার বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হলেও আমি আদর্শিকভাবে বিএনপির একজন কর্মী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ থেকে আমাকে কেউ বিচ্যুত করতে পারবে না। তিনি বলেন, আমি চিংড়ি প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। জনগণ আমাকে ভালোবাসে, সেই ভালোবাসার প্রতিফলন ভোটের মাধ্যমে তারা প্রমাণ করবে বলেই আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।’

প্রকৃত অর্থে হারুনুর রশিদ প্রথমবার এমপি হওয়ার পর কোনদিন এলাকাতে যাননি। কিন্তু স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব এমএ হান্নান দীর্ঘ ১৬টি বছর জেল জুলুম খেটেছে, জনগণের পাশে থেকেছে কোটি কোটি টাকা খরচ করেছে এলাকার উন্নয়নে জনগণের কল্যাণে, সে কারণেই তার জনপ্রিয়তা এত বেশি। এদিকে লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী যিনি বঙ্গবন্ধু সমাজ কল্যাণ সংঘের লাইভ মেম্বার। উনার জনপ্রিয়তা নাই বললেই চলে। বিএনপি’র সমর্থন ছাড়া নির্বাচনে দাঁড়ালে তার নিজের ইউনিয়নেই বিপুল ভোটে পরাজিত হবেন। জনতা রায় এমএ হান্নানের পক্ষে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন জামায়েত সমর্থিত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী। স্থানীয় এলাকার ঘুরে এবং বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম এবং পত্র-পত্রিকা থেকে যে বিষয়গুলো জানা যায় সেখানে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ একজন ধূর্ত এবং অতিশয় চালাক মানুষ। তার ধারণা সে বিএনপি’র সমর্থন পেয়েছে সে কারণে সে একটা বিশাল ভারী জিনিস অর্জন করেছে মানুষ এই কারণেই তাকে ভোট দিবে।

প্রকৃত অর্থে এটা সঠিক নয়, তার ধারণা ভুল। তিনি নিরপেক্ষ এবং যারা তার মতামতের আদর্শের বিপরীতে তাদেরকে হামকি ধমকি দিয়ে, অফিস মাইক ভাঙচুর করে, বয়োবৃদ্ধ  স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বারকে হত্যা করার জন্য নিদারুণ  ভাবে জখম করেছে। সেই কাদের মেম্বার এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। এলাকার স্থানীয় গুন্ডা পাণ্ডাদের লেলিয়ে ৩ নং সুবিদপুর ইউনিয়নের এক নাম্বার ওয়ার্ডের বয়বৃদ্ধ ডাক্তার যিনি হারু ডাক্তার নামে পরিচিত তাকে মারধর করেছেন এবং যুবদলের নেতা বিশিষ্ট ফার্নিচার ব্যবসায়ী শাহ আলম হোসেন উজ্জ্বল মিজিকে সপরিবারে হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং তাকে বেধড়ক মেরেছে। এ ব্যাপারে ফরিদগঞ্জ থানায় প্রথমে অভিযোগ এবং পরে জিডি করা হয়েছে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং সরকারি রিটার্নিং অফিসার ফরিদগঞ্জ কে অবহিত করা হয়েছে। প্রকৃত অর্থে নির্বাচনে জেতার কৌশল যদি মারামারি হয়, গুন্ডা পান্ডা দিয়ে হামকি ধমকি দেয়া হয় সেই ক্ষেত্রে বুঝতে হবে ওই প্রার্থী খুবই দুর্বল এবং জনপ্রিয়তাশূন্য। জাতীয় রাজনীতিতে জাতীয়তাবাদী দলের উচ্চ মহলকে যেকোনোভাবেই হোক ম্যানেজ করে লায়ন হারুনুর রশিদ মনোনয়ন বাগিয়ে নিলেও প্রকৃত পক্ষে ত্যাগ এবং সার্বিক দিক বিবেচনায় এর হকদার ছিল আলহাজ্ব এমএ হান্নান।

এলাকার জনগণের একটাই বুলি- দল ভুল করতে পারে কিন্তু এলাকার জনগণ? তারা ভুল করবে না তারা তাদের প্রকৃত জননেতাকেই বেছে নিবেন এবং ১২ তারিখ ফলাফল ঘোষণার পরেই জনাব এমএ হান্নান তারেক রহমানের কাছে নিজেই উপস্থিত হবেন তার বিজয়ের মালা জনাব তারেক রহমানকে পরিয়ে দেয়ার জন্য। এলাকার জনগণ এমনটিই ভাবছেন। কারণ হান্নান এবং হারুন তারা দুজনই জাতীয়তাবাদী দলের লোক। পরিস্থিতি ও লায়ন হারুনের গুন্ডা পান্ডার সন্ত্রাসী আচরণের কারণে এলাকাবাসী লায়ন হারুনুর রশীদকে গ্রহণ করতে নারাজ এবং বিভিন্ন এলাকায় তাকে বয়কট করার কথা শোনা গেছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।