খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চাচাতো ভাইকে হত্যা

বাবাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে খুনে লিপ্ত ছেলে, ঘাতক গ্রেপ্তার

সোহেল রানা, গলাচিপা পটুয়াখালী
প্রকাশিত: বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৪০ অপরাহ্ণ
বাবাকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে খুনে লিপ্ত ছেলে, ঘাতক গ্রেপ্তার

গলাচিপা উপজেলার পশ্চিম কাচারীকান্দি এলাকায় জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে আপন চাচাতো ভাইকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে দুলাল হোসেন (৩৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনার সময় ঘাতক দুলালকে তার বাবা বাধা দিলেও তিনি বাবাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্ত দুলালকে গ্রেপ্তার করেছে।

নিহত ব্যক্তির নাম শহিদুল ইসলাম (৫০)। তিনি পশ্চিম কাচারীকান্দির ৫ নং ওয়ার্ড মোতাহার মোল্লার ছেলে। অভিযুক্ত দুলাল হোসেন একই এলাকার কাঞ্চন মোল্লার ছেলে। নিহত শহিদুল ও অভিযুক্ত দুলাল সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।

স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে শহিদুল ও দুলালের পরিবারের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এরই সূত্র ধরে ঘটনার দিন তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে দুলাল উত্তেজিত হয়ে শহিদুলকে আক্রমণ করতে উদ্যত হন।

এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন দুলালের বাবা কাঞ্চন মোল্লা। তিনি নিজের ছেলেকে নিবৃত্ত করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন এবং তাকে সরিয়ে নিতে চান। কিন্তু দুলাল বাবার কোনো বাধা তোয়াক্কা না করে তাকে জোরে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শহিদুল ইসলামকে পেটের একপাশে আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুলের মৃত্যু হয়।

ঘটনার পরপরই কাঞ্চন মোল্লার চিৎকারে এলাকাবাসী জড়ো হয়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে কাঞ্চন মোল্লা উপস্থিত মানুষকে বলেন, আমার ছেলেটা মাতাল হয়ে গেছে, সে আমার কোনো কথাই শুনল না। আমাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে ও এই সর্বনাশটা করল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘাতক দুলাল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান জানান, জমিসংক্রান্ত পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহতের পরিবার ঘাতক দুলালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।