খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

হবিগঞ্জ ৪ আসনের এমপি পুত্র সৈয়দ সাফকাত আহমেদের হস্তক্ষেপ

শান্তি ফিরে এলো তেলিয়াপাড়া চা বাগানে

সৈয়দ আখলাক উদ্দিন মনসুর, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬, ৪:০৯ অপরাহ্ণ
শান্তি ফিরে এলো তেলিয়াপাড়া চা বাগানে

হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার সরকারি মালিকানাধীন ন্যাশনাল টি কোম্পানি অধীনেস্থ তেলিয়াপাড়া চা বাগানে দীর্ঘ দিন ধরে চলমান শ্রমিকদের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের অবসান ঘটিয়েছেন সায়হাম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, সমাজ সেবক দানবীর, জননন্দিত বিপুল ভোটে নির্বাচিত হবিগঞ্জ ৪ আসনের এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল এর ছেলে শিল্পপতি সৈয়দ শাফকাত আহমেদ। বিভিন্ন কারণে চা বাগানের শ্রমিকদের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি মধ্যে দীর্ঘ দিন ধরে অন্তদ্বর্ন্দ্ব চলছিল। এর প্রভাব পড়ে বাগান ব্যবস্থাপনা ওপর ।

সম্প্রতি এমপি আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল এর নির্দেশনায় তার ছেলে সায়হাম গ্রুপের পরিচালক সৈয়দ সাফকাত আহমেদ গত শনিবার সকালে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে বৈঠক বসে এবং নোয়াপাড়া চা বাগানের সাধারণ সম্পাদক লালন ও শ্রমিক নেতা হেমন্ত পানের মধ্যকার উভয় পক্ষের বিরোধ মিমাংসা করেন এবং শ্রমিকদের মাঝে স্বস্তি ফিরেছে।

তেলিয়াপাড়া চা বাগানের সিনিয়র ব্যবস্থাপক দেওয়ান বাহা উদ্দিন লিটন এর সঙ্গে বাগানের শ্রমিক নেতাদের সাথে যে ভুল বোঝাবুঝি ছিল তাও তিনি নিষ্পত্তি করে দেন। বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল এ প্রতিনিধিকে জানান ব্যবস্থাপক একজন দক্ষ ও সাহসী ভূমিকা নিয়ে বাগান চালাচ্ছেন।

তিনি একজন ভালো মানুষ সম্ভভ্রান্ত পরিবারের সন্তান। তবে তেলিয়াপাড়া চা বাগানে হঠাৎ করে ত্রিমুখী সংকটের কারণে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এতে সাধারণ শ্রমিকদের পাশাপাশি বাগান কর্তৃপক্ষ চরম ভোগান্তি মধ্যে পড়ে। এ অবস্থায় সায়হাম গ্রুপের পরিচালক সৈয়দ শাফকাত আহমেদ উদ্যোগ নিয়ে বাগানের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বসে উভয় পক্ষের সমস্যার সমাধান করে দেন। ফলে চা বাগানে এখন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফিরে এসেছে। শ্রমিক নেতা হেমন্ত পান এ প্রতিনিধিকে বলেন ,তেলিয়াপাড়া চা বাগান ঐতিহ্যবাহী বাগান হিসেবে দেশ-বিদেশে পরিচিত।

সবাই মিলে স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করে যাবেন। কারণ বাগানে বিভিন্ন ফায়দা হাসিল করতে না পেরে কিছু দুষ্কৃতিকারী চক্র রয়েছে দূর থেকে ইন্ধন ক্ষতি সাধন করার চেষ্টা করে যাচ্ছে ব্যবস্থাপককে সরানো চেষ্টা। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে ব্যবস্থাপক বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে যাচ্ছে। বাগান ব্যবস্থাপকের পরামর্শে ও শ্রমিকরা সম্মলিত ভাবে বাগান উন্নয়নের দিকে যাবে । সৈয়দ শাফকাত আহমেদ বলেন শ্রমিক, বাগান ব্যবস্থাপক সহ অন্যান্য সংকটের কারণে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল। সমস্যা গুলো সকলের সঙ্গে বসে আলোচনা মাধ্যমে সমাধান করেছেন।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।