খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ইসরায়েলের জন্য ‘কৌশলগত ধাক্কা’, নেতানিয়াহুর পরাজয়

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬, ৪:৫৭ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি ইসরায়েলের জন্য ‘কৌশলগত ধাক্কা’, নেতানিয়াহুর পরাজয়

আল জাজিরাকে সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি ভাষ্যকারের মন্তব্য; লেবানন পরিস্থিতিকে চুক্তির বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ

ঢাকা, ১৫ জুন:

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য শান্তিচুক্তি ইসরায়েলের জন্য একটি বড় কৌশলগত ধাক্কা এবং প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জন্য ‘ব্যক্তিগত পরাজয়’ হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি রাজনৈতিক ভাষ্যকার গিডিয়ন লেভি।

আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেভি বলেন, ইরানের পারমাণবিক ও আঞ্চলিক প্রভাব মোকাবিলা দীর্ঘদিন ধরে নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু ছিল। তবে নতুন বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনায় ইসরায়েলের প্রভাব সীমিত হয়ে পড়েছে বলে তিনি মনে করেন।

লেভির ভাষ্যমতে, সম্ভাব্য এই চুক্তির ফলে ইসরায়েল মূল কূটনৈতিক প্রক্রিয়া থেকে অনেকটাই বাইরে অবস্থান করছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাদের বিকল্প পরিসর সংকুচিত হয়েছে। তিনি দাবি করেন, এ অবস্থায় ইসরায়েল বিভিন্ন অন্তর্ঘাতমূলক বা সামরিক পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজের অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে।

সম্প্রতি লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে ইসরায়েলের হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব পদক্ষেপ কার্যকর কৌশলগত পরিবর্তন আনতে সক্ষম নয়। এমন হামলাকে তিনি “হাস্যকর” ও “ছেলেমানুষি” পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেন।

গিডিয়ন লেভি বলেন, “খুব স্পষ্টভাবেই ইসরায়েল এই খেলায় পিছিয়ে পড়েছে।” তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা হলে তা মধ্যপ্রাচ্যের কূটনৈতিক ভারসাম্যে নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে, যেখানে ইসরায়েলের দীর্ঘদিনের অবস্থান দুর্বল হতে পারে।

তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, সম্ভাব্য চুক্তির স্থায়িত্ব এখনো অনিশ্চিত। বিশেষ করে লেবাননকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং সীমান্ত পরিস্থিতি বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠতে পারে।

লেভির মতে, ইরান লেবানন ইস্যুকে বৃহত্তর আঞ্চলিক আলোচনার সঙ্গে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছে, যা ভবিষ্যতে চুক্তির বাস্তবায়নকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন, ইসরায়েল এখনো লেবাননের কিছু এলাকায় সামরিক উপস্থিতি বজায় রেখেছে এবং দ্রুত সেখান থেকে সরে যাওয়ার কোনো ইঙ্গিতও দেখা যাচ্ছে না।

তার ভাষায়, লেবাননে ইসরায়েলি সেনা উপস্থিতি অব্যাহত থাকলে সেখানে উত্তেজনা ও প্রতিরোধ কর্মকাণ্ড পুরোপুরি বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা কম। ফলে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি বা আঞ্চলিক শান্তি উদ্যোগ দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্কের যেকোনো অগ্রগতি শুধু দুই দেশের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা, লেবানন সংকট এবং ইসরায়েলের আঞ্চলিক কৌশলগত অবস্থানের ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।