খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

খুলনা ফুলতলার জামিরা গ্রামের মাদক সন্ত্রাস বিল্লালের বাসগৃহ হতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ
খুলনা ফুলতলার জামিরা গ্রামের মাদক সন্ত্রাস বিল্লালের বাসগৃহ হতে অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

গত শুক্রবার দিন গত রাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় খুলনা ফুলতলার ওসি তদন্ত ও সঙ্গীয় ফোর্স গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ফুলতলা জামিরিয়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বিল্লাল পিতা সাইফুল মোল্লার সোবার ঘরের তোষকের নিচ হইতে চার রাউন্ড গুলি, ও একটি এক নালা বন্দ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।

ফুলতলা থানার বরাদ্দে জানা যায় ফুলতলা থানার সাব ইন্সপেক্টর শফিকুজ্জামান সহ, সহকারি ইন্সপেক্টর জাহিদ পুলিশ সদস্য হেলালুজ্জামান এবং ওসি তদন্ত শফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ফুলতলার জামিরা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে মাদক ও অস্ত্র অভিযানে বিশেষ অবদান রাখেন।

 

সাব ইন্সপেক্টর শফিকুজ্জামান ও ওসি তদন্তের বরাদ্দে জানা যায় ফুলতলা থানা গতরাত আনুমানিক ১০ ঘটিকার সময় ফুলতলার জামিরা গ্রামের বিল্লার মোল্লার বাসগৃহ হতে ২ যুবক কে, মাদকসহ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় যাদের মধ্যে সৌরভ সরকার ওরফে বাপ্পি পিতা কিরণ চেচুড়ী, দুয়াখোলা ডুমুরিয়া খুলনা একই সাথে বাইজিদ হোসেন পিতা আব্দুল মজিদ কাটিংগা কে যুবক বিল্লালের ঘর হতে বের হওয়ার সময় বাপ্পির নিকট হতে আট পিস এবং বাইজিদের নিকট হতে ৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় ফুলতলা থানা পুলিশ।

 

একই সময়ে বিল্লাল মোল্য পিতা সাইফুল মোল্লার ঘর তল্লাশি নিলে বিল্লাল মোল্লার ঘরের কক্ষের তোষকের নিচের ভাগে এক নলা বন্ধুক ও চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করতে সক্ষম হয় ফুলতলা সাব ইন্সপেক্টর শফিকুজ্জামান , এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনাস্থল ছেড়ে পরওয়ার মোল্লা পিতা হোসেন মিস্ত্রি গ্রাম, পিপরাইল ফুলতলা খুলনা এবং সাথে থাকা অজ্ঞাত এক ব্যক্তি, পরওয়ার মোল্লার খালাতো ভাই বিল্লাল মোল্লা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

উক্ত বিষয়ে বিল্লাল মোল্লার স্ত্রী গৃহবধূ তাসলিমা পুলিশকে বলে আমার বাড়িতে সৌরভ ওরূপে বাপ্পি পিতা কিরণ ও বাইজিদ হোসেন পিতা আব্দুল মজিদ কাটিংগা ডুমুরিয়া,পিপরাইল এলাকার সন্ত্রাস পরওয়ারের খোঁজে আসার ১০ মিনিট পর পরওয়ার পিতা হোসেন মিস্ত্রি অজ্ঞাত একটি লোক ও একনলা বন্দুক ও চার পিচ গুলি সহ আমার বাড়ি মধ্যে প্রবেশ করে, এবং বাসগৃহের সুবার কক্ষে অস্ত্র ও গুলি রেখে দেয় এমত অবস্থায় পুলিশ আমার বাড়ি আসার সংবাদ পেয়ে, পরওয়ার বিল্লাল ও অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় কিন্তু মাদক কিনতে আসা সৌরভ ও বাইজিদ পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারর হয়। উক্ত বিষয়ে বেলালের স্ত্রী তাসলিমা খুলনা ফুলতলা কোর্ট বরাবর ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী দিয়েছে।

 

ঘটনার দু,দিন পূর্বে পরওয়ার পিতা হোসেন মিস্ত্রি গ্রাম পিপরাইল ইউনিয়ন জামিরা ফুলতলা খুলনার নেতৃত্বে। তিন থেকে চার সদস্য বিশিষ্ট দল জামিরা বাজারের বণিক ব্যবসায়ী আজিজুল বিশ্বাস পিতা আলতাব বিশ্বাস, টোলনা ডুমুরিয়ার নিকট ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে অস্ত্রের মুখে, অন্যথায় প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয় আজিজুল। বিশ্বাসকে।

পরবর্তীতে লোকমুখে জানা যায় আজিজুল বিশ্বাস পরওয়ার কে, নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রদান করে। এমন ঘটনার বিষয়বস্তু আজিজুলের নিকটজানতে চাইলে, আজিজুল বলে আমার কাছে ৫ লক্ষ টাকা চেয়েছিল আমি এক পয়সাও চাঁদা দেয়নি।

 

উক্ত বিষয়ে ফুলতলা থানাতে অস্ত্র ও মাদক আইনে চারজন সহ অজ্ঞাত আরো একজনের নামে একটি রেগুলার মামলা রজু হয়েছে মামলা নাম্বার -১২

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।