খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৯ কোটির সড়ক ধসে এলজিইডির স্বীকারোক্তি: পরিকল্পনার ভুলে ভোগান্তিতে লাখো মানুষ! পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬, ১০:২০ অপরাহ্ণ
৯ কোটির সড়ক ধসে এলজিইডির স্বীকারোক্তি: পরিকল্পনার ভুলে ভোগান্তিতে লাখো মানুষ! পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৯ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত একটি সড়ক নির্মাণের মাত্র তিন মাসের মাথায় ধসে পড়ার ঘটনায় পরিকল্পনাগত ত্রুটির কথা স্বীকার করেছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর-এলজিইডি। শনিবার বিকেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন উপজেলার রাজাবাড়ি থেকে দমদমা পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয় প্রায় ৯ কোটি টাকা। তবে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মাত্র তিন মাসের মধ্যেই সূতি নদীসংলগ্ন অংশের প্রায় ৮৩ মিটার সড়ক ধসে পড়ে। এতে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দেয়। সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গত ২৯ জুন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ঢাকা অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মো. সাদেকের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের একটি তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, সড়কটির প্রাথমিক নকশা ও পরিকল্পনায় ত্রুটি থাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আবুল মনজুর মো. সাদেক “সড়কটির পরিকল্পনা ও ডিজাইনে কিছু ত্রুটি ছিল। তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুত প্রকাশ করা হবে এবং ক্ষতিগ্রস্ত অংশ স্থায়ীভাবে সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত মেরামত করে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম আরও বলেন “ক্ষতিগ্রস্ত অংশের নিচের মাটির স্তর দুর্বল হওয়ায় এই সমস্যা হয়েছে। নতুন ডিজাইন করে বড় ধরনের পাইলিংয়ের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” জানা যায়,২০২১ সালে শুরু হওয়া এ সড়ক প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। তবে কাজ শেষ হয় ২০২৬ সালে। এরই মধ্যে সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল এবং নদীতীর সংরক্ষণ ব্লক ভেঙে যাওয়ার ঘটনাও সামনে এসেছে।

স্থানীয়দের দাবি, শুধু সংস্কার নয়, কী কারণে পরিকল্পনায় ত্রুটি হয়েছে এবং এর দায় কার সেটিও তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট করতে হবে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।