খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

সরকারি নীতি প্রণয়নে পরিসংখ্যানের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ৮:২৬ অপরাহ্ণ
সরকারি নীতি প্রণয়নে পরিসংখ্যানের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে

বিশেষ প্রতিনিধি: সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হলো নির্ভরযোগ্য ডেটা। সরকারি পরিসংখ্যানের ওপর জনগণের আস্থা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর সক্ষমতা, পেশাদারিত্ব ও তথ্য প্রকাশের স্বাধীনতা আরও জোরদার করতে হবে বলে জানিয়েছেনঅর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ।

রোববার (৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী এ কথা বলেন।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার, বিবিএস’র ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মো. মীর হোসেন এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বিবিএস কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা ও ক্যারিয়ার উন্নয়নের লক্ষ্যে সংস্থাটির সাংগঠনিক কাঠামো ও নিয়োগবিধি হালনাগাদের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি গবেষণার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং সরকারি নীতি প্রণয়নে সরকারি পরিসংখ্যানের সর্বোচ্চ ও কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।সভা শেষে মন্ত্রী আগারগাঁওয়ে বিবিএস প্রধান কার্যালয়ে স্থাপিত মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণ ল্যাব-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, নতুন এ ল্যাবের মাধ্যমে গবেষক, শিক্ষার্থী, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকরা নিরাপদ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে জাতীয় শুমারি ও জরিপের নাম-পরিচয়বিহীন মাইক্রোডেটা  বিশ্লেষণের সুযোগ পাবেন।বিবিএস নিয়মিতভাবে বিপুল পরিমাণ মাইক্রোডেটা উৎপাদন করে। এ ল্যাবের মাধ্যমে সেই তথ্য আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও গবেষণাবান্ধব উপায়ে ব্যবহার করা সম্ভব হবে। গবেষণা, থিসিস, নীতি বিশ্লেষণ, কর্মসূচি মূল্যায়ন এবং প্রমাণভিত্তিক পরিকল্পনা প্রণয়নে এ ল্যাব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মন্ত্রী বলেন, ‘ডেটা থেকে জ্ঞান, জ্ঞান থেকে উন্নয়ন’-এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিবিএসের মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণ ল্যাব উপাত্তভিত্তিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। সরকারি তথ্য ব্যবহারের সুযোগ জনগণের জন্য উন্মুক্ত করায় তিনি বিবিএস-কে ধন্যবাদ জানান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিবিএসের মাইক্রোডেটা বিশ্লেষণ ল্যাব শিক্ষার্থী, গবেষক, অর্থনীতিবিদ ও নীতিনির্ধারকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এর মাধ্যমে গবেষণা ও নীতি প্রণয়নে জাতীয় তথ্যের ব্যবহার আরও কার্যকর হবে।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মো. ফিরোজ সরকার বলেন, মাইক্রোডেটায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি উত্তরদাতাদের গোপনীয়তা রক্ষা সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। বিবিএসের এ ল্যাব নিরাপদ তথ্য ব্যবহার, দায়িত্বশীল গবেষণা ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার একটি কার্যকর মডেল হিসেবে কাজ করবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।