খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বাধভাঙ্গা উল্লাসে বেলজিয়াম

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৭ জুলাই, ২০২৬, ৬:৫৮ অপরাহ্ণ
যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বাধভাঙ্গা উল্লাসে বেলজিয়াম

ঢাকার ডাক স্পোর্টস ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে যেন সবকিছুর জবাব দিয়ে দিল বেলজিয়াম। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেন তারা হারালো ফিফাকেও। সে সঙ্গে ম্যাচের আগে গত দুই দিন ধরে চলা নানা আলোচনা-সমালোচনার জবাব মাঠেই দিল বেলজিয়াম।

২০২৬ বিশ্বকাপে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে বেলজিয়ামের শেষ গোলটি করে বিশাল জয় নিশ্চিত করেন রোমেলু লুকাকু। শেষ গোলটি করার পর তিনি বাধভাঙা উল্লাসে মেতে ওঠেন। স্থানীয় দর্শকদের উদ্দেশ্যে উসকানিমূলক অঙ্গভঙ্গি করার পাশাপাশি তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিখ্যাত নাচের ভঙ্গিও অনুকরণ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে শক্তিশালী ও বাঁকানো ডান পায়ের এক শটে বল গোললাইন অতিক্রম করার সাথে সাথেই নাপোলির স্ট্রাইকার লুকাকু সিয়াটলের মার্কিন দর্শকদের উদ্দেশ্যে দুই হাত কানের পেছনে নিয়ে ‘টোপো জিজিও’ ভঙ্গি করেন এবং ডান হাত দিয়ে মুখের নড়াচড়ার মতো ভঙ্গিও করেন। ম্যাচের আগের ঘটনাপ্রবাহ এবং খেলা শুরুর আগে এ নিয়ে অতিরিক্ত কথাবার্তার প্রতি বেলজিয়ামের অসন্তোষের বিষয়টিই এর মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।

এরপর লুকাকুর দৃষ্টি চলে যায় ভিআইপি বক্সের দিকে, যেখানে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফ্যান্তিনো বসেছিলেন। তিনি কেবল চ্যালেঞ্জিং দৃষ্টিতে আঙুল উঁচিয়ে চিৎকার করে তবেই ক্ষান্ত হন। এরপরই সতীর্থরা তাকে জড়িয়ে ধরেন, যারা কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে তার সাথে উদযাপনের অপেক্ষায় ছিলেন।

সব সতীর্থের মাঝে দাঁড়িয়ে লুকাকু তার উদযাপনের সমাপ্তি টানেন ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই বিখ্যাত নাচের ভঙ্গি অনুকরণ করে, যা মূলত ‘ভিলেজ পিপল’-এর ‘ওয়াইএমসিএ’ (YMCA) গানের সাথে করা হতো। স্পষ্টতই, বালোগুনের বহিষ্কারাদেশ নিয়ে ইনফ্যান্তিনোর সাথে মার্কিন প্রেসিডেন্টের আলোচনার বিষয়টি ইউরোপীয়দের জন্য বাড়তি অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের কিক-অফের জন্য নিজেদের অর্ধে ফিরে যাওয়ার আগে একটি আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়। ইন্টার মিলানে লওতারো মার্টিনেজের সাবেক সতীর্থ লুকাকু তার আরেক সতীর্থ আমাদু ওনানার জার্সি উঁচিয়ে ধরেন।

বেলজিয়ামের বিপক্ষে রাউন্ড অফ সিক্সটিনের ম্যাচে ফোলারিন বালোগুনকে খেলার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তটি ২০২৬ বিশ্বকাপে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বিশেষ করে ‘রেড ডেভিলস’ (বেলজিয়াম দল) যারা সিয়াটলে হালকা নীল ও গোলাপি রঙের জার্সি পরেছিল।

বেলজিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন একটি নতুন বিবৃতি দিয়ে পরিস্থিতি সামলানোর ক্ষেত্রে ফিফার বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ এনেছে এবং আগেই ঘোষণা করেছে যে, ওই স্ট্রাইকার যদি খেলেন তবে তারা তার অংশগ্রহণের বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানাবে।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।