খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

৫ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা! শ্রীপুর পৌরসভায় স্টেশনারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ

শ্রাবনী আক্তার
প্রকাশিত: বুধবার, ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১:১৭ অপরাহ্ণ
৫ টাকার কলমের বিল ১২০ টাকা! শ্রীপুর পৌরসভায় স্টেশনারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভায় স্টেশনারি সামগ্রী ক্রয়ে মূল্য অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। কোটেশন অনুযায়ী একটি মেটাডোর বলপেনের মূল্য ৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও বিলে প্রতিটির দাম ১২০ টাকা দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুলাই স্টেশনারি সামগ্রী কেনার জন্য ১০টি আইটেমের কোটেশন আহ্বান করা হয়। ১২ জুলাই কোটেশন খোলা হলে সততা এন্টারপ্রাইজ, সেবা এন্টারপ্রাইজ ও মোরাদ এন্টারপ্রাইজ নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। পরে মোরাদ এন্টারপ্রাইজকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়।
কোটেশনপত্রে ১০০টি মেটাডোর বলপেনের প্রতিটির মূল্য ৫ টাকা উল্লেখ থাকলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জমা দেওয়া বিলে প্রতিটির মূল্য ১২০ টাকা দেখানো হয়েছে। এছাড়া অফসেট পেপার, স্ট্যাপলার পিন, পিন রিমুভার, পেন্সিল ব্যাটারি, ক্যালকুলেটর, রেজিস্টার খাতা ও পাঞ্চ মেশিনসহ বিভিন্ন স্টেশনারি সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ধরা হয়েছিল ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৭৪ টাকা। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ১ লাখ ২২ হাজার টাকার বিল জমা দেয়।
বুধবার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোটেশনে অংশ নেওয়া তিনটি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সততা এন্টারপ্রাইজের পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা ও মোবাইল নম্বর উল্লেখ নেই। কার্যাদেশপ্রাপ্ত মোরাদ এন্টারপ্রাইজেরও কোনো মোবাইল নম্বর পাওয়া যায়নি। শুধু সেবা এন্টারপ্রাইজের একটি মোবাইল নম্বর উল্লেখ থাকলেও পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোটেশন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি। একই সঙ্গে কোটেশনে নির্ধারিত মূল্যের সঙ্গে বিলের অসামঞ্জস্য থাকায় সরকারি অর্থ ব্যয়ের বিষয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তারা বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রীপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মো. মিজানুর রহমান বলেন, “সব নিয়ম মেনেই কোটেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। বিলে অনিচ্ছাকৃতভাবে কলমের মূল্য বেশি উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে মোট ব্যয়ের হিসাবে কোনো অসঙ্গতি নেই।”
শ্রীপুর পৌরসভার প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী সাহেদ আখতার বলেন, “বিধি অনুযায়ী কোটেশন সম্পন্ন হয়েছে। ঠিকাদারের জমা দেওয়া বিলে কলমের দাম বেশি লেখা হয়েছিল। আমরা যাচাই করে দেখেছি, মোট বিলের পরিমাণ সঠিক রয়েছে।”
শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক নাহিদ ভূঁইয়া বলেন, “একটি পণ্যের মূল্য বেশি দেখানো হলেও অন্য কয়েকটি পণ্যের মূল্য তুলনামূলক কম ধরা হয়েছে। সব মিলিয়ে গড় মূল্য সঠিক রয়েছে। তারপরও প্রয়োজন হলে বিষয়টি আরও পর্যালোচনা করা হবে।”
এ ঘটনায় পৌরসভার ক্রয়প্রক্রিয়া ও আর্থিক ব্যবস্থাপনার স্বচ্ছতা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।