খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬, ৮:২৭ অপরাহ্ণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক কমিটির সভাপতি মোঃ আবুল কালাম, এমপি’র সভাপতিত্বে আজ জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামো, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট, ব্যয় পরিকল্পনা এবং চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম বিষয়ে বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়।

বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৪টি কর্পোরেশন, ৬টি অধিদপ্তর/সংস্থা, ২টি বোর্ড এবং ২টি ফাউন্ডেশনসহ মোট ১৪টি দপ্তর/সংস্থা দেশের শিল্পায়ন, শিল্প ব্যবস্থাপনা, মান নিয়ন্ত্রণ, প্রযুক্তি উন্নয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ক্ষুদ্র, কুটির, মাইক্রো ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপনকালে জানানো হয় যে, শিল্প মন্ত্রণালয়ের মোট প্রস্তাবিত বাজেট ১,৬৯১.৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ৩৬১.০২ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ১,৩৩০.৮৮ কোটি টাকা। পরিচালন বাজেটের আওতায় শিল্প মন্ত্রণালয় (সচিবালয় অংশ), প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয়, পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি), ন্যাশনাল প্রোডাক্টিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক), বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক), বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম) এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ডের খাতভিত্তিক ব্যয় পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।

উন্নয়ন বাজেটের আওতায় বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি), বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক), বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক) এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি, বরাদ্দ ও ব্যয় পরিকল্পনা সভায় পর্যালোচনা করা হয়। প্রকল্পসমূহের মধ্যে শিল্পপার্ক, শিল্পনগরী, গুদাম নির্মাণ, প্রযুক্তি আধুনিকীকরণ, পরীক্ষাগার উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং শিল্পখাতের সক্ষমতা বৃদ্ধিমূলক বিভিন্ন উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সভায় বাজেট বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দক্ষতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা, বরাদ্দের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা, শিল্পখাতের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।

বৈঠকে কমিটির সদস্য ও শিল্প মন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদীর এমপি, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম এমপি, মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এমপি, মনজুর এলাহী এমপি, মোঃ কেরামত আলী এমপি এবং আলফারুক আব্দুল লতিফ এমপি অংশগ্রহণ করেন।বৈঠকে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব‌্যারিস্টার মোঃ গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন কর্পোরেশন, দপ্তর, সংস্থা, বোর্ড ও ফাউন্ডেশনের প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকার ডাক নিউজ/এস

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।