খুঁজুন
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১২ আশ্বিন, ১৪৩৩

অবৈধভাবে বালু উত্তোলন শীতলক্ষ্যায় ভরাট হচ্ছে কৃষিজমি

মো : আব্দুল বাতেন বাচ্চু
প্রকাশিত: বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:১১ অপরাহ্ণ
অবৈধভাবে বালু উত্তোলন শীতলক্ষ্যায় ভরাট হচ্ছে কৃষিজমি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ভাদার্ত্তী এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রকাশ্যে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু তোলা হচ্ছে। আর এই বালু সরবরাহ করা হচ্ছে কৃষিজমি ভরাটের কাজে।

(১২ আগস্ট) বুধবার দুপুরে সরেজমিন কালীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ভাদার্ত্তী এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, প্রকাশ্যে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু তুলছে একটি অসাধু চক্র। প্রধান সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে পাইপ বসিয়ে বালু ফেলা হচ্ছে কৃষিজমিতে। এতে যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় দোকানদাররা জানান, এখানে সব সময়ই ড্রেজার থাকে।

প্রশাসন এসে জরিমানা করে চলে গেলে আবারও বালু তোলার কাজ শুরু হয়। তারা জানান, একই চক্র নদীর তীর দখল করে দোকান বসিয়ে ভাড়া নিচ্ছে নিয়মিত।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বালু তুলে তা কৃষিজমিতে ফেলার জন্য গত ১০ জুন কালীগঞ্জ পৌরসভার উত্তর ভাদার্ত্তী এলাকায় প্রধান সড়কের ওপর আড়াআড়িভাবে পাইপ বসানো হয়। কোনো দপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই বসানো ওই পাইপ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে সড়কে যান চলাচলে বিঘ্ন করে।

এর পরও তা অপসারণে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি স্থানীয় প্রশাসন।

স্থানীয়রা জানায়, উত্তর ভাদার্ত্তী বাইপাসসংলগ্ন একটি পেট্রল পাম্পের আশপাশের কৃষিজমিতে বালু ফেলা হচ্ছে। এই জমি ভরাটের মধ্য দিয়ে জমির শ্রেণি কার্যত পরিবর্তিত হয়ে যাচ্ছে, যদিও সংশ্লিষ্ট কোনো দপ্তর থেকে অনুমতি বা সম্মতি নেওয়া হয়নি।

একটি সূত্র জানিয়েছে, শীতলক্ষ্যায় ড্রেজার দিয়ে উত্তর ভাদার্ত্তী এলাকার কৃষিশ্রেণির জমিতে প্রায় ৩০ লাখ ঘনফুট বালু ভরাট করা হবে। এই বিপুল পরিমাণ বালু ফেলা হলে পৌর শহরের পানিপ্রবাহ বা নিষ্কাশনব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

এতে সামান্য বৃষ্টিতেই শহর তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেবে।

সূত্র জানায়, বর্তমানে অল্প বৃষ্টিতেই শহরের সড়ক-ঘাট ডুবে যাওয়ার পেছনে মূল কারণ পানি নিষ্কাশনের পথগুলো একে একে বন্ধ হয়ে যাওয়া। আশপাশের নিচু জমিও একই কারণে দ্রুতগতিতে ভরাট হয়ে যাচ্ছে।

কালীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা শ্যামল কুমার দত্ত বলেন, ‘সড়কে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে পাইপ বসানোর পর এবং বালু ভরাট শুরুর পর বিষয়টি ইউএনওকে জানানো  হয়েছে। তিনি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন। পৌরসভার নিজস্ব নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট না থাকায় চাইলেও অনেক সময় ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ হয় না।’

বালু ব্যবসায়ীরা পৌরসভা থেকে কোনো অনুমোদন নেননি, এমনকি তাদের কোনো ট্রেড লাইসেন্সও পৌরসভা থেকে দেওয়া হয়নি বলে জানান ইউএনও।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌরসভার প্রশাসক এ টি এম কামরুল ইসলাম দৈনিক ঢাকার ডাক কে বলেন, ‘আমরা কাউকে অনুমতি দিইনি। অনিয়ম হলে অবশ্যই ভ্রাম্যমাণ আদালতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি দেখা হচ্ছে।

গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

আলমগীর হোসেন
প্রকাশিত: শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৯:১৬ অপরাহ্ণ
গজারিয়ায় দূর্ভোগ লাগবে সাঁকো নির্মাণ করে দিলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী নাজিম লাভলু

মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় বর্ষার পানিতে পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ায় চরম দূর্ভোগে পরেছিল ২০টিরও অধিক পরিবার। এ পরিবার গুলোর স্কুল,কলেজ, ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতায়াতে বিড়ম্বনায় পড়ছিল, কর্মজীবী ‘রা প্রায় আধা কিলোমিটার পথ পেয়ে হেটে কর্মস্থলে থেকে বসত বাড়িতে আশা যাও করতে হতো। তাদের এই দুর্ভোগ লাগবে তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন আসন্ন বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু।

 

জানা যায় তাঁর উদ্যোগ ও নিজস্ব অর্থায়নে উপজেলার বালুয়াকান্দী ডাঃ আব্দুল গাফফার স্কুল এন্ড কলেজের পশ্চিম পার্শ্বে তাঁর উদ্যোগে ও নিজস্ব অর্থায়নে কালভার্টের পাশে বালুয়াকান্দী পশ্চিম পাড়া বায়তুল নুর জামে মসজিদের পাশ দিয়ে প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করা হয়েছে,শুক্রবার দিনব্যাপী স্বেচ্ছাশ্রমে এই সাঁকো নির্মাণ করেন স্থানীয়’রা।

সরেজমিনে দেখা যায়,উপজেলার বালুয়াকান্দী ইউনিয়ন এর প্রধান সড়ককের পার্শ্বে সংযোগ সড়ক না থাকায় পায়ে হাটার পথ তলিয়ে গেছে, পাশেই মসজিদ,মাদ্রাসা,হাই স্কুল অদূরে প্রাথমিক বিদ্যালয়।

বিষয়টা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন বলেন, পায়ে হাটার পথ ডুবে যাওয়ার পর থেকেই আমরা এখানে বসবাস করা পরিবার গুলো দূর্ভোগে পরেছিলাম,লাভলু ভাই সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় আমাদের সেই দূর্ভোগ লাগব হয়েছে।

মাদ্রাসা ছাত্র আরাফাত, মাহাদী, বলেন,রাস্তা ডুবে যাওয়ায় দুই মিনিট এর পথ আধা ঘন্টা ঘুরে মাদ্রাসায় আসতে হতো এখন সাঁকো নির্মাণ করে দেওয়ায় সহজেই আবার আসা যাওয়া করা যাচ্ছে।

এ বিষয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নাজিম লাভলু বলেন,আমি প্রতিশ্রুতি না,কাজে বিশ্বাসী।মানুষের দূর্ভোগের খবর পেয়েই সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করি,সুযোগ পেলে এখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে দিব।